বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

ব্যবসা-বাণিজ্য

শিশু পণ্য সস্তা করতে আমদানি

শিশুখাদ্যের কাঁচামালে শুল্ক কমানোর প্রস্তাব বাজেটে

শিশুখাদ্যের কাঁচামালে শুল্ক কমানোর প্রস্তাব বাজেটে
ছবি : সংগৃহীত

দেশে শিশুখাদ্য আরও সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য করতে শিশুখাদ্য তৈরির কাঁচামাল আমদানিতে শুল্ক কমানোর প্রস্তাব করেছে সরকার। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে এ উদ্যোগের কথা জানানো হয়েছে।

প্রস্তাব অনুযায়ী, শিশুখাদ্য প্রস্তুতিমূলক সামগ্রীর শিশু বা ছোট বাচ্চাদের জন্য প্রস্তুতি ক্ষেত্রে শিল্পের কাঁচামাল আমদানির ওপর বিদ্যমান ১৫ শতাংশ আমদানি শুল্ক কমিয়ে ১০ শতাংশ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, শুল্ক কমানোর ফলে উৎপাদন ব্যয় হ্রাস পাবে, যার ইতিবাচক প্রভাব বাজারে শিশুখাদ্যের দামে পড়তে পারে। এতে পণ্যটি সাধারণ ভোক্তাদের জন্য আরও সুলভ ও সহজলভ্য হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব করা হয়েছে। এর বিপরীতে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। ফলে ঘাটতি দাঁড়াচ্ছে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা, যা অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক উৎস থেকে পূরণের পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রস্তাবিত বাজেটে জনকল্যাণমুখী খাতে ব্যয় বৃদ্ধির পাশাপাশি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের শুল্ক-কর কাঠামো পুনর্বিন্যাসের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিশুখাদ্যের কাঁচামাল আমদানিতে শুল্ক কমানোর প্রস্তাবও সেই নীতির অংশ।

#বাজেট২০২৬ #শিশুখাদ্য #আমদানি_শুল্ক

চেকপোস্ট

বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬


শিশুখাদ্যের কাঁচামালে শুল্ক কমানোর প্রস্তাব বাজেটে

প্রকাশের তারিখ : ১১ জুন ২০২৬

featured Image

দেশে শিশুখাদ্য আরও সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য করতে শিশুখাদ্য তৈরির কাঁচামাল আমদানিতে শুল্ক কমানোর প্রস্তাব করেছে সরকার। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে এ উদ্যোগের কথা জানানো হয়েছে।

প্রস্তাব অনুযায়ী, শিশুখাদ্য প্রস্তুতিমূলক সামগ্রীর শিশু বা ছোট বাচ্চাদের জন্য প্রস্তুতি ক্ষেত্রে শিল্পের কাঁচামাল আমদানির ওপর বিদ্যমান ১৫ শতাংশ আমদানি শুল্ক কমিয়ে ১০ শতাংশ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, শুল্ক কমানোর ফলে উৎপাদন ব্যয় হ্রাস পাবে, যার ইতিবাচক প্রভাব বাজারে শিশুখাদ্যের দামে পড়তে পারে। এতে পণ্যটি সাধারণ ভোক্তাদের জন্য আরও সুলভ ও সহজলভ্য হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব করা হয়েছে। এর বিপরীতে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। ফলে ঘাটতি দাঁড়াচ্ছে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা, যা অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক উৎস থেকে পূরণের পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রস্তাবিত বাজেটে জনকল্যাণমুখী খাতে ব্যয় বৃদ্ধির পাশাপাশি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের শুল্ক-কর কাঠামো পুনর্বিন্যাসের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিশুখাদ্যের কাঁচামাল আমদানিতে শুল্ক কমানোর প্রস্তাবও সেই নীতির অংশ।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত