মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

দ্রুত তদন্ত চায় এলাকাবাসী

খুলনার ডুমুরিয়া ভদ্রানদী খননের মাটি বিক্রি সিন্ডিকেট আবারও সক্রিয়

খুলনার ডুমুরিয়া ভদ্রানদী খননের মাটি বিক্রি সিন্ডিকেট আবারও সক্রিয়
ছবি : চেকপোস্ট

খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার ভদ্রা নদী খনন প্রকল্পের মাটি বিক্রি ও অপসারণকে কেন্দ্র করে আবারও সক্রিয় ওয়ে উঠেছে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট চক্র এমন অভিযোগ উঠেছে। সরকারি নির্দেশনা ও পুর্বের অভিযানের পরও ট্রাক ও ট্রাক্টরে করে খননের মাটি বিক্রি করা হচ্ছে দেদারসে। স্থানীয়দের দাবি, নদী খননের মাটি নির্ধারিত স্থানে সংরক্ষণ ও সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবস্থাপনার কথা থাকলেও তা উপেক্ষা করে প্রভাবশালী একটি চক্র রাত- দিন মাটি সরিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তি ও  প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রি করে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। এ চক্রের মুল হোতা খর্নিয়ার পাঁচ পোতা এলাকার মাটি খেকো রফিক। এতে সরকারের রাজস্ব ক্ষতির পাশাপাশি প্রকল্পের উদ্দেশ্যেও মারাত্মক হারে ব্যাহত হচ্ছে। তবে তাদের এ অবৈধ কাজে সহযোগিতা করছে স্থানীয় এক জনপ্রতিনিধি বলে একাধিক সুত্র জানিয়েছেন। এদিকে  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সবিতা সরকার ও সহকারী কমিশনার ( ভুমি) অমিত কুমার বিশ্বাসকে একাধিকবার জানালেও অজ্ঞাত কারনে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি। প্রশাসনের এ ধরনের ভুমিকা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে? তবে উপজেলা প্রকৌশলী মুহাম্মদ দারুণ হুদা বলেন, নির্মানাধীন ব্রিজের নিচে থেকে ঠিকাদারের নদী ভরাটি মাটি অপসারণের কথা আছে ঠিকই কিন্তু খননকৃত মাটি স্থানান্তর বা অন্যত্র বিক্রি করার কোন বিধান নেই। এর আগে কয়েকটি পত্রিকায় " ভদ্রানদী খননের মাটি হটিলুট " প্রশাসন নিরব" শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পর নড়ে চড়ে বসে প্রশাসন। এরপর ৬ জুন উপজেলা সহকারী কমিশনার ( ভুমি) নির্বাহী ম্যাজিস্টেট অমিত কুমার বিশ্বাস স্বরজমিনে এসে খবরের সত্যতা পাওয়ায় মাটি অপসারণ ও অনিয়মের অভিযোগে অভিযান পরিচালনা করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে মাটি ব্যবসায়ী রফিক ফকিরকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছিলেন। তবে সেই অভিযানের পর কিছুদিন কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও বর্তমানে আবারও একই চক্র সক্রিয় হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। গত ২৬ জুন শুক্রবার দিনব্যাপী ব্যাক্তি বাড়ি ও কৃষি জমি ভরাট কার্যক্রম চালিয়েছে বীরদর্পে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মাটি ক্রেতা বলেন, আমরা উপরি মহল ম্যানেজ করে রফিকের কাছ থেকে মাটি কিনে এসব ভরাট করছি। এবিষয়ে এলাকাবাসী দ্রুত তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নদী খনন প্রকল্পে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

#ডুমুরিয়া #ভদ্রানদী #অবৈধমাটিবিক্রি

চেকপোস্ট

মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬


খুলনার ডুমুরিয়া ভদ্রানদী খননের মাটি বিক্রি সিন্ডিকেট আবারও সক্রিয়

প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুন ২০২৬

featured Image

খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার ভদ্রা নদী খনন প্রকল্পের মাটি বিক্রি ও অপসারণকে কেন্দ্র করে আবারও সক্রিয় ওয়ে উঠেছে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট চক্র এমন অভিযোগ উঠেছে। সরকারি নির্দেশনা ও পুর্বের অভিযানের পরও ট্রাক ও ট্রাক্টরে করে খননের মাটি বিক্রি করা হচ্ছে দেদারসে। স্থানীয়দের দাবি, নদী খননের মাটি নির্ধারিত স্থানে সংরক্ষণ ও সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবস্থাপনার কথা থাকলেও তা উপেক্ষা করে প্রভাবশালী একটি চক্র রাত- দিন মাটি সরিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তি ও  প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রি করে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। এ চক্রের মুল হোতা খর্নিয়ার পাঁচ পোতা এলাকার মাটি খেকো রফিক। এতে সরকারের রাজস্ব ক্ষতির পাশাপাশি প্রকল্পের উদ্দেশ্যেও মারাত্মক হারে ব্যাহত হচ্ছে। তবে তাদের এ অবৈধ কাজে সহযোগিতা করছে স্থানীয় এক জনপ্রতিনিধি বলে একাধিক সুত্র জানিয়েছেন। এদিকে  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সবিতা সরকার ও সহকারী কমিশনার ( ভুমি) অমিত কুমার বিশ্বাসকে একাধিকবার জানালেও অজ্ঞাত কারনে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি। প্রশাসনের এ ধরনের ভুমিকা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে? তবে উপজেলা প্রকৌশলী মুহাম্মদ দারুণ হুদা বলেন, নির্মানাধীন ব্রিজের নিচে থেকে ঠিকাদারের নদী ভরাটি মাটি অপসারণের কথা আছে ঠিকই কিন্তু খননকৃত মাটি স্থানান্তর বা অন্যত্র বিক্রি করার কোন বিধান নেই। এর আগে কয়েকটি পত্রিকায় " ভদ্রানদী খননের মাটি হটিলুট " প্রশাসন নিরব" শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পর নড়ে চড়ে বসে প্রশাসন। এরপর ৬ জুন উপজেলা সহকারী কমিশনার ( ভুমি) নির্বাহী ম্যাজিস্টেট অমিত কুমার বিশ্বাস স্বরজমিনে এসে খবরের সত্যতা পাওয়ায় মাটি অপসারণ ও অনিয়মের অভিযোগে অভিযান পরিচালনা করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে মাটি ব্যবসায়ী রফিক ফকিরকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছিলেন। তবে সেই অভিযানের পর কিছুদিন কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও বর্তমানে আবারও একই চক্র সক্রিয় হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। গত ২৬ জুন শুক্রবার দিনব্যাপী ব্যাক্তি বাড়ি ও কৃষি জমি ভরাট কার্যক্রম চালিয়েছে বীরদর্পে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মাটি ক্রেতা বলেন, আমরা উপরি মহল ম্যানেজ করে রফিকের কাছ থেকে মাটি কিনে এসব ভরাট করছি। এবিষয়ে এলাকাবাসী দ্রুত তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নদী খনন প্রকল্পে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত