গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার কুশলী ইউনিয়নের ধোপার মাঠে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘আরাফাত রহমান কোকো হা-ডু-ডু টুর্নামেন্ট-২০২৬’। ঐতিহ্যবাহী এই খেলাকে ঘিরে দিনভর মাঠে ছিল খেলোয়াড় ও দর্শকদের প্রাণবন্ত উপস্থিতি।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। ১ নম্বর কুশলী ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত প্রতিযোগিতাকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই মাঠের আশপাশে তৈরি হয় উৎসবের আবহ। বিভিন্ন এলাকা থেকে ক্রীড়াপ্রেমীদের উপস্থিতিতে সরব হয়ে ওঠে পুরো মাঠ।
আয়োজকরা জানান, গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী হা-ডু-ডু খেলাকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা এবং স্থানীয় খেলোয়াড়দের খেলাধুলায় উৎসাহিত করতেই এ আয়োজন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জ-৩ (টুঙ্গিপাড়া-কোটালীপাড়া) আসনের সংসদ সদস্য এস এম জিলানী। বিশেষ অতিথি ছিলেন টুঙ্গিপাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি শেখ সালাউদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক এম মোক্তার মোল্লা এবং উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আমিনুল ইসলাম।
কুশলী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি কদর শেখের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন এইচএম মোস্তফা কামাল চান মিয়া। টুর্নামেন্টের সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন আলী জান্নাত।
খেলা চলাকালে উপস্থিত থেকে প্রতিযোগিতা উপভোগ করেন টুঙ্গিপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আইয়ুব আলী, কুশলী ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান প্যানেল চেয়ারম্যান ইশতিয়াক হোসেন হাইশোরসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, আয়োজক কমিটির সদস্য ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ক্রীড়াপ্রেমীরা।
দিনব্যাপী প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া দলগুলোর খেলোয়াড়রা নিজেদের দক্ষতা ও ক্রীড়া নৈপুণ্য তুলে ধরেন। প্রতিটি ম্যাচে আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ ও উত্তেজনাপূর্ণ মুহূর্তে দর্শকদের মধ্যে তৈরি হয় ব্যাপক উৎসাহ।
সকাল থেকেই ধোপার মাঠে বাড়তে থাকে দর্শকদের ভিড়। করতালি ও উচ্ছ্বাসে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। হা-ডু-ডুকে ঘিরে স্থানীয় মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ আয়োজনটিকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।
আয়োজকরা বলেন, আধুনিক খেলাধুলার পাশাপাশি গ্রামীণ ঐতিহ্যের খেলাগুলোও ধরে রাখা প্রয়োজন। এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে তরুণদের মাঠমুখী করার পাশাপাশি হারিয়ে যেতে বসা হা-ডু-ডুর প্রতি আগ্রহ বাড়ানো সম্ভব।
দিনব্যাপী প্রতিযোগিতা শেষে উৎসবমুখর পরিবেশে টুর্নামেন্টের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। স্থানীয় দর্শক ও ক্রীড়াপ্রেমীরা আয়োজনটির প্রশংসা করে ভবিষ্যতেও নিয়মিত হা-ডু-ডু প্রতিযোগিতা আয়োজনের প্রত্যাশা জানান।

রোববার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার কুশলী ইউনিয়নের ধোপার মাঠে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘আরাফাত রহমান কোকো হা-ডু-ডু টুর্নামেন্ট-২০২৬’। ঐতিহ্যবাহী এই খেলাকে ঘিরে দিনভর মাঠে ছিল খেলোয়াড় ও দর্শকদের প্রাণবন্ত উপস্থিতি।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। ১ নম্বর কুশলী ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত প্রতিযোগিতাকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই মাঠের আশপাশে তৈরি হয় উৎসবের আবহ। বিভিন্ন এলাকা থেকে ক্রীড়াপ্রেমীদের উপস্থিতিতে সরব হয়ে ওঠে পুরো মাঠ।
আয়োজকরা জানান, গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী হা-ডু-ডু খেলাকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা এবং স্থানীয় খেলোয়াড়দের খেলাধুলায় উৎসাহিত করতেই এ আয়োজন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জ-৩ (টুঙ্গিপাড়া-কোটালীপাড়া) আসনের সংসদ সদস্য এস এম জিলানী। বিশেষ অতিথি ছিলেন টুঙ্গিপাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি শেখ সালাউদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক এম মোক্তার মোল্লা এবং উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আমিনুল ইসলাম।
কুশলী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি কদর শেখের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন এইচএম মোস্তফা কামাল চান মিয়া। টুর্নামেন্টের সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন আলী জান্নাত।
খেলা চলাকালে উপস্থিত থেকে প্রতিযোগিতা উপভোগ করেন টুঙ্গিপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আইয়ুব আলী, কুশলী ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান প্যানেল চেয়ারম্যান ইশতিয়াক হোসেন হাইশোরসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, আয়োজক কমিটির সদস্য ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ক্রীড়াপ্রেমীরা।
দিনব্যাপী প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া দলগুলোর খেলোয়াড়রা নিজেদের দক্ষতা ও ক্রীড়া নৈপুণ্য তুলে ধরেন। প্রতিটি ম্যাচে আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ ও উত্তেজনাপূর্ণ মুহূর্তে দর্শকদের মধ্যে তৈরি হয় ব্যাপক উৎসাহ।
সকাল থেকেই ধোপার মাঠে বাড়তে থাকে দর্শকদের ভিড়। করতালি ও উচ্ছ্বাসে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। হা-ডু-ডুকে ঘিরে স্থানীয় মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ আয়োজনটিকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।
আয়োজকরা বলেন, আধুনিক খেলাধুলার পাশাপাশি গ্রামীণ ঐতিহ্যের খেলাগুলোও ধরে রাখা প্রয়োজন। এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে তরুণদের মাঠমুখী করার পাশাপাশি হারিয়ে যেতে বসা হা-ডু-ডুর প্রতি আগ্রহ বাড়ানো সম্ভব।
দিনব্যাপী প্রতিযোগিতা শেষে উৎসবমুখর পরিবেশে টুর্নামেন্টের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। স্থানীয় দর্শক ও ক্রীড়াপ্রেমীরা আয়োজনটির প্রশংসা করে ভবিষ্যতেও নিয়মিত হা-ডু-ডু প্রতিযোগিতা আয়োজনের প্রত্যাশা জানান।
