গত ৫ আগস্ট রাজধানীর
ঐতিহাসিক ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত বাসভবনে ভাঙচুর চালিয়ে আলোচনায় আসা ‘ভাইরাল সিদ্দিক’ এবার নিজের অবস্থান থেকে সরে এসে দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হাতুড়ি হাতে তার ভাঙচুরের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। তবে সম্প্রতি প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় তাকে অনুতপ্ত দেখা গেছে।
ভিডিওতে সিদ্দিক বলেন, “আমি আবেগের বশে ভুল করেছি। দেশবাসীর কাছে হাতজোড় করে ক্ষমা চাইছি।”
ভাইরাল ভাঙচুর থেকে অনুশোচনা
৫ আগস্টের উত্তপ্ত
রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে যারা ভাঙচুরে অংশ নিয়েছিলেন, তাদের মধ্যে সিদ্দিক ছিলেন অন্যতম আলোচিত মুখ। হাতে হাতুড়ি নিয়ে ভবনের বিভিন্ন অংশে আঘাত করার দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ভাইরাল হয়। সেই ঘটনার পর থেকেই নেটিজেনদের তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি।
তবে সাম্প্রতিক ভিডিও বার্তায় তার কণ্ঠে ছিল অনুশোচনার সুর। তিনি দাবি করেন, পরিস্থিতির আবেগ ও উত্তেজনার কারণে
তিনি এমন কাজ করেছেন, যা এখন তিনি ভুল হিসেবে দেখছেন।
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ওপর দায় চাপানোর চেষ্টা
ঘটনার নতুন মোড় আসে যখন সিদ্দিক পুরো ঘটনার দায় বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড.মুহাম্মদ ই্উনুস-এর বক্তব্য ও প্রভাবের ওপর
চাপানোর চেষ্টা করেন।
তার দাবি, বিভিন্ন বক্তব্য ও রাজনৈতিক পরিবেশের
কারণে সাধারণ মানুষ এমন কর্মকাণ্ডে উদ্বুদ্ধ হয়েছিল। সিদ্দিকের ভাষ্য অনুযায়ী, “এই দায় শুধু সাধারণ মানুষের নয়, যারা এমন পরিস্থিতি তৈরি করেছেন দায় তাদেরও।”
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
সিদ্দিকের এই আকস্মিক অবস্থান পরিবর্তন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা। অনেকের মতে, রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তন এবং সম্ভাব্য আইনি ঝুঁকির আশঙ্কায় তিনি এখন দায় এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। আবার কেউ কেউ বিষয়টিকে নতুন রাজনৈতিক কৌশল হিসেবেও দেখছেন।
ধানমন্ডি ৩২-এর ভাঙচুরের ভিডিও এখনো মানুষের স্মৃতিতে স্পষ্টভাবে রয়ে গেছে। ফলে সিদ্দিকের ক্ষমা প্রার্থনা এবং অন্যের ওপর দায় চাপানোর এই বক্তব্য ভবিষ্যতে নতুন রাজনৈতিক ও আইনি বিতর্কের
জন্ম দেয় কি না, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মে ২০২৬
গত ৫ আগস্ট রাজধানীর
ঐতিহাসিক ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত বাসভবনে ভাঙচুর চালিয়ে আলোচনায় আসা ‘ভাইরাল সিদ্দিক’ এবার নিজের অবস্থান থেকে সরে এসে দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হাতুড়ি হাতে তার ভাঙচুরের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। তবে সম্প্রতি প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় তাকে অনুতপ্ত দেখা গেছে।
ভিডিওতে সিদ্দিক বলেন, “আমি আবেগের বশে ভুল করেছি। দেশবাসীর কাছে হাতজোড় করে ক্ষমা চাইছি।”
ভাইরাল ভাঙচুর থেকে অনুশোচনা
৫ আগস্টের উত্তপ্ত
রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে যারা ভাঙচুরে অংশ নিয়েছিলেন, তাদের মধ্যে সিদ্দিক ছিলেন অন্যতম আলোচিত মুখ। হাতে হাতুড়ি নিয়ে ভবনের বিভিন্ন অংশে আঘাত করার দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ভাইরাল হয়। সেই ঘটনার পর থেকেই নেটিজেনদের তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি।
তবে সাম্প্রতিক ভিডিও বার্তায় তার কণ্ঠে ছিল অনুশোচনার সুর। তিনি দাবি করেন, পরিস্থিতির আবেগ ও উত্তেজনার কারণে
তিনি এমন কাজ করেছেন, যা এখন তিনি ভুল হিসেবে দেখছেন।
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ওপর দায় চাপানোর চেষ্টা
ঘটনার নতুন মোড় আসে যখন সিদ্দিক পুরো ঘটনার দায় বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড.মুহাম্মদ ই্উনুস-এর বক্তব্য ও প্রভাবের ওপর
চাপানোর চেষ্টা করেন।
তার দাবি, বিভিন্ন বক্তব্য ও রাজনৈতিক পরিবেশের
কারণে সাধারণ মানুষ এমন কর্মকাণ্ডে উদ্বুদ্ধ হয়েছিল। সিদ্দিকের ভাষ্য অনুযায়ী, “এই দায় শুধু সাধারণ মানুষের নয়, যারা এমন পরিস্থিতি তৈরি করেছেন দায় তাদেরও।”
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
সিদ্দিকের এই আকস্মিক অবস্থান পরিবর্তন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা। অনেকের মতে, রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তন এবং সম্ভাব্য আইনি ঝুঁকির আশঙ্কায় তিনি এখন দায় এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। আবার কেউ কেউ বিষয়টিকে নতুন রাজনৈতিক কৌশল হিসেবেও দেখছেন।
ধানমন্ডি ৩২-এর ভাঙচুরের ভিডিও এখনো মানুষের স্মৃতিতে স্পষ্টভাবে রয়ে গেছে। ফলে সিদ্দিকের ক্ষমা প্রার্থনা এবং অন্যের ওপর দায় চাপানোর এই বক্তব্য ভবিষ্যতে নতুন রাজনৈতিক ও আইনি বিতর্কের
জন্ম দেয় কি না, সেটিই এখন দেখার বিষয়।
