জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা ও বিএনপির সাবেক চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীর সম্ভাব্য তারিখের সঙ্গে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের ভোটের দিন মিলে যাওয়ায় সম্ভাব্য সূচি নিয়ে নতুন করে ভাবছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
ইসির অনানুষ্ঠানিকভাবে নির্ধারিত সম্ভাব্য সূচি অনুযায়ী, ইউপি নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপের ভোট ১৩ ডিসেম্বর এবং তৃতীয় ধাপের ভোট ৩০ ডিসেম্বর হতে পারে। এর মধ্যে ১৩ ডিসেম্বর জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার গণিত পরীক্ষা এবং ৩০ ডিসেম্বর খালেদা জিয়ার প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী পড়েছে।
ইসি সূত্রের বরাতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্ভাব্য ভোটের তারিখ নির্ধারণের সময় প্রয়োজনীয় কিছু তথ্য ও বিষয় যথাযথভাবে উপস্থাপিত না হওয়ায় এ ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
তবে এগুলো এখনো চূড়ান্ত নির্বাচনী সময়সূচি নয়। ইউপি নির্বাচন পরিচালনার জন্য নির্বাচন কমিশনের পৃথক আইন ও বিধিমালা রয়েছে।
প্রকাশিত পরীক্ষাসূচি অনুযায়ী, ৮ ডিসেম্বর বাংলা, ১০ ডিসেম্বর ইংরেজি, ১৩ ডিসেম্বর গণিত এবং ১৫ ডিসেম্বর বিজ্ঞান ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
ইসি ও শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তাদের মতে, ইউপি নির্বাচনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়। একই সঙ্গে শিক্ষকেরা ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। ফলে একই দিনে ভোট ও পরীক্ষা হলে কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা এবং জনবল ব্যবহারে জটিলতা তৈরি হতে পারে।
এ অবস্থায় বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠেয় আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে ইউপি নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখগুলো নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। বৈঠকের পর প্রয়োজন অনুযায়ী কয়েকটি তারিখ পরিবর্তনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারে ইসি।
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন ও ইউপি নির্বাচন সামনে রেখে বৃহস্পতিবার ইসিতে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এতে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিব, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং গোয়েন্দা সংস্থার প্রধানদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা ও বিএনপির সাবেক চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীর সম্ভাব্য তারিখের সঙ্গে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের ভোটের দিন মিলে যাওয়ায় সম্ভাব্য সূচি নিয়ে নতুন করে ভাবছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
ইসির অনানুষ্ঠানিকভাবে নির্ধারিত সম্ভাব্য সূচি অনুযায়ী, ইউপি নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপের ভোট ১৩ ডিসেম্বর এবং তৃতীয় ধাপের ভোট ৩০ ডিসেম্বর হতে পারে। এর মধ্যে ১৩ ডিসেম্বর জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার গণিত পরীক্ষা এবং ৩০ ডিসেম্বর খালেদা জিয়ার প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী পড়েছে।
ইসি সূত্রের বরাতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্ভাব্য ভোটের তারিখ নির্ধারণের সময় প্রয়োজনীয় কিছু তথ্য ও বিষয় যথাযথভাবে উপস্থাপিত না হওয়ায় এ ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
তবে এগুলো এখনো চূড়ান্ত নির্বাচনী সময়সূচি নয়। ইউপি নির্বাচন পরিচালনার জন্য নির্বাচন কমিশনের পৃথক আইন ও বিধিমালা রয়েছে।
প্রকাশিত পরীক্ষাসূচি অনুযায়ী, ৮ ডিসেম্বর বাংলা, ১০ ডিসেম্বর ইংরেজি, ১৩ ডিসেম্বর গণিত এবং ১৫ ডিসেম্বর বিজ্ঞান ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
ইসি ও শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তাদের মতে, ইউপি নির্বাচনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়। একই সঙ্গে শিক্ষকেরা ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। ফলে একই দিনে ভোট ও পরীক্ষা হলে কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা এবং জনবল ব্যবহারে জটিলতা তৈরি হতে পারে।
এ অবস্থায় বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠেয় আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে ইউপি নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখগুলো নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। বৈঠকের পর প্রয়োজন অনুযায়ী কয়েকটি তারিখ পরিবর্তনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারে ইসি।
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন ও ইউপি নির্বাচন সামনে রেখে বৃহস্পতিবার ইসিতে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এতে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিব, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং গোয়েন্দা সংস্থার প্রধানদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
