দেশের অধস্তন আদালতগুলোর কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের জন্য মনিটরিং কমিটি পুনর্গঠন করেছেন বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি। এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন।
নতুন গঠিত কমিটির অধীনে দেশের আটটি বিভাগের জন্য পৃথকভাবে ১৩টি “মনিটরিং কমিটি ফর সাবর্ডিনেট কোর্টস” গঠন করা হয়েছে। এতে বাংলাদেশ হাইকোর্ট বিভাগ-এর ১৩ জন বিচারপতিকে নির্দিষ্ট জেলাগুলোর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে এসব কমিটিকে সহায়তার জন্য ১৩ জন বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাকেও মনোনীত করা হয়েছে।
এই মনিটরিং কমিটিগুলোর প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে অধস্তন আদালতের বিচারিক কার্যক্রমে গতি আনা, জট কমানো এবং সেবার মান উন্নত করা।
উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ২৭ জানুয়ারি প্রথমবার আট বিভাগের জন্য আটজন বিচারপতিকে নিয়ে এ ধরনের মনিটরিং কমিটি গঠন করা হয়। পরে কাজের পরিধি বাড়ায় ২০২৩ সালের অক্টোবরে সদস্য সংখ্যা ১৩ জনে উন্নীত করা হয়। সর্বশেষ গত বছরের এপ্রিলেও এই কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছিল।

শনিবার, ০২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬
দেশের অধস্তন আদালতগুলোর কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের জন্য মনিটরিং কমিটি পুনর্গঠন করেছেন বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি। এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন।
নতুন গঠিত কমিটির অধীনে দেশের আটটি বিভাগের জন্য পৃথকভাবে ১৩টি “মনিটরিং কমিটি ফর সাবর্ডিনেট কোর্টস” গঠন করা হয়েছে। এতে বাংলাদেশ হাইকোর্ট বিভাগ-এর ১৩ জন বিচারপতিকে নির্দিষ্ট জেলাগুলোর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে এসব কমিটিকে সহায়তার জন্য ১৩ জন বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাকেও মনোনীত করা হয়েছে।
এই মনিটরিং কমিটিগুলোর প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে অধস্তন আদালতের বিচারিক কার্যক্রমে গতি আনা, জট কমানো এবং সেবার মান উন্নত করা।
উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ২৭ জানুয়ারি প্রথমবার আট বিভাগের জন্য আটজন বিচারপতিকে নিয়ে এ ধরনের মনিটরিং কমিটি গঠন করা হয়। পরে কাজের পরিধি বাড়ায় ২০২৩ সালের অক্টোবরে সদস্য সংখ্যা ১৩ জনে উন্নীত করা হয়। সর্বশেষ গত বছরের এপ্রিলেও এই কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছিল।
