গোপালগঞ্জ সদর উপজেলায় ৫টি বিলের পানি নিষ্কাশনের একমাত্র মাধ্যম ‘হাজীর কাচার খাল’ অবৈধভাবে দখল ও একাধিক বাঁধ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক স্থানীয় প্রভাবশালীর বিরুদ্ধে। এতে বিস্তীর্ণ এলাকায় স্থায়ী জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন হাজার হাজার কৃষক।
ভুক্তভোগী কৃষক ও এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসকের কাছে খালটি উদ্ধার ও জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে লিখিত আবেদন করা হয়েছে।
আবেদন সূত্রে জানা যায়, সদর উপজেলার ঘোড়াদাইড়, পাটিকেলবাড়ী, পুখুরিয়া, বিজয়পাশা, পাইককান্দি ও শশাবাড়ীয়া বিলের পানি নিষ্কাশনের প্রধান পথ হলো এই ‘হাজীর কাচার খাল’। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, পাইককান্দি এলাকার এক প্রভাবশালী ব্যক্তি খালের বিভিন্ন স্থানে বাঁধ দিয়ে পানিপ্রবাহ বন্ধ করে দিয়েছেন।
এর ফলে কৃষকরা সময়মতো ফসল বপন করতে পারছেন না। ইরি-বোরো ধান রোপণেও দেরি হচ্ছে এবং মৌসুমী বৃষ্টিতে ফসল নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। এতে প্রতি বছর লাখ লাখ টাকার ক্ষতির মুখে পড়ছেন কৃষকরা।
কৃষকদের দাবি, দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না করলে এই অঞ্চলের কৃষি ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তারা সরকারি জরিপের মাধ্যমে খালটি উদ্ধার ও স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন।
এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে, যাতে কৃষকরা জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পেতে পারেন।

মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ মে ২০২৬
গোপালগঞ্জ সদর উপজেলায় ৫টি বিলের পানি নিষ্কাশনের একমাত্র মাধ্যম ‘হাজীর কাচার খাল’ অবৈধভাবে দখল ও একাধিক বাঁধ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক স্থানীয় প্রভাবশালীর বিরুদ্ধে। এতে বিস্তীর্ণ এলাকায় স্থায়ী জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন হাজার হাজার কৃষক।
ভুক্তভোগী কৃষক ও এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসকের কাছে খালটি উদ্ধার ও জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে লিখিত আবেদন করা হয়েছে।
আবেদন সূত্রে জানা যায়, সদর উপজেলার ঘোড়াদাইড়, পাটিকেলবাড়ী, পুখুরিয়া, বিজয়পাশা, পাইককান্দি ও শশাবাড়ীয়া বিলের পানি নিষ্কাশনের প্রধান পথ হলো এই ‘হাজীর কাচার খাল’। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, পাইককান্দি এলাকার এক প্রভাবশালী ব্যক্তি খালের বিভিন্ন স্থানে বাঁধ দিয়ে পানিপ্রবাহ বন্ধ করে দিয়েছেন।
এর ফলে কৃষকরা সময়মতো ফসল বপন করতে পারছেন না। ইরি-বোরো ধান রোপণেও দেরি হচ্ছে এবং মৌসুমী বৃষ্টিতে ফসল নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। এতে প্রতি বছর লাখ লাখ টাকার ক্ষতির মুখে পড়ছেন কৃষকরা।
কৃষকদের দাবি, দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না করলে এই অঞ্চলের কৃষি ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তারা সরকারি জরিপের মাধ্যমে খালটি উদ্ধার ও স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন।
এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে, যাতে কৃষকরা জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পেতে পারেন।
