ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী খান্দুরা সায়্যিদিয়া পাক পাঞ্জাতন দরবার শরীফে মরহুম সৈয়দ রফিকুল ইসলাম রফিক সাহেবের স্মরণে বিশাল তবারক ও গণভোজের আয়োজন করা হয়েছে। আয়োজকদের দাবি, এতে প্রায় ১০ হাজার মানুষের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করা হয়।
দরবার সূত্রে জানা যায়, মরহুম পীরের রুহের মাগফিরাত কামনায় ভক্তবৃন্দ, মুরিদান ও সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণে এ আয়োজন সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করা হয়।
দরবারের পীর সৈয়দ মজিবুল হুসাইন লিটন বলেন, তার মরহুম পিতার জন্য দোয়া কামনায় এ তবারক ও গণভোজের আয়োজন করা হয়েছে। তিনি সকলের কাছে দোয়া কামনা করেন, যাতে আল্লাহ মরহুমকে জান্নাতের উচ্চ মাকাম দান করেন।
মরহুমের ছোট ছেলে সৈয়দ আশরাফুল হুসাইন জনি জানান, তাদের পিতা জীবদ্দশায় যে পথ দেখিয়েছেন, সেই আদর্শ অনুসরণ করাই তাদের লক্ষ্য।
দরবারের খাদেম হাফেজ ক্বারী ফখরুল ইসলাম সূরে বেলালী বলেন, দরবারে আগত অসংখ্য দরিদ্র ও অসহায় মানুষের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে, যা একটি মানবিক উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত।
অনুষ্ঠানে পৃথক প্যান্ডেলে পুরুষ ও নারীদের জন্য খাবার পরিবেশনের ব্যবস্থা রাখা হয়, যাতে শৃঙ্খলাপূর্ণভাবে তবারক বিতরণ সম্পন্ন হয়। ভক্ত ও আশেকানরা জানান, এ ধরনের আধ্যাত্মিক পরিবেশে অংশ নিয়ে তারা মানসিক প্রশান্তি লাভ করেন।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুন ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী খান্দুরা সায়্যিদিয়া পাক পাঞ্জাতন দরবার শরীফে মরহুম সৈয়দ রফিকুল ইসলাম রফিক সাহেবের স্মরণে বিশাল তবারক ও গণভোজের আয়োজন করা হয়েছে। আয়োজকদের দাবি, এতে প্রায় ১০ হাজার মানুষের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করা হয়।
দরবার সূত্রে জানা যায়, মরহুম পীরের রুহের মাগফিরাত কামনায় ভক্তবৃন্দ, মুরিদান ও সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণে এ আয়োজন সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করা হয়।
দরবারের পীর সৈয়দ মজিবুল হুসাইন লিটন বলেন, তার মরহুম পিতার জন্য দোয়া কামনায় এ তবারক ও গণভোজের আয়োজন করা হয়েছে। তিনি সকলের কাছে দোয়া কামনা করেন, যাতে আল্লাহ মরহুমকে জান্নাতের উচ্চ মাকাম দান করেন।
মরহুমের ছোট ছেলে সৈয়দ আশরাফুল হুসাইন জনি জানান, তাদের পিতা জীবদ্দশায় যে পথ দেখিয়েছেন, সেই আদর্শ অনুসরণ করাই তাদের লক্ষ্য।
দরবারের খাদেম হাফেজ ক্বারী ফখরুল ইসলাম সূরে বেলালী বলেন, দরবারে আগত অসংখ্য দরিদ্র ও অসহায় মানুষের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে, যা একটি মানবিক উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত।
অনুষ্ঠানে পৃথক প্যান্ডেলে পুরুষ ও নারীদের জন্য খাবার পরিবেশনের ব্যবস্থা রাখা হয়, যাতে শৃঙ্খলাপূর্ণভাবে তবারক বিতরণ সম্পন্ন হয়। ভক্ত ও আশেকানরা জানান, এ ধরনের আধ্যাত্মিক পরিবেশে অংশ নিয়ে তারা মানসিক প্রশান্তি লাভ করেন।
