মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

দামে হতাশ কৃষক

গোপালগঞ্জে শেষ ধাপের বোরো কাটাই, তবু লাভের মুখ নেই কৃষকের

গোপালগঞ্জে শেষ ধাপের বোরো কাটাই, তবু লাভের মুখ নেই কৃষকের
ছবি: চেকপোস্ট

গোপালগঞ্জে বোরো ধান কাটার মৌসুম প্রায় শেষের দিকে। জেলার বিভিন্ন এলাকায় কৃষকরা শেষ মুহূর্তের ধান কেটে ঘরে তুলতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। অধিকাংশ জমির ধান ইতোমধ্যে কাটা শেষ হয়েছে, বাকি অল্প কিছু জমির ধানও আগামী ৬-৭ দিনের মধ্যে শেষ হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তবে মৌসুমের শেষ সময়ে এসে কৃষকদের মুখে নেই স্বস্তির হাসি। চলতি মৌসুমে ফলন কম হওয়া এবং বাজারে ধানের দাম আশানুরূপ না থাকায় তারা চরম হতাশায় পড়েছেন। বর্তমানে গোপালগঞ্জে প্রতি মণ ধান বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকা দরে। অথচ শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি ১২০০ থেকে ১৩০০ টাকা পর্যন্ত হওয়ায় উৎপাদন খরচ তুলতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে কৃষকদের।

কৃষকদের অভিযোগ, ধানের ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় লাভের পরিবর্তে লোকসানের আশঙ্কা বাড়ছে। তাই তারা সরকারের কাছে ধানের দাম বৃদ্ধি এবং কৃষি সহায়তা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন।

এদিকে আবহাওয়ার বিরূপ পরিস্থিতিও দুর্ভোগ বাড়িয়েছে। কখনো তীব্র রোদ, আবার হঠাৎ বৃষ্টির কারণে ধান কাটা ও শুকাতে চরম সমস্যায় পড়ছেন কৃষকরা। অনেক এলাকায় বৃষ্টির পানিতে ধান তলিয়ে যাচ্ছে, ফলে বাড়ছে বাড়তি খরচ।

বিশেষ করে টুঙ্গিপাড়ার কিছু এলাকায় কৃষকদের হাটুপানিতে নেমে ধান কাটতে দেখা গেছে। পরে সেই ধান নৌকায় করে বাড়িতে আনতে হচ্ছে, যা শ্রম ও ব্যয় উভয়ই বাড়িয়ে দিচ্ছে। শ্রমিক সংকটও পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে।

সব মিলিয়ে এবারের বোরো মৌসুমে কাঙ্ক্ষিত লাভের মুখ দেখতে পারছেন না গোপালগঞ্জের কৃষকরা। তবে তাদের আশা-সরকার ধানের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করলে কিছুটা হলেও ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব হবে।

#গোপালগঞ্জ_সংবাদ #বোরোধান #কৃষকসমস্যা

চেকপোস্ট

মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬


গোপালগঞ্জে শেষ ধাপের বোরো কাটাই, তবু লাভের মুখ নেই কৃষকের

প্রকাশের তারিখ : ১৯ মে ২০২৬

featured Image

গোপালগঞ্জে বোরো ধান কাটার মৌসুম প্রায় শেষের দিকে। জেলার বিভিন্ন এলাকায় কৃষকরা শেষ মুহূর্তের ধান কেটে ঘরে তুলতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। অধিকাংশ জমির ধান ইতোমধ্যে কাটা শেষ হয়েছে, বাকি অল্প কিছু জমির ধানও আগামী ৬-৭ দিনের মধ্যে শেষ হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তবে মৌসুমের শেষ সময়ে এসে কৃষকদের মুখে নেই স্বস্তির হাসি। চলতি মৌসুমে ফলন কম হওয়া এবং বাজারে ধানের দাম আশানুরূপ না থাকায় তারা চরম হতাশায় পড়েছেন। বর্তমানে গোপালগঞ্জে প্রতি মণ ধান বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকা দরে। অথচ শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি ১২০০ থেকে ১৩০০ টাকা পর্যন্ত হওয়ায় উৎপাদন খরচ তুলতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে কৃষকদের।

কৃষকদের অভিযোগ, ধানের ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় লাভের পরিবর্তে লোকসানের আশঙ্কা বাড়ছে। তাই তারা সরকারের কাছে ধানের দাম বৃদ্ধি এবং কৃষি সহায়তা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন।

এদিকে আবহাওয়ার বিরূপ পরিস্থিতিও দুর্ভোগ বাড়িয়েছে। কখনো তীব্র রোদ, আবার হঠাৎ বৃষ্টির কারণে ধান কাটা ও শুকাতে চরম সমস্যায় পড়ছেন কৃষকরা। অনেক এলাকায় বৃষ্টির পানিতে ধান তলিয়ে যাচ্ছে, ফলে বাড়ছে বাড়তি খরচ।

বিশেষ করে টুঙ্গিপাড়ার কিছু এলাকায় কৃষকদের হাটুপানিতে নেমে ধান কাটতে দেখা গেছে। পরে সেই ধান নৌকায় করে বাড়িতে আনতে হচ্ছে, যা শ্রম ও ব্যয় উভয়ই বাড়িয়ে দিচ্ছে। শ্রমিক সংকটও পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে।

সব মিলিয়ে এবারের বোরো মৌসুমে কাঙ্ক্ষিত লাভের মুখ দেখতে পারছেন না গোপালগঞ্জের কৃষকরা। তবে তাদের আশা-সরকার ধানের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করলে কিছুটা হলেও ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব হবে।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত