সোমবার, ২৫ মে ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

স্বাস্থ্য

বিশেষজ্ঞদের সতর্কবার্তা

টিকা নেওয়ার পরও কেন বাড়ছে হাম? শিশুদের মধ্যে আতঙ্কজনক পরিস্থিতি

টিকা নেওয়ার পরও কেন বাড়ছে হাম? শিশুদের মধ্যে আতঙ্কজনক পরিস্থিতি
ছবি : সংগৃহীত

বিশেষ টিকাদান কর্মসূচির দেড় মাস পেরিয়ে গেলেও দেশে হামের সংক্রমণ উদ্বেগজনকভাবে অব্যাহত রয়েছে। এমনকি টিকা নেওয়া শিশুরাও আক্রান্ত হচ্ছে, যা জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মধ্যে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি করেছে।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে ২৩ মে পর্যন্ত দেশে হামে বা হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৭১ হাজারের বেশি শিশু এবং মারা গেছে ৫১২ জন। বর্তমানে প্রতিদিন গড়ে প্রায় দেড় হাজার রোগী হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, টিকা নেওয়ার পরও সংক্রমণ না কমার পেছনে মূলত তিনটি কারণ কাজ করছে—টিকাদানে পরিকল্পনার ঘাটতি, শিশুর বয়স অনুযায়ী টিকার কার্যকারিতার পার্থক্য এবং মায়ের পুষ্টিহীনতা ও অ্যান্টিবডির অভাব।

টিকা বিশেষজ্ঞদের মতে, বয়সভেদে টিকার কার্যকারিতা পরিবর্তিত হয়। ছয় মাস বয়সে দেওয়া টিকা তুলনামূলকভাবে কম কার্যকর হলেও ৯ থেকে ১৫ মাস বয়সে কার্যকারিতা অনেক বেশি। অনেক উন্নত দেশ এই বয়সভিত্তিক নিয়ম কঠোরভাবে অনুসরণ করে।

মাঠ পর্যায়ের তথ্য অনুযায়ী, কিছু এলাকায় টিকা সঠিকভাবে সংরক্ষণ না হওয়া বা সঠিকভাবে প্রয়োগ না হওয়ার অভিযোগও উঠেছে। ফলে টিকার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এবারের হামের প্রাদুর্ভাব আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি বিস্তৃত হয়েছে, ফলে নিয়ন্ত্রণে সময় লাগছে। একই সঙ্গে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনায় ঘাটতি থাকায় মৃত্যুঝুঁকি আরও বাড়ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কার্যকর পরিকল্পনা, শতভাগ টিকাদান নিশ্চিতকরণ এবং স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়ন ছাড়া এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা কঠিন হবে।

#শিশুস্বাস্থ্য #হামরোগ #টিকাকরণসংকট

চেকপোস্ট

সোমবার, ২৫ মে ২০২৬


টিকা নেওয়ার পরও কেন বাড়ছে হাম? শিশুদের মধ্যে আতঙ্কজনক পরিস্থিতি

প্রকাশের তারিখ : ২৫ মে ২০২৬

featured Image

বিশেষ টিকাদান কর্মসূচির দেড় মাস পেরিয়ে গেলেও দেশে হামের সংক্রমণ উদ্বেগজনকভাবে অব্যাহত রয়েছে। এমনকি টিকা নেওয়া শিশুরাও আক্রান্ত হচ্ছে, যা জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মধ্যে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি করেছে।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে ২৩ মে পর্যন্ত দেশে হামে বা হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৭১ হাজারের বেশি শিশু এবং মারা গেছে ৫১২ জন। বর্তমানে প্রতিদিন গড়ে প্রায় দেড় হাজার রোগী হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, টিকা নেওয়ার পরও সংক্রমণ না কমার পেছনে মূলত তিনটি কারণ কাজ করছে—টিকাদানে পরিকল্পনার ঘাটতি, শিশুর বয়স অনুযায়ী টিকার কার্যকারিতার পার্থক্য এবং মায়ের পুষ্টিহীনতা ও অ্যান্টিবডির অভাব।

টিকা বিশেষজ্ঞদের মতে, বয়সভেদে টিকার কার্যকারিতা পরিবর্তিত হয়। ছয় মাস বয়সে দেওয়া টিকা তুলনামূলকভাবে কম কার্যকর হলেও ৯ থেকে ১৫ মাস বয়সে কার্যকারিতা অনেক বেশি। অনেক উন্নত দেশ এই বয়সভিত্তিক নিয়ম কঠোরভাবে অনুসরণ করে।

মাঠ পর্যায়ের তথ্য অনুযায়ী, কিছু এলাকায় টিকা সঠিকভাবে সংরক্ষণ না হওয়া বা সঠিকভাবে প্রয়োগ না হওয়ার অভিযোগও উঠেছে। ফলে টিকার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এবারের হামের প্রাদুর্ভাব আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি বিস্তৃত হয়েছে, ফলে নিয়ন্ত্রণে সময় লাগছে। একই সঙ্গে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনায় ঘাটতি থাকায় মৃত্যুঝুঁকি আরও বাড়ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কার্যকর পরিকল্পনা, শতভাগ টিকাদান নিশ্চিতকরণ এবং স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়ন ছাড়া এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা কঠিন হবে।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত