রূপালি মৎস্যে স্বনির্ভর দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে খুলনায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ এর উদ্বোধন, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (১৬ আগস্ট) সকালে খুলনা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, মাছে-ভাতে বাঙালি। প্রাকৃতিক সম্পদ ও সৌন্দর্যের দিক থেকে বাংলাদেশ পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ দেশ। পানি সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা এবং খাল-বিলের উন্নয়নের মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিতে সরকার কাজ করছে।
তিনি বলেন, খরা, বন্যা, অতিবৃষ্টি ও নানা প্রাকৃতিক প্রতিকূলতা মোকাবিলা করেও বাংলাদেশে বিপুল পরিমাণ ফল ও ফসল উৎপাদন হচ্ছে। দেশের কৃষক, কামার, কুমার, জেলে ও সাধারণ মানুষ সম্মিলিতভাবে কাজ করলে সবক্ষেত্রে স্বনির্ভরতা অর্জন সম্ভব।
মন্ত্রী আরও বলেন, বিদেশ থেকে পণ্য আমদানি কমিয়ে দেশীয় উৎপাদন বাড়াতে হবে। বিশেষ করে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি করে দেশের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বিদেশে মাছ রপ্তানি করা সম্ভব।
তিনি বলেন, স্বপ্ন, আশা ও আকাঙ্ক্ষা নিয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যেতে হবে। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।
খুলনা জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মু. বিল্লাল হোসেন খান, মৎস্য অধিদপ্তরের বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম এবং রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের পুলিশ সুপার মো. সাজ্জাদুর রহমান রাসেল।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. বদরুজ্জামান।
এ সময় সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, মৎস্যচাষি, মৎস্যজীবী, মাছ রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, মৎস্য খাদ্য উৎপাদক ও ব্যবসায়ী সমিতির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি দুইজন সফল মৎস্য চাষিকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করেন।
এর আগে জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে মন্ত্রীর নেতৃত্বে নগরীর সার্কিট হাউজ প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়।
পরে মন্ত্রী বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন।

রোববার, ১৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ আগস্ট ২০২৬
রূপালি মৎস্যে স্বনির্ভর দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে খুলনায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ এর উদ্বোধন, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (১৬ আগস্ট) সকালে খুলনা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, মাছে-ভাতে বাঙালি। প্রাকৃতিক সম্পদ ও সৌন্দর্যের দিক থেকে বাংলাদেশ পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ দেশ। পানি সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা এবং খাল-বিলের উন্নয়নের মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিতে সরকার কাজ করছে।
তিনি বলেন, খরা, বন্যা, অতিবৃষ্টি ও নানা প্রাকৃতিক প্রতিকূলতা মোকাবিলা করেও বাংলাদেশে বিপুল পরিমাণ ফল ও ফসল উৎপাদন হচ্ছে। দেশের কৃষক, কামার, কুমার, জেলে ও সাধারণ মানুষ সম্মিলিতভাবে কাজ করলে সবক্ষেত্রে স্বনির্ভরতা অর্জন সম্ভব।
মন্ত্রী আরও বলেন, বিদেশ থেকে পণ্য আমদানি কমিয়ে দেশীয় উৎপাদন বাড়াতে হবে। বিশেষ করে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি করে দেশের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বিদেশে মাছ রপ্তানি করা সম্ভব।
তিনি বলেন, স্বপ্ন, আশা ও আকাঙ্ক্ষা নিয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যেতে হবে। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।
খুলনা জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মু. বিল্লাল হোসেন খান, মৎস্য অধিদপ্তরের বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম এবং রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের পুলিশ সুপার মো. সাজ্জাদুর রহমান রাসেল।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. বদরুজ্জামান।
এ সময় সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, মৎস্যচাষি, মৎস্যজীবী, মাছ রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, মৎস্য খাদ্য উৎপাদক ও ব্যবসায়ী সমিতির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি দুইজন সফল মৎস্য চাষিকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করেন।
এর আগে জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে মন্ত্রীর নেতৃত্বে নগরীর সার্কিট হাউজ প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়।
পরে মন্ত্রী বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন।
