২০২২ সালের ভয়াবহ বন্যার পর সিলেট নগরীতে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনায় থাকা বন্যা ও জলাবদ্ধতা নিয়ন্ত্রণে বড় ধরনের একটি মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সিলেট সিটি করপোরেশন এলাকার জন্য এই প্রকল্পে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৪,৬৩৫ কোটি টাকা, যেখানে প্রাথমিকভাবে সরকার বরাদ্দের পরিকল্পনা করছে। যদিও প্রকল্পটি এখনও একনেকে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।
প্রকল্পটির আওতায় সুরমা নদীর তীর রক্ষা, স্লুইস গেট নির্মাণ, পাম্প স্থাপন এবং নদীর দুই পাড় উঁচু করার পরিকল্পনা রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব উদ্যোগ নগরীর দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যা সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সুরমা নদীকে কেন্দ্র করে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্লুইস গেট নির্মাণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। কাজীরবাজার, গোয়ালীছড়া ও হলদিছড়া এলাকায় এসব গেটের পাশাপাশি পানি নিষ্কাশনের জন্য পাম্প স্টেশন স্থাপন করা হবে।
প্রকল্প অনুযায়ী, বর্ষাকালে নদীর পানি উপচে শহরের ১৮টি খাল ছড়া দিয়ে প্রবেশ করে যে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়, তা নিয়ন্ত্রণ করাই মূল লক্ষ্য।
সিটি করপোরেশন জানিয়েছে, পানি বিশেষজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতে এই মেগা পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে বিএনপি নেতা তারেক রহমান ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করেন।
নগরবাসী মনে করছেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে সিলেট দীর্ঘদিনের বন্যা ও জলাবদ্ধতা সমস্যা থেকে বড় ধরনের স্বস্তি পাবে।

শনিবার, ০২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬
২০২২ সালের ভয়াবহ বন্যার পর সিলেট নগরীতে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনায় থাকা বন্যা ও জলাবদ্ধতা নিয়ন্ত্রণে বড় ধরনের একটি মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সিলেট সিটি করপোরেশন এলাকার জন্য এই প্রকল্পে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৪,৬৩৫ কোটি টাকা, যেখানে প্রাথমিকভাবে সরকার বরাদ্দের পরিকল্পনা করছে। যদিও প্রকল্পটি এখনও একনেকে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।
প্রকল্পটির আওতায় সুরমা নদীর তীর রক্ষা, স্লুইস গেট নির্মাণ, পাম্প স্থাপন এবং নদীর দুই পাড় উঁচু করার পরিকল্পনা রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব উদ্যোগ নগরীর দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যা সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সুরমা নদীকে কেন্দ্র করে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্লুইস গেট নির্মাণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। কাজীরবাজার, গোয়ালীছড়া ও হলদিছড়া এলাকায় এসব গেটের পাশাপাশি পানি নিষ্কাশনের জন্য পাম্প স্টেশন স্থাপন করা হবে।
প্রকল্প অনুযায়ী, বর্ষাকালে নদীর পানি উপচে শহরের ১৮টি খাল ছড়া দিয়ে প্রবেশ করে যে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়, তা নিয়ন্ত্রণ করাই মূল লক্ষ্য।
সিটি করপোরেশন জানিয়েছে, পানি বিশেষজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতে এই মেগা পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে বিএনপি নেতা তারেক রহমান ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করেন।
নগরবাসী মনে করছেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে সিলেট দীর্ঘদিনের বন্যা ও জলাবদ্ধতা সমস্যা থেকে বড় ধরনের স্বস্তি পাবে।
