সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার কৃতি সন্তান নুরুল হক এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করে চিকিৎসক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছেন। তাঁর এই অর্জনে পরিবার, আত্মীয়-স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দ ও গর্বের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।
নুরুল হক ছাতকের রামপুর গ্রামের সন্তান। শিক্ষাজীবনের শুরু থেকেই তিনি মেধার স্বাক্ষর রেখে আসছেন। ২০১৫ সালে গোবিন্দগঞ্জ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং ২০১৭ সালে সিলেট সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন।
পরবর্তীতে তিনি দেশের ঐতিহ্যবাহী স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজে ভর্তি হয়ে এমবিবিএস সম্পন্ন করেন এবং ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে ডিগ্রি অর্জন করেন। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে তাঁর ইন্টার্নশিপ সফলভাবে শেষ হয়।
ইন্টার্নশিপ চলাকালীন সময়েই তিনি আন্তর্জাতিক পর্যায়েও সাফল্য অর্জন করেন। যুক্তরাজ্যের রয়্যাল কলেজ অফ ইমার্জেন্সি মেডিসিন থেকে অনুষ্ঠিত এমআরসিইএম প্রাথমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে চিকিৎসা শিক্ষায় নিজের দক্ষতার প্রমাণ দেন।
সর্বশেষ ২০২৬ সালের জুলাই সেশনে তিনি অর্থোপেডিক সার্জারি বিষয়ে এফসিপিএস পার্ট-১ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন, যা তাঁর পেশাগত জীবনের গুরুত্বপূর্ণ একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
নুরুল হকের এই ধারাবাহিক সাফল্যে তাঁর পরিবার, শিক্ষক ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। এলাকাবাসী আশা করছেন, তিনি ভবিষ্যতে একজন দক্ষ ও মানবিক চিকিৎসক হিসেবে দেশের সেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।

বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুন ২০২৬
সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার কৃতি সন্তান নুরুল হক এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করে চিকিৎসক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছেন। তাঁর এই অর্জনে পরিবার, আত্মীয়-স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দ ও গর্বের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।
নুরুল হক ছাতকের রামপুর গ্রামের সন্তান। শিক্ষাজীবনের শুরু থেকেই তিনি মেধার স্বাক্ষর রেখে আসছেন। ২০১৫ সালে গোবিন্দগঞ্জ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং ২০১৭ সালে সিলেট সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন।
পরবর্তীতে তিনি দেশের ঐতিহ্যবাহী স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজে ভর্তি হয়ে এমবিবিএস সম্পন্ন করেন এবং ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে ডিগ্রি অর্জন করেন। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে তাঁর ইন্টার্নশিপ সফলভাবে শেষ হয়।
ইন্টার্নশিপ চলাকালীন সময়েই তিনি আন্তর্জাতিক পর্যায়েও সাফল্য অর্জন করেন। যুক্তরাজ্যের রয়্যাল কলেজ অফ ইমার্জেন্সি মেডিসিন থেকে অনুষ্ঠিত এমআরসিইএম প্রাথমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে চিকিৎসা শিক্ষায় নিজের দক্ষতার প্রমাণ দেন।
সর্বশেষ ২০২৬ সালের জুলাই সেশনে তিনি অর্থোপেডিক সার্জারি বিষয়ে এফসিপিএস পার্ট-১ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন, যা তাঁর পেশাগত জীবনের গুরুত্বপূর্ণ একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
নুরুল হকের এই ধারাবাহিক সাফল্যে তাঁর পরিবার, শিক্ষক ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। এলাকাবাসী আশা করছেন, তিনি ভবিষ্যতে একজন দক্ষ ও মানবিক চিকিৎসক হিসেবে দেশের সেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।
