বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই বন্ধ হয়ে থাকা কলকারখানা পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে সব কারখানাই চালু করা হবে।
শুক্রবার (১ মে) বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বিএনপির শ্রমিক সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
শ্রমিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আপনারা যেমন বিভিন্ন খাতে কাজ করেন, আমিও আপনাদের খাতায় একজন শ্রমিক হিসেবে নাম লিখাতে চাই। একইসঙ্গে মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদেরও শ্রমিক হিসেবে তালিকাভুক্ত করতে চাই, যেন সবাই মিলে দেশ গড়ার কাজে অংশ নিতে পারি।”
তিনি অভিযোগ করেন, অতীতে স্বৈরাচার সরকার শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে। বর্তমান সরকার শ্রমিকদের কল্যাণে কাজ করছে বলে জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, শ্রমিকদের পরিবারের জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কৃষকদের জন্য ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ মওকুফ করা হয়েছে এবং কৃষক কার্ড চালুর বিষয়েও কাজ চলছে।
গ্রামীণ উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দেশের অধিকাংশ মানুষ গ্রামে বসবাস করলেও তারা সঠিক সময়ে পানি পায় না। এ সমস্যা সমাধানে খাল খনন কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।
তিনি বলেন, “কৃষক ও শ্রমিকদের ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারলে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব।”
শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনের সভাপতিত্বে সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শনিবার, ০২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬
বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই বন্ধ হয়ে থাকা কলকারখানা পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে সব কারখানাই চালু করা হবে।
শুক্রবার (১ মে) বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বিএনপির শ্রমিক সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
শ্রমিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আপনারা যেমন বিভিন্ন খাতে কাজ করেন, আমিও আপনাদের খাতায় একজন শ্রমিক হিসেবে নাম লিখাতে চাই। একইসঙ্গে মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদেরও শ্রমিক হিসেবে তালিকাভুক্ত করতে চাই, যেন সবাই মিলে দেশ গড়ার কাজে অংশ নিতে পারি।”
তিনি অভিযোগ করেন, অতীতে স্বৈরাচার সরকার শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে। বর্তমান সরকার শ্রমিকদের কল্যাণে কাজ করছে বলে জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, শ্রমিকদের পরিবারের জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কৃষকদের জন্য ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ মওকুফ করা হয়েছে এবং কৃষক কার্ড চালুর বিষয়েও কাজ চলছে।
গ্রামীণ উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দেশের অধিকাংশ মানুষ গ্রামে বসবাস করলেও তারা সঠিক সময়ে পানি পায় না। এ সমস্যা সমাধানে খাল খনন কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।
তিনি বলেন, “কৃষক ও শ্রমিকদের ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারলে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব।”
শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনের সভাপতিত্বে সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
