স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিদ্ধান্ত গ্রহণে সরকারের হস্তক্ষেপের অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির দাবি, নির্বাচন পিছিয়ে দিয়ে অনির্বাচিত প্রশাসকদের মেয়াদ দীর্ঘায়িত করার চেষ্টা চলছে।
সম্প্রতি জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এসব অভিযোগ ও দাবি জানানো হয়।
এরপর স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম ওই সময়সূচি নিয়ে আপত্তি জানান। তিনি বলেন, এ বিষয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনা হয়নি। পরদিন ইসি সচিব আখতার আহমেদও প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য নিয়ে ‘নো কমেন্টস’ বলে মন্তব্য করেন এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও অংশীজনদের সঙ্গে বৈঠকের পর সময়সূচি চূড়ান্ত করার কথা জানান।
জামায়াত এই ঘটনাকে ইসির স্বাধীনতা নিয়ে উদ্বেগের কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে। তবে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে ইসি সাংবিধানিকভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত হলেও প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী বিভিন্ন প্রস্তুতি ও সমন্বয়ের জন্য সরকারের সঙ্গে আলোচনা করা হয়।
১. ইসিকে স্বাধীনভাবে নির্বাচনের সময়সূচি ও অন্যান্য সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ দিতে হবে।
২. নির্বাচন বিলম্বিত করার কোনো প্রশাসনিক বা রাজনৈতিক অজুহাত গ্রহণ না করার দাবি জানিয়েছে দলটি।
৩. দ্রুত একটি স্পষ্ট, চূড়ান্ত, সময়বদ্ধ ও বাস্তবায়নযোগ্য নির্বাচনী রোডম্যাপ প্রকাশ করতে হবে।
৪. সব প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ, নিরাপদ পরিবেশ ও কার্যকর ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নিশ্চিত করতে হবে।
৫. প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার না করে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনের নিশ্চয়তা দিতে হবে।
৬. ইসির সাংবিধানিক মর্যাদা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাধীনতা রক্ষায় সরকারের কার্যকর নিশ্চয়তা দিতে হবে।
৭. স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন স্তরে নিয়োগ পাওয়া প্রশাসকদের নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করতে হবে।
৮. এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের নির্বাচনে অযোগ্য করার সিদ্ধান্ত বাতিলসহ দলটির পূর্বে দেওয়া ৯ দফা দাবি বাস্তবায়ন করতে হবে।
এর আগে ১ সেপ্টেম্বরও স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে ইসির কাছে ৯ দফা দাবি জানিয়েছিল জামায়াত।

বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিদ্ধান্ত গ্রহণে সরকারের হস্তক্ষেপের অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির দাবি, নির্বাচন পিছিয়ে দিয়ে অনির্বাচিত প্রশাসকদের মেয়াদ দীর্ঘায়িত করার চেষ্টা চলছে।
সম্প্রতি জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এসব অভিযোগ ও দাবি জানানো হয়।
এরপর স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম ওই সময়সূচি নিয়ে আপত্তি জানান। তিনি বলেন, এ বিষয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনা হয়নি। পরদিন ইসি সচিব আখতার আহমেদও প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য নিয়ে ‘নো কমেন্টস’ বলে মন্তব্য করেন এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও অংশীজনদের সঙ্গে বৈঠকের পর সময়সূচি চূড়ান্ত করার কথা জানান।
জামায়াত এই ঘটনাকে ইসির স্বাধীনতা নিয়ে উদ্বেগের কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে। তবে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে ইসি সাংবিধানিকভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত হলেও প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী বিভিন্ন প্রস্তুতি ও সমন্বয়ের জন্য সরকারের সঙ্গে আলোচনা করা হয়।
১. ইসিকে স্বাধীনভাবে নির্বাচনের সময়সূচি ও অন্যান্য সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ দিতে হবে।
২. নির্বাচন বিলম্বিত করার কোনো প্রশাসনিক বা রাজনৈতিক অজুহাত গ্রহণ না করার দাবি জানিয়েছে দলটি।
৩. দ্রুত একটি স্পষ্ট, চূড়ান্ত, সময়বদ্ধ ও বাস্তবায়নযোগ্য নির্বাচনী রোডম্যাপ প্রকাশ করতে হবে।
৪. সব প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ, নিরাপদ পরিবেশ ও কার্যকর ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নিশ্চিত করতে হবে।
৫. প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার না করে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনের নিশ্চয়তা দিতে হবে।
৬. ইসির সাংবিধানিক মর্যাদা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাধীনতা রক্ষায় সরকারের কার্যকর নিশ্চয়তা দিতে হবে।
৭. স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন স্তরে নিয়োগ পাওয়া প্রশাসকদের নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করতে হবে।
৮. এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের নির্বাচনে অযোগ্য করার সিদ্ধান্ত বাতিলসহ দলটির পূর্বে দেওয়া ৯ দফা দাবি বাস্তবায়ন করতে হবে।
এর আগে ১ সেপ্টেম্বরও স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে ইসির কাছে ৯ দফা দাবি জানিয়েছিল জামায়াত।
