আদর্শ ছাত্র সংগঠনের ৯০ শতাংশ কাজ পড়ার টেবিলকেন্দ্রিক এবং মাঠে-ময়দানে সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ কার্যক্রম থাকা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক। তিনি বলেন, ছাত্র সংগঠনের প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত শিক্ষার্থীদের মেধা, জ্ঞান, দক্ষতা ও যোগ্যতার বিকাশ।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের জাতীয় আর্কাইভ মিলনায়তনে বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিস ঢাকা মহানগর পশ্চিম আয়োজিত ক্যারিয়ার গাইডলাইন ও কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মামুনুল হক বলেন, বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিসকে শুধু সংগঠন, রাজনীতি ও আন্দোলনের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে শিক্ষার্থীদের জ্ঞান, দক্ষতা ও যোগ্যতা বিকাশের বৃহৎ পরিসরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
তিনি বলেন, ভবিষ্যতে একজন শিক্ষার্থী যে দায়িত্ব পালন করতে চান, সেই দায়িত্বের মৌলিক যোগ্যতা ছাত্রজীবন থেকেই অর্জন করা প্রয়োজন। ছাত্রজীবন ও কর্মজীবনের সম্পর্কের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, কর্মজীবনে ভালো করতে হলে প্রয়োজনীয় মৌলিক দক্ষতা আগে থেকেই অর্জন করতে হবে।
সমাজ ও রাষ্ট্রে নেতৃত্ব দেওয়ার প্রস্তুতিও শিক্ষাজীবন থেকেই শুরু করার কথা বলেন তিনি। তার মতে, যারা ভবিষ্যতে বৃহত্তর পরিসরে নেতৃত্ব দিতে চান, তাদের ছাত্রজীবন থেকেই সমাজ, রাষ্ট্র ও রাজনীতি সম্পর্কে চিন্তা এবং প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জনের সুযোগ থাকা দরকার।
মামুনুল হক বলেন, জ্ঞান ও গবেষণার মাধ্যমে জাতিকে পথ দেখানোর পাশাপাশি সেই পথে পরিচালনার জন্য যোগ্য নেতৃত্বও প্রয়োজন। এ কারণে নেতৃত্বের জন্য প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনে ছাত্রজীবনকে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
ছাত্র সংগঠনের কার্যক্রম সম্পর্কে তিনি বলেন, সাধারণ রাজনৈতিক সংগঠনের মতো ছাত্র সংগঠনকে মাঠমুখী না হয়ে শিক্ষার্থীদের মেধা, জ্ঞান ও যোগ্যতা বিকাশে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। একটি আদর্শ ছাত্র সংগঠনের মাঠের কার্যক্রম সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ এবং ৯০ শতাংশ কাজ পড়ার টেবিলকেন্দ্রিক হওয়া উচিত বলে উল্লেখ করেন তিনি।
কৃতি শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে মামুনুল হক বলেন, শিক্ষার্থীদের সাফল্যের ধারা অব্যাহত রাখতে হবে। স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষাঙ্গনে কার্যক্রম সম্প্রসারণের মাধ্যমে মেধা, জ্ঞান ও চিন্তার বিকাশ ঘটানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ছাত্র মজলিস ঢাকা মহানগর পশ্চিমের সভাপতি আদনান রাফী। প্রধান আলোচক ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মুহাম্মাদ আব্দুল আজিজ। এছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা ফয়সাল আহমাদ, জামিয়া রাহমানিয়ার সিনিয়র শিক্ষক মুফতি সাইদ আহমাদ, লেখক ও আলোচক মাওলানা আবু নাইম ফয়জুল্লাহসহ সংশ্লিষ্ট সংগঠনের নেতারা বক্তব্য দেন।

শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আদর্শ ছাত্র সংগঠনের ৯০ শতাংশ কাজ পড়ার টেবিলকেন্দ্রিক এবং মাঠে-ময়দানে সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ কার্যক্রম থাকা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক। তিনি বলেন, ছাত্র সংগঠনের প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত শিক্ষার্থীদের মেধা, জ্ঞান, দক্ষতা ও যোগ্যতার বিকাশ।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের জাতীয় আর্কাইভ মিলনায়তনে বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিস ঢাকা মহানগর পশ্চিম আয়োজিত ক্যারিয়ার গাইডলাইন ও কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মামুনুল হক বলেন, বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিসকে শুধু সংগঠন, রাজনীতি ও আন্দোলনের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে শিক্ষার্থীদের জ্ঞান, দক্ষতা ও যোগ্যতা বিকাশের বৃহৎ পরিসরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
তিনি বলেন, ভবিষ্যতে একজন শিক্ষার্থী যে দায়িত্ব পালন করতে চান, সেই দায়িত্বের মৌলিক যোগ্যতা ছাত্রজীবন থেকেই অর্জন করা প্রয়োজন। ছাত্রজীবন ও কর্মজীবনের সম্পর্কের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, কর্মজীবনে ভালো করতে হলে প্রয়োজনীয় মৌলিক দক্ষতা আগে থেকেই অর্জন করতে হবে।
সমাজ ও রাষ্ট্রে নেতৃত্ব দেওয়ার প্রস্তুতিও শিক্ষাজীবন থেকেই শুরু করার কথা বলেন তিনি। তার মতে, যারা ভবিষ্যতে বৃহত্তর পরিসরে নেতৃত্ব দিতে চান, তাদের ছাত্রজীবন থেকেই সমাজ, রাষ্ট্র ও রাজনীতি সম্পর্কে চিন্তা এবং প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জনের সুযোগ থাকা দরকার।
মামুনুল হক বলেন, জ্ঞান ও গবেষণার মাধ্যমে জাতিকে পথ দেখানোর পাশাপাশি সেই পথে পরিচালনার জন্য যোগ্য নেতৃত্বও প্রয়োজন। এ কারণে নেতৃত্বের জন্য প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনে ছাত্রজীবনকে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
ছাত্র সংগঠনের কার্যক্রম সম্পর্কে তিনি বলেন, সাধারণ রাজনৈতিক সংগঠনের মতো ছাত্র সংগঠনকে মাঠমুখী না হয়ে শিক্ষার্থীদের মেধা, জ্ঞান ও যোগ্যতা বিকাশে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। একটি আদর্শ ছাত্র সংগঠনের মাঠের কার্যক্রম সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ এবং ৯০ শতাংশ কাজ পড়ার টেবিলকেন্দ্রিক হওয়া উচিত বলে উল্লেখ করেন তিনি।
কৃতি শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে মামুনুল হক বলেন, শিক্ষার্থীদের সাফল্যের ধারা অব্যাহত রাখতে হবে। স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষাঙ্গনে কার্যক্রম সম্প্রসারণের মাধ্যমে মেধা, জ্ঞান ও চিন্তার বিকাশ ঘটানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ছাত্র মজলিস ঢাকা মহানগর পশ্চিমের সভাপতি আদনান রাফী। প্রধান আলোচক ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মুহাম্মাদ আব্দুল আজিজ। এছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা ফয়সাল আহমাদ, জামিয়া রাহমানিয়ার সিনিয়র শিক্ষক মুফতি সাইদ আহমাদ, লেখক ও আলোচক মাওলানা আবু নাইম ফয়জুল্লাহসহ সংশ্লিষ্ট সংগঠনের নেতারা বক্তব্য দেন।
