২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটে বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় বড় ধরনের সংস্কারের রূপরেখা ঘোষণা করা হয়েছে। এতে শিক্ষাক্রম বা কারিকুলাম পরিবর্তনে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপনের সময় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন। বাজেট বক্তৃতায় বলা হয়, মানবিক, দক্ষ ও দায়িত্বশীল নাগরিক গড়ে তুলতে শিক্ষাব্যবস্থাকে আধুনিক ও সময়োপযোগী করে গড়ে তোলা হবে।
এ লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে শিক্ষাক্রমকে নতুনভাবে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন কাঠামোর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের নৈতিক মূল্যবোধ, সামাজিক দায়িত্ববোধ, নেতৃত্বের গুণাবলি এবং মানবিক চরিত্র গঠনে গুরুত্ব দেওয়া হবে।
‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ বা আনন্দময় শিক্ষা ধারণাকে সামনে রেখে শিক্ষার পরিবেশ আরও সহজ ও আনন্দদায়ক করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। মুখস্থনির্ভর শিক্ষার পরিবর্তে সৃজনশীল ও বাস্তবভিত্তিক শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
নতুন কারিকুলামে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা, ক্রীড়া, সংস্কৃতি এবং প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিজেদের মেধা ও আগ্রহ অনুযায়ী দক্ষ কারিগর, প্রযুক্তিবিদ, গবেষক বা শিল্পী হিসেবে গড়ে উঠতে পারবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।

বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুন ২০২৬
২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটে বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় বড় ধরনের সংস্কারের রূপরেখা ঘোষণা করা হয়েছে। এতে শিক্ষাক্রম বা কারিকুলাম পরিবর্তনে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপনের সময় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন। বাজেট বক্তৃতায় বলা হয়, মানবিক, দক্ষ ও দায়িত্বশীল নাগরিক গড়ে তুলতে শিক্ষাব্যবস্থাকে আধুনিক ও সময়োপযোগী করে গড়ে তোলা হবে।
এ লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে শিক্ষাক্রমকে নতুনভাবে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন কাঠামোর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের নৈতিক মূল্যবোধ, সামাজিক দায়িত্ববোধ, নেতৃত্বের গুণাবলি এবং মানবিক চরিত্র গঠনে গুরুত্ব দেওয়া হবে।
‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ বা আনন্দময় শিক্ষা ধারণাকে সামনে রেখে শিক্ষার পরিবেশ আরও সহজ ও আনন্দদায়ক করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। মুখস্থনির্ভর শিক্ষার পরিবর্তে সৃজনশীল ও বাস্তবভিত্তিক শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
নতুন কারিকুলামে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা, ক্রীড়া, সংস্কৃতি এবং প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিজেদের মেধা ও আগ্রহ অনুযায়ী দক্ষ কারিগর, প্রযুক্তিবিদ, গবেষক বা শিল্পী হিসেবে গড়ে উঠতে পারবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।
