দেশে হামের প্রাদুর্ভাব অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৩৭৭ জন।
রোববার (৩১ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত হাম বিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, শনিবার সকাল ৮টা থেকে রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত হাম উপসর্গে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর ফলে চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৫৮৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে পরীক্ষায় হাম শনাক্ত হওয়ার পর ৯০ জন এবং উপসর্গ নিয়ে ৪৯৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ১ হাজার ৩৭৭ জনের মধ্যে ৫৩ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া ১ হাজার ৩২৪ জনের মধ্যে হামের লক্ষণ পাওয়া গেছে।
সব মিলিয়ে ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত ৭০ হাজার ৯৩৬ জন হামের উপসর্গ নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের মধ্যে পরীক্ষায় ৯ হাজার ৪৯ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে।
হামের প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার পর সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে। বিভাগটিতে হামে আক্রান্ত হয়ে ৫৪ জন এবং হামের উপসর্গ নিয়ে ২০০ জনের মৃত্যু হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায়ও সবচেয়ে বেশি রোগী ভর্তি হয়েছে ঢাকা বিভাগের হাসপাতালগুলোতে। এ সময়ে সেখানে ৪২৭ জন ভর্তি হয়েছেন। অন্যদিকে সবচেয়ে কম ২৯ জন ভর্তি হয়েছেন রংপুর বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা হামের বিস্তার রোধে শিশুদের টিকাদান নিশ্চিত করা, আক্রান্তদের দ্রুত চিকিৎসার আওতায় আনা এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

রোববার, ৩১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মে ২০২৬
দেশে হামের প্রাদুর্ভাব অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৩৭৭ জন।
রোববার (৩১ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত হাম বিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, শনিবার সকাল ৮টা থেকে রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত হাম উপসর্গে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর ফলে চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৫৮৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে পরীক্ষায় হাম শনাক্ত হওয়ার পর ৯০ জন এবং উপসর্গ নিয়ে ৪৯৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ১ হাজার ৩৭৭ জনের মধ্যে ৫৩ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া ১ হাজার ৩২৪ জনের মধ্যে হামের লক্ষণ পাওয়া গেছে।
সব মিলিয়ে ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত ৭০ হাজার ৯৩৬ জন হামের উপসর্গ নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের মধ্যে পরীক্ষায় ৯ হাজার ৪৯ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে।
হামের প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার পর সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে। বিভাগটিতে হামে আক্রান্ত হয়ে ৫৪ জন এবং হামের উপসর্গ নিয়ে ২০০ জনের মৃত্যু হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায়ও সবচেয়ে বেশি রোগী ভর্তি হয়েছে ঢাকা বিভাগের হাসপাতালগুলোতে। এ সময়ে সেখানে ৪২৭ জন ভর্তি হয়েছেন। অন্যদিকে সবচেয়ে কম ২৯ জন ভর্তি হয়েছেন রংপুর বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা হামের বিস্তার রোধে শিশুদের টিকাদান নিশ্চিত করা, আক্রান্তদের দ্রুত চিকিৎসার আওতায় আনা এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।
