ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আকচা ইউনিয়নের বন্দরপাড়া এলাকায় এক অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শুক্রবার রাতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মিতু (১৮) সদর উপজেলার রামপুর শিবগঞ্জ এলাকার দেবারুর মেয়ে।
স্থানীয় সূত্র ও নিহতের পরিবারের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই স্বামী শাহিনুর ইসলাম শাহিন ওরফে চান্দুর (২১) সঙ্গে মিতুর দাম্পত্য জীবনে অশান্তি চলছিল। বিভিন্ন সময় তাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন স্বজনরা।
অভিযুক্ত শাহিনুর ইসলাম বন্দরপাড়া এলাকার মো. মসলিম উদ্দীনের ছেলে। তিনি শহরের একটি মোবাইল ফোনের দোকানে কর্মরত ছিলেন। স্থানীয়দের দাবি, মাদকাসক্তির অভিযোগে একপর্যায়ে চাকরি হারান তিনি।
নিহতের পরিবারের সদস্যরা জানান, দীর্ঘদিনের পারিবারিক কলহ ও নির্যাতনের কারণে মিতু মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। তাদের ধারণা, এই পরিস্থিতির কারণেই তিনি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ঘটনার পর থেকেই শাহিনুর ইসলামকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। পরিবারের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ঠাকুরগাঁও সদর থানায় নিয়ে যায়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
এদিকে তরুণ এই গৃহবধূর মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। একই সঙ্গে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

রোববার, ৩১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মে ২০২৬
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আকচা ইউনিয়নের বন্দরপাড়া এলাকায় এক অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শুক্রবার রাতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মিতু (১৮) সদর উপজেলার রামপুর শিবগঞ্জ এলাকার দেবারুর মেয়ে।
স্থানীয় সূত্র ও নিহতের পরিবারের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই স্বামী শাহিনুর ইসলাম শাহিন ওরফে চান্দুর (২১) সঙ্গে মিতুর দাম্পত্য জীবনে অশান্তি চলছিল। বিভিন্ন সময় তাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন স্বজনরা।
অভিযুক্ত শাহিনুর ইসলাম বন্দরপাড়া এলাকার মো. মসলিম উদ্দীনের ছেলে। তিনি শহরের একটি মোবাইল ফোনের দোকানে কর্মরত ছিলেন। স্থানীয়দের দাবি, মাদকাসক্তির অভিযোগে একপর্যায়ে চাকরি হারান তিনি।
নিহতের পরিবারের সদস্যরা জানান, দীর্ঘদিনের পারিবারিক কলহ ও নির্যাতনের কারণে মিতু মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। তাদের ধারণা, এই পরিস্থিতির কারণেই তিনি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ঘটনার পর থেকেই শাহিনুর ইসলামকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। পরিবারের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ঠাকুরগাঁও সদর থানায় নিয়ে যায়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
এদিকে তরুণ এই গৃহবধূর মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। একই সঙ্গে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
