বাংলাদেশ পুলিশের মূলমন্ত্র ‘সেবার ব্রতে চাকরি’কে সামনে রেখে গোপালগঞ্জে ক্যাডেট এএসআই (নিরস্ত্র) পদে নিয়োগ-২০২৬ এর প্রথম দিনের কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার (২৪ জুন) গোপালগঞ্জ জেলা পুলিশ লাইন্স মাঠে এ নিয়োগ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।প্রথম দিনে প্রাথমিক বাছাইয়ে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের শারীরিক মাপ গ্রহণ এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করা হয়। পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের নির্দেশনা অনুযায়ী পুরো কার্যক্রম স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালিত হয়েছে।নিয়োগ বোর্ডের সভাপতি ও গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহর সার্বিক তত্ত্বাবধানে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা পরীক্ষার কার্যক্রম পরিচালনা করেন।নিয়োগ কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (ইন্টেলিজেন্স অ্যানালাইসিস ডিভিশন) মো. শাহজাহান হোসেন, পিপিএম এবং পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (আইসিটি) শেখ মাহমুদুল ইসলাম।শারীরিক মাপ ও কাগজপত্র যাচাই শেষে প্রাথমিকভাবে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহ বলেন, প্রার্থীদের মেধা, যোগ্যতা ও শারীরিক সক্ষমতার ভিত্তিতেই পরবর্তী ধাপে নির্বাচন করা হবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও দুর্নীতিমুক্ত।এ সময় তিনি চাকরিপ্রার্থীদের কোনো দালাল বা প্রতারক চক্রের প্রলোভনে বিভ্রান্ত না হয়ে নিজেদের যোগ্যতা ও প্রস্তুতির ওপর আস্থা রাখার আহ্বান জানান।নিয়োগ বোর্ডের সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) মো. সোহেল রানা এবং মাদারীপুর ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাঈদ নাসিরুল্লাহ, পিপিএম। এছাড়াও গোপালগঞ্জ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।প্রথম দিনের কার্যক্রম শেষে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের আগামী ২৫ জুন সকাল ৮টায় অনুষ্ঠিতব্য মাঠ পরীক্ষায় নির্ধারিত সময়ের আগেই উপস্থিত থাকার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।