ট্রেন যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়নে ঢাকা-সিলেট রেলপথে ডাবল লাইন চালু করার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
শনিবার (২ মে) দুপুরে সিলেট সিটি করপোরেশনের নগর ভবন প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক সুধী সমাবেশে তিনি এ ঘোষণা দেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সিলেটের অবকাঠামোগত উন্নয়নে সরকার ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এর অংশ হিসেবে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক উন্নয়ন, রেল যোগাযোগ আধুনিকায়ন এবং নগর ব্যবস্থাপনায় নতুন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে।
তিনি জানান, ট্রেন যোগাযোগ সহজ ও দ্রুত করতে ঢাকা-সিলেট রেলপথে ডাবল লাইন স্থাপন করা হবে, যা যাত্রী ও পণ্য পরিবহনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সিলেট নগরীর জলাবদ্ধতা সমস্যা সমাধানে সুরমা নদী তীরবর্তী এলাকায় একটি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে নগরবাসী বন্যা ও জলজট থেকে অনেকটাই মুক্তি পাবে।
এছাড়া তিনি বলেন, সিলেট অঞ্চলের কৃষি উন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণে খাল খনন কর্মসূচি এবং চিকিৎসা ব্যবস্থার মানোন্নয়নে সরকার কাজ করছে।
এর আগে সকালে প্রধানমন্ত্রী হযরত শাহজালাল (রহ.) এর মাজার জিয়ারত করেন এবং সুরমা নদীর তীরে বন্যা প্রতিরোধ ও সৌন্দর্যবর্ধন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

শনিবার, ০২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬
ট্রেন যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়নে ঢাকা-সিলেট রেলপথে ডাবল লাইন চালু করার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
শনিবার (২ মে) দুপুরে সিলেট সিটি করপোরেশনের নগর ভবন প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক সুধী সমাবেশে তিনি এ ঘোষণা দেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সিলেটের অবকাঠামোগত উন্নয়নে সরকার ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এর অংশ হিসেবে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক উন্নয়ন, রেল যোগাযোগ আধুনিকায়ন এবং নগর ব্যবস্থাপনায় নতুন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে।
তিনি জানান, ট্রেন যোগাযোগ সহজ ও দ্রুত করতে ঢাকা-সিলেট রেলপথে ডাবল লাইন স্থাপন করা হবে, যা যাত্রী ও পণ্য পরিবহনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সিলেট নগরীর জলাবদ্ধতা সমস্যা সমাধানে সুরমা নদী তীরবর্তী এলাকায় একটি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে নগরবাসী বন্যা ও জলজট থেকে অনেকটাই মুক্তি পাবে।
এছাড়া তিনি বলেন, সিলেট অঞ্চলের কৃষি উন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণে খাল খনন কর্মসূচি এবং চিকিৎসা ব্যবস্থার মানোন্নয়নে সরকার কাজ করছে।
এর আগে সকালে প্রধানমন্ত্রী হযরত শাহজালাল (রহ.) এর মাজার জিয়ারত করেন এবং সুরমা নদীর তীরে বন্যা প্রতিরোধ ও সৌন্দর্যবর্ধন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
