নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার পুটিয়া ইউনিয়নের কারারচর (গুপ্তপাড়া) গ্রামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে চারটি প্লাস্টিক গোডাউন ও একটি টিনশেড বসতঘরের তিনটি কক্ষ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রায় ৮০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী।
রোববার (৩১ মে) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে সুলতানা ফিলিং স্টেশনের সামনে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাশে অবস্থিত ‘ভাই ভাই প্লাস্টিক পোল্ট্রি ফার্ম’-এ এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মৃত মাতু মিয়ার ছেলে মোস্তফা মিয়ার মালিকানাধীন চারটি গোডাউনে হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন চারদিকে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় আতঙ্কের সৃষ্টি হয়।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। দীর্ঘ চেষ্টা চালিয়েও গোডাউন ও বসতঘরের ভেতরে থাকা বিপুল পরিমাণ মালামাল রক্ষা করা সম্ভব হয়নি।
ঘটনাস্থল পরিদর্শনের সময় পুটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য মো. আব্দুল জলিল মোল্লা, ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বর্তমান সদস্য রতন মিয়া, সোহরাব মিয়াসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী মোস্তফা মিয়া জানান, তার প্রতিষ্ঠানের চারটি গোডাউনে সংরক্ষিত প্লাস্টিক সামগ্রী এবং বসতঘরের তিনটি কক্ষে থাকা আসবাবপত্রসহ সবকিছু আগুনে পুড়ে গেছে। তিনি দাবি করেন, বিদ্যুতের শর্টসার্কিট থেকে আগুন লাগার সম্ভাবনা কম। তাই কোনো তৃতীয় পক্ষের নাশকতার বিষয়টি উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
জানা গেছে, নরসিংদীর সিটি ব্যাংক ও মিডল্যান্ড ব্যাংকের ঋণের অর্থে গড়ে তোলা এই ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে প্রায় ১৫ জন শ্রমিক কর্মরত ছিলেন। অগ্নিকাণ্ডে তাদের কর্মসংস্থানও অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।
আগুনের প্রকৃত কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে তদন্ত চলছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

রোববার, ৩১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মে ২০২৬
নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার পুটিয়া ইউনিয়নের কারারচর (গুপ্তপাড়া) গ্রামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে চারটি প্লাস্টিক গোডাউন ও একটি টিনশেড বসতঘরের তিনটি কক্ষ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রায় ৮০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী।
রোববার (৩১ মে) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে সুলতানা ফিলিং স্টেশনের সামনে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাশে অবস্থিত ‘ভাই ভাই প্লাস্টিক পোল্ট্রি ফার্ম’-এ এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মৃত মাতু মিয়ার ছেলে মোস্তফা মিয়ার মালিকানাধীন চারটি গোডাউনে হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন চারদিকে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় আতঙ্কের সৃষ্টি হয়।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। দীর্ঘ চেষ্টা চালিয়েও গোডাউন ও বসতঘরের ভেতরে থাকা বিপুল পরিমাণ মালামাল রক্ষা করা সম্ভব হয়নি।
ঘটনাস্থল পরিদর্শনের সময় পুটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য মো. আব্দুল জলিল মোল্লা, ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বর্তমান সদস্য রতন মিয়া, সোহরাব মিয়াসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী মোস্তফা মিয়া জানান, তার প্রতিষ্ঠানের চারটি গোডাউনে সংরক্ষিত প্লাস্টিক সামগ্রী এবং বসতঘরের তিনটি কক্ষে থাকা আসবাবপত্রসহ সবকিছু আগুনে পুড়ে গেছে। তিনি দাবি করেন, বিদ্যুতের শর্টসার্কিট থেকে আগুন লাগার সম্ভাবনা কম। তাই কোনো তৃতীয় পক্ষের নাশকতার বিষয়টি উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
জানা গেছে, নরসিংদীর সিটি ব্যাংক ও মিডল্যান্ড ব্যাংকের ঋণের অর্থে গড়ে তোলা এই ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে প্রায় ১৫ জন শ্রমিক কর্মরত ছিলেন। অগ্নিকাণ্ডে তাদের কর্মসংস্থানও অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।
আগুনের প্রকৃত কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে তদন্ত চলছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
