নিরাপত্তার নিশ্চয়তা পেলেই আগামী দুই দিনের মধ্যে দেশে ফিরতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান।
সম্প্রতি ভারতের মুম্বাই থেকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, তার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলো আইনিভাবে মোকাবিলা করতে তিনি প্রস্তুত। তবে এজন্য প্রয়োজন স্বাভাবিক নিরাপত্তা এবং হয়রানি না করার নিশ্চয়তা।
‘ইইউ টি-টোয়েন্টি বেলজিয়াম’ লিগের লঞ্চিং ইভেন্টে অংশ নিতে গিয়ে তিনি দেশের বর্তমান পরিস্থিতি, নিজের অবস্থান এবং ক্রিকেট ক্যারিয়ার নিয়ে কথা বলেন।
দেশে ফেরা প্রসঙ্গে সাকিব বলেন, তিনি আদালতে হাজির হয়ে মামলা লড়তে চান। তবে আইনি প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত যেন অযথা হয়রানি না করা হয়—এই নিশ্চয়তাই তার প্রধান শর্ত।
তিনি আরও জানান, তার ব্যাংক হিসাব জটিলতার কারণে চেক বাউন্সের মতো মামলাগুলোও নিষ্পত্তি করতে পারছেন না। দীর্ঘদিন তদন্ত চললেও তার বিরুদ্ধে কোনো অনিয়ম প্রমাণিত হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।
২০২৪ সালের অক্টোবরেও দেশে ফেরার পরিকল্পনা করেছিলেন বলে জানান সাকিব। সে সময় দুবাই পর্যন্ত যাওয়ার পর পরিস্থিতির কারণে তাকে ফিরে আসতে হয়।
সব মিলিয়ে, নিরাপত্তা ও আইনি নিশ্চয়তা মিললে খুব শিগগিরই দেশে ফিরতে পারেন সাকিব আল হাসান—এমনটাই ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬
নিরাপত্তার নিশ্চয়তা পেলেই আগামী দুই দিনের মধ্যে দেশে ফিরতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান।
সম্প্রতি ভারতের মুম্বাই থেকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, তার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলো আইনিভাবে মোকাবিলা করতে তিনি প্রস্তুত। তবে এজন্য প্রয়োজন স্বাভাবিক নিরাপত্তা এবং হয়রানি না করার নিশ্চয়তা।
‘ইইউ টি-টোয়েন্টি বেলজিয়াম’ লিগের লঞ্চিং ইভেন্টে অংশ নিতে গিয়ে তিনি দেশের বর্তমান পরিস্থিতি, নিজের অবস্থান এবং ক্রিকেট ক্যারিয়ার নিয়ে কথা বলেন।
দেশে ফেরা প্রসঙ্গে সাকিব বলেন, তিনি আদালতে হাজির হয়ে মামলা লড়তে চান। তবে আইনি প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত যেন অযথা হয়রানি না করা হয়—এই নিশ্চয়তাই তার প্রধান শর্ত।
তিনি আরও জানান, তার ব্যাংক হিসাব জটিলতার কারণে চেক বাউন্সের মতো মামলাগুলোও নিষ্পত্তি করতে পারছেন না। দীর্ঘদিন তদন্ত চললেও তার বিরুদ্ধে কোনো অনিয়ম প্রমাণিত হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।
২০২৪ সালের অক্টোবরেও দেশে ফেরার পরিকল্পনা করেছিলেন বলে জানান সাকিব। সে সময় দুবাই পর্যন্ত যাওয়ার পর পরিস্থিতির কারণে তাকে ফিরে আসতে হয়।
সব মিলিয়ে, নিরাপত্তা ও আইনি নিশ্চয়তা মিললে খুব শিগগিরই দেশে ফিরতে পারেন সাকিব আল হাসান—এমনটাই ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।
