সুনামগঞ্জের আলহাজ্ব জমসেদ-আছিয়া মহাবিদ্যালয়ের চাকরিচ্যুত বাংলা বিভাগের প্রভাষক হাসিনা হাসনাত অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতা, স্বজনপ্রীতি ও বিধিবহির্ভূত সিদ্ধান্ত গ্রহণের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
বুধবার (১০ জুন) সকাল ১১টায় সুনামগঞ্জ পৌরবিপণীর একটি কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন।
লিখিত বক্তব্যে হাসিনা হাসনাত দাবি করেন, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে তিনি নিষ্ঠার সঙ্গে পাঠদান করে আসছিলেন। কিন্তু গত ৪ মে দ্বাদশ শ্রেণির কোচিং ক্লাস বণ্টন নিয়ে শিক্ষকদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে আলোচনা-সমালোচনার পরদিন কলেজে গিয়ে তিনি ক্লাস নিতে বাধার মুখে পড়েন। তার অভিযোগ, কোনো কারণ দর্শানোর নোটিশ বা আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়েই তাকে কার্যত চাকরি থেকে অপসারণ করা হয়েছে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, কলেজে প্রশাসনিক দায়িত্ব বণ্টন, বেতন বৃদ্ধি, পরীক্ষা পরিচালনা ও সম্মানী বণ্টনে বৈষম্য এবং অস্বচ্ছতা রয়েছে। নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তিকে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, এলাকার মানুষের স্বপ্ন ও ত্যাগে গড়ে ওঠা প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে নানা অনিয়ম ও একক সিদ্ধান্তের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এর ফলে শিক্ষা ও প্রশাসনিক পরিবেশের অবনতি ঘটছে এবং শিক্ষার্থী ভর্তির হারও কমে যাচ্ছে।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মহাবিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আলী আহমদ। তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট শিক্ষিকা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শিক্ষক গ্রুপিংয়ের সঙ্গে জড়িত ছিলেন, যা প্রতিষ্ঠানের জন্য ক্ষতিকর। বেতন-ভাতা বৃদ্ধির দাবিকে কেন্দ্র করেই এসব কর্মকাণ্ড হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
অধ্যক্ষ আরও বলেন, কলেজ কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ওই শিক্ষিকাকে আর কলেজে দায়িত্ব পালনের সুযোগ দেওয়া হবে না।

বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জুন ২০২৬
সুনামগঞ্জের আলহাজ্ব জমসেদ-আছিয়া মহাবিদ্যালয়ের চাকরিচ্যুত বাংলা বিভাগের প্রভাষক হাসিনা হাসনাত অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতা, স্বজনপ্রীতি ও বিধিবহির্ভূত সিদ্ধান্ত গ্রহণের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
বুধবার (১০ জুন) সকাল ১১টায় সুনামগঞ্জ পৌরবিপণীর একটি কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন।
লিখিত বক্তব্যে হাসিনা হাসনাত দাবি করেন, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে তিনি নিষ্ঠার সঙ্গে পাঠদান করে আসছিলেন। কিন্তু গত ৪ মে দ্বাদশ শ্রেণির কোচিং ক্লাস বণ্টন নিয়ে শিক্ষকদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে আলোচনা-সমালোচনার পরদিন কলেজে গিয়ে তিনি ক্লাস নিতে বাধার মুখে পড়েন। তার অভিযোগ, কোনো কারণ দর্শানোর নোটিশ বা আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়েই তাকে কার্যত চাকরি থেকে অপসারণ করা হয়েছে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, কলেজে প্রশাসনিক দায়িত্ব বণ্টন, বেতন বৃদ্ধি, পরীক্ষা পরিচালনা ও সম্মানী বণ্টনে বৈষম্য এবং অস্বচ্ছতা রয়েছে। নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তিকে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, এলাকার মানুষের স্বপ্ন ও ত্যাগে গড়ে ওঠা প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে নানা অনিয়ম ও একক সিদ্ধান্তের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এর ফলে শিক্ষা ও প্রশাসনিক পরিবেশের অবনতি ঘটছে এবং শিক্ষার্থী ভর্তির হারও কমে যাচ্ছে।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মহাবিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আলী আহমদ। তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট শিক্ষিকা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শিক্ষক গ্রুপিংয়ের সঙ্গে জড়িত ছিলেন, যা প্রতিষ্ঠানের জন্য ক্ষতিকর। বেতন-ভাতা বৃদ্ধির দাবিকে কেন্দ্র করেই এসব কর্মকাণ্ড হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
অধ্যক্ষ আরও বলেন, কলেজ কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ওই শিক্ষিকাকে আর কলেজে দায়িত্ব পালনের সুযোগ দেওয়া হবে না।
