চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মো. রাজু আহম্মেদ (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)।
শনিবার (৩০ আগস্ট ২০২৬) দুপুর ২টা থেকে সাড়ে ২টা পর্যন্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানাধীন পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের জয়নগর বটতলাহাট গরুর হাট এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
গ্রেপ্তার রাজু আহম্মেদ জয়নগর মীরপাড়া এলাকার মৃত আব্দুল লতিফের ছেলে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিএনসির একটি আভিযানিক দল জয়নগর বটতলাহাট এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় রাজু আহম্মেদকে আটক করা হয়। পরে তাঁর দেহ তল্লাশি করে ১৫ পিস নিষিদ্ধ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার ও জব্দ করা হয়।
এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মুস্তাফিজুর রহমান বাদী হয়ে রাজু আহম্মেদের বিরুদ্ধে সদর মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন।
মামলার পরবর্তী আইনি কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জেলাজুড়ে মাদকের বিস্তার রোধে এ ধরনের মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।

রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ আগস্ট ২০২৬
চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মো. রাজু আহম্মেদ (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)।
শনিবার (৩০ আগস্ট ২০২৬) দুপুর ২টা থেকে সাড়ে ২টা পর্যন্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানাধীন পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের জয়নগর বটতলাহাট গরুর হাট এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
গ্রেপ্তার রাজু আহম্মেদ জয়নগর মীরপাড়া এলাকার মৃত আব্দুল লতিফের ছেলে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিএনসির একটি আভিযানিক দল জয়নগর বটতলাহাট এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় রাজু আহম্মেদকে আটক করা হয়। পরে তাঁর দেহ তল্লাশি করে ১৫ পিস নিষিদ্ধ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার ও জব্দ করা হয়।
এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মুস্তাফিজুর রহমান বাদী হয়ে রাজু আহম্মেদের বিরুদ্ধে সদর মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন।
মামলার পরবর্তী আইনি কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জেলাজুড়ে মাদকের বিস্তার রোধে এ ধরনের মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।
