যশোরের শিল্প ও বাণিজ্যিক নগরী নওয়াপাড়ায় একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলার ঘটনায় পৌর যুবদলের আহ্বায়ক আতাউর রহমান আতা এবং উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম ছুরিকাহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার পর পাল্টা ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটেছে।
শনিবার দুপুরে নওয়াপাড়া স্টেশন বাজার এলাকায় আতাউর রহমান আতার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, একদল ব্যক্তি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে প্রবেশ করে আতাউর রহমান আতার ওপর হামলা চালায় এবং তাকে ছুরিকাঘাত করে। এ সময় তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলামের ওপরও হামলা করা হয়। হামলায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুরেরও অভিযোগ রয়েছে।
হামলার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এদিকে হামলার ঘটনার পর আহতদের সমর্থকরা পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বিএনপি নেতা রুহুল আমিনের কার্যালয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তাদের দাবি, রুহুল আমিন ও তার সহযোগীরাই ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলার সঙ্গে জড়িত।
তবে রুহুল আমিন বা তার পক্ষের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়দের মতে, হামলা ও পাল্টা হামলার ঘটনায় এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
উল্লেখ্য, হামলার ঘটনায় উভয় পক্ষের অভিযোগ পাওয়া গেলেও সংশ্লিষ্ট অভিযোগগুলোর সত্যতা এখনো স্বাধীনভাবে যাচাই বা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হয়নি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তের পর প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।

রোববার, ১৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুলাই ২০২৬
যশোরের শিল্প ও বাণিজ্যিক নগরী নওয়াপাড়ায় একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলার ঘটনায় পৌর যুবদলের আহ্বায়ক আতাউর রহমান আতা এবং উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম ছুরিকাহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার পর পাল্টা ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটেছে।
শনিবার দুপুরে নওয়াপাড়া স্টেশন বাজার এলাকায় আতাউর রহমান আতার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, একদল ব্যক্তি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে প্রবেশ করে আতাউর রহমান আতার ওপর হামলা চালায় এবং তাকে ছুরিকাঘাত করে। এ সময় তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলামের ওপরও হামলা করা হয়। হামলায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুরেরও অভিযোগ রয়েছে।
হামলার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এদিকে হামলার ঘটনার পর আহতদের সমর্থকরা পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বিএনপি নেতা রুহুল আমিনের কার্যালয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তাদের দাবি, রুহুল আমিন ও তার সহযোগীরাই ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলার সঙ্গে জড়িত।
তবে রুহুল আমিন বা তার পক্ষের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়দের মতে, হামলা ও পাল্টা হামলার ঘটনায় এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
উল্লেখ্য, হামলার ঘটনায় উভয় পক্ষের অভিযোগ পাওয়া গেলেও সংশ্লিষ্ট অভিযোগগুলোর সত্যতা এখনো স্বাধীনভাবে যাচাই বা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হয়নি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তের পর প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।
