শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

মারধরের শিকার প্রেমিক ও দুই সঙ্গী

গোপালগঞ্জে প্রেমিককে ডেকে এনে আটকে রাখার অভিযোগ, উদ্ধার করল পুলিশ

গোপালগঞ্জে প্রেমিককে ডেকে এনে আটকে রাখার অভিযোগ, উদ্ধার করল পুলিশ
ছবি: চেকপোস্ট

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলায় এক গৃহবধূর ডাকে তাঁর প্রেমিক বাড়িতে এলে তাঁকে ও তাঁর দুই সঙ্গীকে মারধর করে একটি মাদ্রাসার কক্ষে আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

শুক্রবার সকালে সদর উপজেলার মাঝিগাতী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার পালেরচর গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে তরিকুল ইসলামের সঙ্গে বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার বাসিন্দা এবং বর্তমানে মাঝিগাতী গ্রামের বাসিন্দা ফাতেমা বেগমের দীর্ঘদিনের পরিচয় ও প্রেমের সম্পর্ক ছিল বলে দাবি করা হয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, ঈদের দিন সকালে ফাতেমা বেগম ফোন করে তরিকুল ইসলামকে তাঁর স্বামীর বাড়ি থেকে নিয়ে যেতে বলেন। পরে সকাল ৭টার দিকে তরিকুল ইসলাম তাঁর বন্ধু শাহীন শেখ ও অপু কুণ্ডুকে সঙ্গে নিয়ে মাঝিগাতী এলাকায় ফাতেমার বাড়িতে যান।

এ সময় ফাতেমার স্বামী রশীদ ইব্রাহিম ও তাঁর সহযোগীরা তাঁদের ওপর হামলা চালিয়ে মারধর করেন এবং ভবানীপুর মাদ্রাসার একটি কক্ষে তালাবদ্ধ করে আটকে রাখেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

ঘটনার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুপুর আড়াইটার দিকে মাদ্রাসার তালাবদ্ধ কক্ষ থেকে তিনজনকে উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ সদর থানায় নিয়ে যায়।

তরিকুল ইসলাম দাবি করেন, ফাতেমার সঙ্গে আমার চার বছরের সম্পর্ক। তিনি আমাকে ফোন করে আসতে বলেছিলেন। পরে তাঁকে নিতে গেলে আমাদের মারধর করে মাদ্রাসায় আটকে রাখা হয়।

ফাতেমা বেগমও বলেন, আমি তরিকুলকে আসতে বলেছিলাম। পরে আমার স্বামী ও তাঁর লোকজন তাঁদের মারধর করে মাদ্রাসায় আটকে রাখে।

এ বিষয়ে গোপালগঞ্জ সদর থানার তদন্ত কর্মকর্তা নয়ন চন্দ্র দেবনাথ বলেন, পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে আটকে রাখা ব্যক্তিদের উদ্ধার করেছে। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে।

#গোপালগঞ্জ_সংবাদ #প্রেমিক_আটক #পুলিশ_উদ্ধার

চেকপোস্ট

শনিবার, ৩০ মে ২০২৬


গোপালগঞ্জে প্রেমিককে ডেকে এনে আটকে রাখার অভিযোগ, উদ্ধার করল পুলিশ

প্রকাশের তারিখ : ৩০ মে ২০২৬

featured Image

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলায় এক গৃহবধূর ডাকে তাঁর প্রেমিক বাড়িতে এলে তাঁকে ও তাঁর দুই সঙ্গীকে মারধর করে একটি মাদ্রাসার কক্ষে আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

শুক্রবার সকালে সদর উপজেলার মাঝিগাতী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার পালেরচর গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে তরিকুল ইসলামের সঙ্গে বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার বাসিন্দা এবং বর্তমানে মাঝিগাতী গ্রামের বাসিন্দা ফাতেমা বেগমের দীর্ঘদিনের পরিচয় ও প্রেমের সম্পর্ক ছিল বলে দাবি করা হয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, ঈদের দিন সকালে ফাতেমা বেগম ফোন করে তরিকুল ইসলামকে তাঁর স্বামীর বাড়ি থেকে নিয়ে যেতে বলেন। পরে সকাল ৭টার দিকে তরিকুল ইসলাম তাঁর বন্ধু শাহীন শেখ ও অপু কুণ্ডুকে সঙ্গে নিয়ে মাঝিগাতী এলাকায় ফাতেমার বাড়িতে যান।

এ সময় ফাতেমার স্বামী রশীদ ইব্রাহিম ও তাঁর সহযোগীরা তাঁদের ওপর হামলা চালিয়ে মারধর করেন এবং ভবানীপুর মাদ্রাসার একটি কক্ষে তালাবদ্ধ করে আটকে রাখেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

ঘটনার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুপুর আড়াইটার দিকে মাদ্রাসার তালাবদ্ধ কক্ষ থেকে তিনজনকে উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ সদর থানায় নিয়ে যায়।

তরিকুল ইসলাম দাবি করেন, ফাতেমার সঙ্গে আমার চার বছরের সম্পর্ক। তিনি আমাকে ফোন করে আসতে বলেছিলেন। পরে তাঁকে নিতে গেলে আমাদের মারধর করে মাদ্রাসায় আটকে রাখা হয়।

ফাতেমা বেগমও বলেন, আমি তরিকুলকে আসতে বলেছিলাম। পরে আমার স্বামী ও তাঁর লোকজন তাঁদের মারধর করে মাদ্রাসায় আটকে রাখে।

এ বিষয়ে গোপালগঞ্জ সদর থানার তদন্ত কর্মকর্তা নয়ন চন্দ্র দেবনাথ বলেন, পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে আটকে রাখা ব্যক্তিদের উদ্ধার করেছে। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত