গোপালগঞ্জে বাবাকে হত্যার দায়ে আলীম কাজী (২৫) নামে এক যুবককে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। অনাদায়ে আরও ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে গোপালগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মাদ সামছুল হক জনাকীর্ণ আদালতে এ রায় ঘোষণা করেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, আলীম কাজী গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চর মানিকদাহ গ্রামের কাজীর বাজার এলাকার বাসিন্দা এবং নিহত ইসমাইল কাজীর ছেলে।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, আলীম দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন। ২০২৩ সালের ১২ মে সন্ধ্যায় মাদক সেবন করে বাড়িতে ফিরে তিনি ভাঙচুর ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন। এ সময় তার বাবা ইসমাইল কাজী বাধা দিলে আলীম ক্ষুব্ধ হয়ে তাকে হুমকি দিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান।
পরদিন ১৩ মে সকালে ইসমাইল কাজী বাড়ির পাশে আখ বিক্রির জন্য আখ পরিষ্কার করছিলেন। অভিযোগ অনুযায়ী, এ সময় আলীম ধারালো একটি বটি দিয়ে তার বাবার গলায় আঘাত করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় ইসমাইল কাজীকে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
ঘটনার পর নিহতের বড় ছেলে সেলিম কাজী বাদী হয়ে গোপালগঞ্জ সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করলে সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে আদালত আলীম কাজীকে দোষী সাব্যস্ত করেন।
রায়ে আদালত দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় আলীম কাজীকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড, ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং জরিমানার অর্থ অনাদায়ে অতিরিক্ত ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন। একই সঙ্গে সাজাপ্রাপ্তকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুলাই ২০২৬
গোপালগঞ্জে বাবাকে হত্যার দায়ে আলীম কাজী (২৫) নামে এক যুবককে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। অনাদায়ে আরও ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে গোপালগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মাদ সামছুল হক জনাকীর্ণ আদালতে এ রায় ঘোষণা করেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, আলীম কাজী গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চর মানিকদাহ গ্রামের কাজীর বাজার এলাকার বাসিন্দা এবং নিহত ইসমাইল কাজীর ছেলে।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, আলীম দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন। ২০২৩ সালের ১২ মে সন্ধ্যায় মাদক সেবন করে বাড়িতে ফিরে তিনি ভাঙচুর ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন। এ সময় তার বাবা ইসমাইল কাজী বাধা দিলে আলীম ক্ষুব্ধ হয়ে তাকে হুমকি দিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান।
পরদিন ১৩ মে সকালে ইসমাইল কাজী বাড়ির পাশে আখ বিক্রির জন্য আখ পরিষ্কার করছিলেন। অভিযোগ অনুযায়ী, এ সময় আলীম ধারালো একটি বটি দিয়ে তার বাবার গলায় আঘাত করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় ইসমাইল কাজীকে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
ঘটনার পর নিহতের বড় ছেলে সেলিম কাজী বাদী হয়ে গোপালগঞ্জ সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করলে সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে আদালত আলীম কাজীকে দোষী সাব্যস্ত করেন।
রায়ে আদালত দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় আলীম কাজীকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড, ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং জরিমানার অর্থ অনাদায়ে অতিরিক্ত ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন। একই সঙ্গে সাজাপ্রাপ্তকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
