রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার গঙ্গাচড়া ইউনিয়নের নবনীদাস চাঁদনীপাড়া এলাকায় পূর্ব বিরোধের জেরে নারীসহ একই পরিবারের চারজনকে মারধর, বসতবাড়িতে ভাঙচুর এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় গঙ্গাচড়া মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী দ্বিপলাল রবিদাস (৪৮)।
অভিযোগকারী উপজেলার নবনীদাস চাঁদনীপাড়া গ্রামের মৃত দুখী রাম রবিদাসের ছেলে। অভিযোগে একই এলাকার মো. মনতাজ আলী (৪৫), মোছা. হাবিবা বেগম (৪০) ও মোছা. মারিয়া খাতুন (১৮)-কে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
লিখিত অভিযোগে বলা হয়, গত ১৭ জুলাই দুপুর আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটে অভিযোগকারীর নাতি রুদ্র রবিদাস (৬) বাড়ির সামনে খেলছিল। এ সময় রাস্তা দিয়ে চলাচলকে কেন্দ্র করে অভিযুক্তরা শিশুটিকে গালিগালাজ করেন। একপর্যায়ে মনতাজ আলী শিশুটিকে ধাক্কা দিলে সে গাছের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে মাথায় আঘাত পায় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঘটনার প্রতিবাদ করতে গেলে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, একপর্যায়ে অভিযুক্তরা সংঘবদ্ধভাবে অভিযোগকারীর স্ত্রী কিশমতি রাণী রবিদাস (৪২)-এর ওপর হামলা চালান। তাকে লাঠিসোটা দিয়ে মারধর করে মাথা, কাঁধ, পিঠ, হাত-পা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করা হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, তাকে উদ্ধার করতে এগিয়ে গেলে অভিযোগকারীর মেয়ে পারুল রাণী (১৮) এবং পুত্রবধূ রিয়া মনি (২০)-কেও মারধর করা হয়। এতে তারা আহত হন।
এছাড়া হামলার সময় বসতবাড়ির টিনের বেড়া, গেটসহ বিভিন্ন মালামাল ভাঙচুর করে প্রায় ১০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি করা হয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে গঙ্গাচড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। তারা বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ভুক্তভোগী দ্বিপলাল রবিদাস অভিযোগ করেন, হামলার সময় অভিযুক্তরা তাদের প্রাণনাশের হুমকি দেন এবং ভবিষ্যতে আরও ক্ষতি করার ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন।
তবে এ অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
গঙ্গাচড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস ছবুর বলেন, একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

রোববার, ১৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুলাই ২০২৬
রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার গঙ্গাচড়া ইউনিয়নের নবনীদাস চাঁদনীপাড়া এলাকায় পূর্ব বিরোধের জেরে নারীসহ একই পরিবারের চারজনকে মারধর, বসতবাড়িতে ভাঙচুর এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় গঙ্গাচড়া মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী দ্বিপলাল রবিদাস (৪৮)।
অভিযোগকারী উপজেলার নবনীদাস চাঁদনীপাড়া গ্রামের মৃত দুখী রাম রবিদাসের ছেলে। অভিযোগে একই এলাকার মো. মনতাজ আলী (৪৫), মোছা. হাবিবা বেগম (৪০) ও মোছা. মারিয়া খাতুন (১৮)-কে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
লিখিত অভিযোগে বলা হয়, গত ১৭ জুলাই দুপুর আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটে অভিযোগকারীর নাতি রুদ্র রবিদাস (৬) বাড়ির সামনে খেলছিল। এ সময় রাস্তা দিয়ে চলাচলকে কেন্দ্র করে অভিযুক্তরা শিশুটিকে গালিগালাজ করেন। একপর্যায়ে মনতাজ আলী শিশুটিকে ধাক্কা দিলে সে গাছের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে মাথায় আঘাত পায় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঘটনার প্রতিবাদ করতে গেলে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, একপর্যায়ে অভিযুক্তরা সংঘবদ্ধভাবে অভিযোগকারীর স্ত্রী কিশমতি রাণী রবিদাস (৪২)-এর ওপর হামলা চালান। তাকে লাঠিসোটা দিয়ে মারধর করে মাথা, কাঁধ, পিঠ, হাত-পা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করা হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, তাকে উদ্ধার করতে এগিয়ে গেলে অভিযোগকারীর মেয়ে পারুল রাণী (১৮) এবং পুত্রবধূ রিয়া মনি (২০)-কেও মারধর করা হয়। এতে তারা আহত হন।
এছাড়া হামলার সময় বসতবাড়ির টিনের বেড়া, গেটসহ বিভিন্ন মালামাল ভাঙচুর করে প্রায় ১০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি করা হয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে গঙ্গাচড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। তারা বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ভুক্তভোগী দ্বিপলাল রবিদাস অভিযোগ করেন, হামলার সময় অভিযুক্তরা তাদের প্রাণনাশের হুমকি দেন এবং ভবিষ্যতে আরও ক্ষতি করার ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন।
তবে এ অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
গঙ্গাচড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস ছবুর বলেন, একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
