নীলফামারীর সৈয়দপুরে স্মৃতি আক্তার (২০) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকালে উপজেলার কাশিরাম বেলপুকুর ইউনিয়নের বটতলী বাজার ধোপাঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত স্মৃতি আক্তার ওই এলাকার মো. নইমুল হকের স্ত্রী এবং মো. মতিয়ার রহমানের মেয়ে।
স্থানীয়দের ধারণা, পারিবারিক কলহের জেরে এ ঘটনা ঘটতে পারে। তবে এটি আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনো কারণে মৃত্যু হয়েছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করছে পুলিশ।
পরিবারের দাবি, স্মৃতি আক্তার নিজ শয়নকক্ষে ঘরের বাঁশের আড়ার সঙ্গে নিজের ব্যবহৃত ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দেন। পরিবারের সদস্যদের অগোচরে রাতের কোনো একসময় এ ঘটনা ঘটে।
খবর পেয়ে সৈয়দপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম রেজা জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

শুক্রবার, ০৭ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ আগস্ট ২০২৬
নীলফামারীর সৈয়দপুরে স্মৃতি আক্তার (২০) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকালে উপজেলার কাশিরাম বেলপুকুর ইউনিয়নের বটতলী বাজার ধোপাঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত স্মৃতি আক্তার ওই এলাকার মো. নইমুল হকের স্ত্রী এবং মো. মতিয়ার রহমানের মেয়ে।
স্থানীয়দের ধারণা, পারিবারিক কলহের জেরে এ ঘটনা ঘটতে পারে। তবে এটি আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনো কারণে মৃত্যু হয়েছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করছে পুলিশ।
পরিবারের দাবি, স্মৃতি আক্তার নিজ শয়নকক্ষে ঘরের বাঁশের আড়ার সঙ্গে নিজের ব্যবহৃত ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দেন। পরিবারের সদস্যদের অগোচরে রাতের কোনো একসময় এ ঘটনা ঘটে।
খবর পেয়ে সৈয়দপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম রেজা জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
