শনিবার, ০২ মে ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

দ্রুত সংস্কারের দাবি স্থানীয়দের, বড় দুর্ঘটনার শঙ্কা

নীলফামারীতে ভারী বর্ষণে প্রাথমিক বিদ্যালয় বিপর্যস্ত, আতঙ্কে শিক্ষক-শিক্ষার্থী

নীলফামারীতে ভারী বর্ষণে প্রাথমিক বিদ্যালয় বিপর্যস্ত, আতঙ্কে শিক্ষক-শিক্ষার্থী
ছবি: দুরাকুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মূল ভবনের একটি অংশ ধসে পড়ে

কিশোরগঞ্জ উপজেলা-এ টানা কয়েকদিনের ভারী বর্ষণে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবনের অংশ ধসে পড়েছে। এতে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে চরম উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

বাহাগিলী ইউনিয়ন-এর ১নং উত্তর দুরাকুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মূল ভবনের একটি অংশ ধসে পড়ে। একই সঙ্গে স্কুলের টয়লেটও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে বলে জানা গেছে।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ৩টি কক্ষে মোট ১১৬ জন শিক্ষার্থী পাঠদান করে। কিন্তু সাম্প্রতিক ভারী বর্ষণে একটি শ্রেণিকক্ষের একাংশ ধসে পড়ায় বিশেষ করে ৫ম শ্রেণির পাঠদান কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ভবনের দেয়ালে ফাটল ও ধসের কারণে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত ভবনটি সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন।

বিদ্যালয়ের জমিদাতা রেজাউল আলম স্বপন বলেন, ভবন ও টয়লেট দুটিই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে এবং যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

প্রধান শিক্ষক মেহেরুন্ননেছা খানম জানান, সকালে এসে দেখা যায় রাতের ভারী বর্ষণে ক্লাসরুমের অংশ ধসে গেছে। তাৎক্ষণিকভাবে আসবাবপত্র ও বৈদ্যুতিক সংযোগ সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে পাঠদানে বড় ধরনের সমস্যা তৈরি হয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস জানিয়েছে, বিদ্যালয়টির ভবন ইতোমধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ছিল, এখন পরিস্থিতি আরও গুরুতর হয়েছে। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত ভবনটি সংস্কার বা নতুন ভবন নির্মাণ না হলে বড় ধরনের দুর্ঘটনার ঝুঁকি রয়েছে।

#কিশোরগঞ্জ #নীলফামারী_সংবাদ #বিদ্যালয়_ঝুঁকি

চেকপোস্ট

শনিবার, ০২ মে ২০২৬


নীলফামারীতে ভারী বর্ষণে প্রাথমিক বিদ্যালয় বিপর্যস্ত, আতঙ্কে শিক্ষক-শিক্ষার্থী

প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬

featured Image

কিশোরগঞ্জ উপজেলা-এ টানা কয়েকদিনের ভারী বর্ষণে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবনের অংশ ধসে পড়েছে। এতে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে চরম উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

বাহাগিলী ইউনিয়ন-এর ১নং উত্তর দুরাকুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মূল ভবনের একটি অংশ ধসে পড়ে। একই সঙ্গে স্কুলের টয়লেটও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে বলে জানা গেছে।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ৩টি কক্ষে মোট ১১৬ জন শিক্ষার্থী পাঠদান করে। কিন্তু সাম্প্রতিক ভারী বর্ষণে একটি শ্রেণিকক্ষের একাংশ ধসে পড়ায় বিশেষ করে ৫ম শ্রেণির পাঠদান কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ভবনের দেয়ালে ফাটল ও ধসের কারণে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত ভবনটি সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন।

বিদ্যালয়ের জমিদাতা রেজাউল আলম স্বপন বলেন, ভবন ও টয়লেট দুটিই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে এবং যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

প্রধান শিক্ষক মেহেরুন্ননেছা খানম জানান, সকালে এসে দেখা যায় রাতের ভারী বর্ষণে ক্লাসরুমের অংশ ধসে গেছে। তাৎক্ষণিকভাবে আসবাবপত্র ও বৈদ্যুতিক সংযোগ সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে পাঠদানে বড় ধরনের সমস্যা তৈরি হয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস জানিয়েছে, বিদ্যালয়টির ভবন ইতোমধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ছিল, এখন পরিস্থিতি আরও গুরুতর হয়েছে। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত ভবনটি সংস্কার বা নতুন ভবন নির্মাণ না হলে বড় ধরনের দুর্ঘটনার ঝুঁকি রয়েছে।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত