মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, আজ যে রেমিট্যান্স বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রাণশক্তি হয়ে উঠেছে, তার ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন জিয়াউর রহমান।
শুক্রবার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র-এ মহান মে দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, জিয়াউর রহমান প্রবর্তিত ত্রিপক্ষীয় শ্রমনীতি ও সংস্কার শ্রমকল্যাণের ভিত্তিকে শক্তিশালী করেছে। ১৯৭৬ সালে ‘মিনিস্ট্রি অব ম্যানপাওয়ার’ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তিনি মধ্যপ্রাচ্যসহ ৩৩টি দেশে বাংলাদেশি শ্রমিক পাঠানোর উদ্যোগ নেন, যা পরবর্তীতে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে।
তিনি আরও বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ‘শ্রম আইন ২০০৬’ প্রণয়ন এবং শ্রম কল্যাণ ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে শ্রমিকদের অধিকার ও কল্যাণ নিশ্চিত করার ভিত্তিকে আরও সুদৃঢ় করেছেন।
রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, দেশের শিল্প, কৃষি, পরিবহন ও নির্মাণসহ প্রতিটি খাতে শ্রমজীবী মানুষের অবদান অপরিসীম। প্রবাসী শ্রমিকদের পাঠানো রেমিট্যান্স এবং তৈরি পোশাক শিল্পে শ্রমিকদের অবদানই দেশের বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভের প্রধান উৎস।
তিনি বলেন, সরকার শ্রমিকদের কল্যাণ, ন্যায্য অধিকার, নিরাপদ ও শোভন কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে নানা কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। বন্ধ হয়ে থাকা রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকল, পাট ও শিল্পকারখানা পুনরায় চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে আরও শিল্পপ্রতিষ্ঠান চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।
মালিক ও শ্রমিকদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি বলেন, পারস্পরিক আস্থা, সহযোগিতা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে। এর মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা বাড়বে এবং টেকসই শিল্প উন্নয়ন নিশ্চিত হবে। একই সঙ্গে শ্রমিক-মালিকের অধিকার রক্ষায় ট্রেড ইউনিয়ন কার্যক্রম জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মে ২০২৬
মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, আজ যে রেমিট্যান্স বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রাণশক্তি হয়ে উঠেছে, তার ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন জিয়াউর রহমান।
শুক্রবার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র-এ মহান মে দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, জিয়াউর রহমান প্রবর্তিত ত্রিপক্ষীয় শ্রমনীতি ও সংস্কার শ্রমকল্যাণের ভিত্তিকে শক্তিশালী করেছে। ১৯৭৬ সালে ‘মিনিস্ট্রি অব ম্যানপাওয়ার’ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তিনি মধ্যপ্রাচ্যসহ ৩৩টি দেশে বাংলাদেশি শ্রমিক পাঠানোর উদ্যোগ নেন, যা পরবর্তীতে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে।
তিনি আরও বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ‘শ্রম আইন ২০০৬’ প্রণয়ন এবং শ্রম কল্যাণ ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে শ্রমিকদের অধিকার ও কল্যাণ নিশ্চিত করার ভিত্তিকে আরও সুদৃঢ় করেছেন।
রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, দেশের শিল্প, কৃষি, পরিবহন ও নির্মাণসহ প্রতিটি খাতে শ্রমজীবী মানুষের অবদান অপরিসীম। প্রবাসী শ্রমিকদের পাঠানো রেমিট্যান্স এবং তৈরি পোশাক শিল্পে শ্রমিকদের অবদানই দেশের বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভের প্রধান উৎস।
তিনি বলেন, সরকার শ্রমিকদের কল্যাণ, ন্যায্য অধিকার, নিরাপদ ও শোভন কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে নানা কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। বন্ধ হয়ে থাকা রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকল, পাট ও শিল্পকারখানা পুনরায় চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে আরও শিল্পপ্রতিষ্ঠান চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।
মালিক ও শ্রমিকদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি বলেন, পারস্পরিক আস্থা, সহযোগিতা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে। এর মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা বাড়বে এবং টেকসই শিল্প উন্নয়ন নিশ্চিত হবে। একই সঙ্গে শ্রমিক-মালিকের অধিকার রক্ষায় ট্রেড ইউনিয়ন কার্যক্রম জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
