নরসিংদী শহর এ ছোট ভাইয়ের হাতে বড় ভাই খুন হওয়ার চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। নিহত আল আমিন (৩০) পেশায় মিশুকচালক ছিলেন। অভিযুক্ত তারই ছোট ভাই হাসান (২৬)।
শনিবার (২ মে ২০২৬) সকালে শহরের সাটিরপাড়া এলাকায় একটি ফিলিং স্টেশনের সামনে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পরপরই ঘাতক হাসানসহ আরও একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
নিহত ও অভিযুক্ত দুজনই রায়পুরা উপজেলা এর নিলক্ষা ইউনিয়নের আতশ আলি বাজার এলাকার বাসিন্দা। তারা শহরের চৌয়ালা এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন এবং মিশুক চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, তাদের বোন তাসলিমা বেগমকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে একটি বিরোধ চলছিল। ওই ঘটনায় স্থানীয় এক যুবকের সঙ্গে প্রেমঘটিত জটিলতা তৈরি হয়, যা পরে দুই পরিবারের মধ্যে উত্তেজনার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
স্বজনদের দাবি, এই বিরোধের জেরে ছোট ভাই হাসান দীর্ঘদিন ধরে ক্ষুব্ধ ছিলেন। ঘটনার আগের রাতে তিনি আল আমিনকে হুমকি দেন।
পরদিন সকালে বাজারে যাওয়ার সময় সাটিরপাড়া এলাকায় হাসান ধারালো কাঁচি দিয়ে আল আমিনের পেটে আঘাত করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের স্ত্রী শিল্পী বেগম বলেন, পারিবারিক বিরোধ ও বাইরের চাপ দুই কারণেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। তিনি স্বামীর হত্যার বিচার দাবি করেন।
এদিকে নিহতের বোন তাসলিমা বেগম অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে এক যুবক তাকে ফোনে বিরক্ত করতেন এবং সম্পর্ক না রাখলে পরিবারের সদস্যদের হত্যার হুমকি দিতেন।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত চলছে এবং আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

শনিবার, ০২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬
নরসিংদী শহর এ ছোট ভাইয়ের হাতে বড় ভাই খুন হওয়ার চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। নিহত আল আমিন (৩০) পেশায় মিশুকচালক ছিলেন। অভিযুক্ত তারই ছোট ভাই হাসান (২৬)।
শনিবার (২ মে ২০২৬) সকালে শহরের সাটিরপাড়া এলাকায় একটি ফিলিং স্টেশনের সামনে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পরপরই ঘাতক হাসানসহ আরও একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
নিহত ও অভিযুক্ত দুজনই রায়পুরা উপজেলা এর নিলক্ষা ইউনিয়নের আতশ আলি বাজার এলাকার বাসিন্দা। তারা শহরের চৌয়ালা এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন এবং মিশুক চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, তাদের বোন তাসলিমা বেগমকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে একটি বিরোধ চলছিল। ওই ঘটনায় স্থানীয় এক যুবকের সঙ্গে প্রেমঘটিত জটিলতা তৈরি হয়, যা পরে দুই পরিবারের মধ্যে উত্তেজনার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
স্বজনদের দাবি, এই বিরোধের জেরে ছোট ভাই হাসান দীর্ঘদিন ধরে ক্ষুব্ধ ছিলেন। ঘটনার আগের রাতে তিনি আল আমিনকে হুমকি দেন।
পরদিন সকালে বাজারে যাওয়ার সময় সাটিরপাড়া এলাকায় হাসান ধারালো কাঁচি দিয়ে আল আমিনের পেটে আঘাত করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের স্ত্রী শিল্পী বেগম বলেন, পারিবারিক বিরোধ ও বাইরের চাপ দুই কারণেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। তিনি স্বামীর হত্যার বিচার দাবি করেন।
এদিকে নিহতের বোন তাসলিমা বেগম অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে এক যুবক তাকে ফোনে বিরক্ত করতেন এবং সম্পর্ক না রাখলে পরিবারের সদস্যদের হত্যার হুমকি দিতেন।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত চলছে এবং আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
