ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে সরকারি খাস জমি দখল করে নির্মিত ১৮টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে উপজেলা প্রশাসন। আদালতের রায়ের আলোকে পরিচালিত এ অভিযানে সরকারি রাস্তা ও খাল শ্রেণির জমি দখলমুক্ত করা হয়েছে।
বুধবার (২৪ জুন) দুপুরে উপজেলার গোকর্ণ ইউনিয়নের নূরপুর এলাকায় এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন নাসিরনগর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাহেল আহমেদ।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, নূরপুর মৌজার ১ নম্বর খাস খতিয়ানভুক্ত ১৬৭ শতক সরকারি জমি, যা রাস্তা ও খাল শ্রেণিভুক্ত, সেখানে অবৈধভাবে বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছিল। মামলা নং-১২/২০২৫ এর রায়ের ভিত্তিতে এসব স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।
অভিযানে দোকানঘর, বসতঘরসহ মোট ১৮টি পাকা, সেমিপাকা ও টিনশেড অবকাঠামো অপসারণ করা হয়। উচ্ছেদ কার্যক্রম চলাকালে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করেন।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাহেল আহমেদ বলেন, “সরকারি খাস জমি, বিশেষ করে খাল ও রাস্তা শ্রেণির জায়গা দখলমুক্ত রাখতে উপজেলা প্রশাসন বদ্ধপরিকর। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী সরকারি জমির ওপর গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনাগুলো উচ্ছেদ করা হয়েছে।”
তিনি আরও জানান, সরকারি সম্পত্তি দখলমুক্ত রাখতে এবং জনস্বার্থ রক্ষায় ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুন ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে সরকারি খাস জমি দখল করে নির্মিত ১৮টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে উপজেলা প্রশাসন। আদালতের রায়ের আলোকে পরিচালিত এ অভিযানে সরকারি রাস্তা ও খাল শ্রেণির জমি দখলমুক্ত করা হয়েছে।
বুধবার (২৪ জুন) দুপুরে উপজেলার গোকর্ণ ইউনিয়নের নূরপুর এলাকায় এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন নাসিরনগর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাহেল আহমেদ।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, নূরপুর মৌজার ১ নম্বর খাস খতিয়ানভুক্ত ১৬৭ শতক সরকারি জমি, যা রাস্তা ও খাল শ্রেণিভুক্ত, সেখানে অবৈধভাবে বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছিল। মামলা নং-১২/২০২৫ এর রায়ের ভিত্তিতে এসব স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।
অভিযানে দোকানঘর, বসতঘরসহ মোট ১৮টি পাকা, সেমিপাকা ও টিনশেড অবকাঠামো অপসারণ করা হয়। উচ্ছেদ কার্যক্রম চলাকালে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করেন।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাহেল আহমেদ বলেন, “সরকারি খাস জমি, বিশেষ করে খাল ও রাস্তা শ্রেণির জায়গা দখলমুক্ত রাখতে উপজেলা প্রশাসন বদ্ধপরিকর। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী সরকারি জমির ওপর গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনাগুলো উচ্ছেদ করা হয়েছে।”
তিনি আরও জানান, সরকারি সম্পত্তি দখলমুক্ত রাখতে এবং জনস্বার্থ রক্ষায় ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
