বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

ব্যবসা-বাণিজ্য

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় তামাক নিয়ন্ত্রণ

বাজেটে বাড়ছে সিগারেটের দাম বড় ধাক্কা ধূমপায়ীদের

বাজেটে বাড়ছে সিগারেটের দাম বড় ধাক্কা ধূমপায়ীদের
ছবি : সংগৃহীত

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষাকে অগ্রাধিকার দিয়ে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে তামাকজাত পণ্যে ‘সিন ট্যাক্স’ বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এর অংশ হিসেবে চার স্তরের সিগারেটের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত কাঠামো অনুযায়ী, প্রতি ১০ শলাকার এক প্যাকেট সিগারেটের দাম সর্বনিম্ন ২ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ২৫ টাকা পর্যন্ত বাড়তে পারে।

সবচেয়ে বেশি দাম বাড়বে প্রিমিয়াম বা অতি-উচ্চ স্তরের সিগারেটে। এ স্তরের ১০ শলাকার এক প্যাকেটের দাম ১৮৫ টাকা থেকে ২১০ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব রয়েছে।

উচ্চ স্তরের সিগারেটের দাম ১৪০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৬০ টাকা এবং মধ্যম স্তরের সিগারেটের দাম ৮০ টাকা থেকে ৯০ টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে নিম্ন স্তরের সিগারেটের দাম তুলনামূলকভাবে কম বাড়িয়ে ৬০ টাকা থেকে ৬২ টাকা নির্ধারণের পরিকল্পনা রয়েছে।

এছাড়া সিগারেটের ওপর সর্বোচ্চ ৬৭ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক নির্ধারণের প্রস্তাব থাকতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। নিকোটিন পাউচ আমদানির ক্ষেত্রে ৪০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপের বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।

নতুন তামাকজাত পণ্য হিসেবে নিকোটিন পাউচের জন্য প্রথমবারের মতো মূল্য নির্ধারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, ১০ গ্রাম নিকোটিন পাউচের খুচরা মূল্য ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হতে পারে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তামাক ও নিকোটিনজাত পণ্যের ব্যবহার নিরুৎসাহিত করা এবং জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি কমানোর লক্ষ্যেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। চূড়ান্ত অনুমোদনের পর এসব প্রস্তাব আগামী বাজেটে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

#বাজেট২০২৬ #সিগারেটেরদাম #তামাককর

চেকপোস্ট

বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬


বাজেটে বাড়ছে সিগারেটের দাম বড় ধাক্কা ধূমপায়ীদের

প্রকাশের তারিখ : ১১ জুন ২০২৬

featured Image

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষাকে অগ্রাধিকার দিয়ে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে তামাকজাত পণ্যে ‘সিন ট্যাক্স’ বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এর অংশ হিসেবে চার স্তরের সিগারেটের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত কাঠামো অনুযায়ী, প্রতি ১০ শলাকার এক প্যাকেট সিগারেটের দাম সর্বনিম্ন ২ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ২৫ টাকা পর্যন্ত বাড়তে পারে।

সবচেয়ে বেশি দাম বাড়বে প্রিমিয়াম বা অতি-উচ্চ স্তরের সিগারেটে। এ স্তরের ১০ শলাকার এক প্যাকেটের দাম ১৮৫ টাকা থেকে ২১০ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব রয়েছে।

উচ্চ স্তরের সিগারেটের দাম ১৪০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৬০ টাকা এবং মধ্যম স্তরের সিগারেটের দাম ৮০ টাকা থেকে ৯০ টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে নিম্ন স্তরের সিগারেটের দাম তুলনামূলকভাবে কম বাড়িয়ে ৬০ টাকা থেকে ৬২ টাকা নির্ধারণের পরিকল্পনা রয়েছে।

এছাড়া সিগারেটের ওপর সর্বোচ্চ ৬৭ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক নির্ধারণের প্রস্তাব থাকতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। নিকোটিন পাউচ আমদানির ক্ষেত্রে ৪০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপের বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।

নতুন তামাকজাত পণ্য হিসেবে নিকোটিন পাউচের জন্য প্রথমবারের মতো মূল্য নির্ধারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, ১০ গ্রাম নিকোটিন পাউচের খুচরা মূল্য ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হতে পারে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তামাক ও নিকোটিনজাত পণ্যের ব্যবহার নিরুৎসাহিত করা এবং জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি কমানোর লক্ষ্যেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। চূড়ান্ত অনুমোদনের পর এসব প্রস্তাব আগামী বাজেটে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত