সুনামগঞ্জে খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে ৯ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলার একমাত্র আসামি ইমনকে (১৬) গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-৯। মামলা হওয়ার প্রায় ১২ ঘণ্টার মধ্যে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছে র্যাব।
গ্রেপ্তার ইমন সুনামগঞ্জ সদর থানার হাসাউড়া গ্রামের কামাল মিয়ার ছেলে।
র্যাব জানায়, ভুক্তভোগী শিশুটি স্থানীয় একটি মাদ্রাসার দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী। তার বাবা কয়েক বছর আগে মারা যান। মা প্রায় এক বছর ধরে সৌদি আরবে থাকায় শিশুটি নানার বাড়িতে বসবাস করছিল।
খাবারের প্রলোভনে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ
র্যাবের তথ্য অনুযায়ী, গত ৩ সেপ্টেম্বর মাদ্রাসা থেকে বাড়ি ফেরার পর দুপুরের দিকে একই এলাকার বাসিন্দা ইমন শিশুটিকে খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে তাদের বাড়ির একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয় বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।
পরে বিষয়টি কাউকে না জানাতে শিশুটিকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেওয়া হয় বলে জানিয়েছে র্যাব।
বাড়িতে ফেরার পর শিশুটির শারীরিক অসুস্থতা ও অস্বাভাবিক আচরণ দেখে পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়। একপর্যায়ে তার পোশাকে রক্তের দাগ দেখতে পেয়ে পরিবারের সদস্যরা জিজ্ঞাসাবাদ করলে শিশুটি ঘটনাটি জানায়।
মামলার পর র্যাবের অভিযান
পরদিন ৪ সেপ্টেম্বর শিশুটিকে চিকিৎসার জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। একই দিন এ ঘটনায় সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়।
মামলা দায়েরের পর র্যাব-৯-এর সিপিসি-৩ (সুনামগঞ্জ ক্যাম্প) ঘটনার তদন্ত শুরু করে। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাত আনুমানিক ১১টা ৪০ মিনিটে সুনামগঞ্জ সদর থানার রঙ্গারচর ইউনিয়নের হাসাউড়া বাজার এলাকায় অভিযান চালানো হয়।
অভিযানে মামলার একমাত্র অভিযুক্ত ইমনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব-৯ জানিয়েছে, পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গ্রেপ্তার ইমনকে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

রোববার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সুনামগঞ্জে খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে ৯ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলার একমাত্র আসামি ইমনকে (১৬) গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-৯। মামলা হওয়ার প্রায় ১২ ঘণ্টার মধ্যে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছে র্যাব।
গ্রেপ্তার ইমন সুনামগঞ্জ সদর থানার হাসাউড়া গ্রামের কামাল মিয়ার ছেলে।
র্যাব জানায়, ভুক্তভোগী শিশুটি স্থানীয় একটি মাদ্রাসার দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী। তার বাবা কয়েক বছর আগে মারা যান। মা প্রায় এক বছর ধরে সৌদি আরবে থাকায় শিশুটি নানার বাড়িতে বসবাস করছিল।
খাবারের প্রলোভনে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ
র্যাবের তথ্য অনুযায়ী, গত ৩ সেপ্টেম্বর মাদ্রাসা থেকে বাড়ি ফেরার পর দুপুরের দিকে একই এলাকার বাসিন্দা ইমন শিশুটিকে খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে তাদের বাড়ির একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয় বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।
পরে বিষয়টি কাউকে না জানাতে শিশুটিকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেওয়া হয় বলে জানিয়েছে র্যাব।
বাড়িতে ফেরার পর শিশুটির শারীরিক অসুস্থতা ও অস্বাভাবিক আচরণ দেখে পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়। একপর্যায়ে তার পোশাকে রক্তের দাগ দেখতে পেয়ে পরিবারের সদস্যরা জিজ্ঞাসাবাদ করলে শিশুটি ঘটনাটি জানায়।
মামলার পর র্যাবের অভিযান
পরদিন ৪ সেপ্টেম্বর শিশুটিকে চিকিৎসার জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। একই দিন এ ঘটনায় সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়।
মামলা দায়েরের পর র্যাব-৯-এর সিপিসি-৩ (সুনামগঞ্জ ক্যাম্প) ঘটনার তদন্ত শুরু করে। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাত আনুমানিক ১১টা ৪০ মিনিটে সুনামগঞ্জ সদর থানার রঙ্গারচর ইউনিয়নের হাসাউড়া বাজার এলাকায় অভিযান চালানো হয়।
অভিযানে মামলার একমাত্র অভিযুক্ত ইমনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব-৯ জানিয়েছে, পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গ্রেপ্তার ইমনকে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
