খুলনা নগরীর নিরালা প্রান্তিক আবাসিক এলাকার ৩ নম্বর গলিতে উদ্ধার হওয়া বস্তাবন্দি কিশোরীর পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। নিহতের নাম নির্ঝরা (১৭)। তিনি খুলনার বসুপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তার বাবা মো. আলিম এবং মা সীমা আক্তার। মরদেহটি শনাক্ত করেছেন নিহতের মা সীমা আক্তার।
এর আগে গত ৮ জুলাই রাত প্রায় ৮টার দিকে নিরালা প্রান্তিক আবাসিক এলাকার ৩ নম্বর গলি থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার পর পিবিআই, সিআইডিসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাধিক সংস্থা পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চালায়। পরে পরিবারের সদস্যরা এসে মরদেহ শনাক্ত করেন।
প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, নিহতের মাথার পেছনে ধারালো অস্ত্রের গভীর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ওই আঘাতেই তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হলেও, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত চলছে।
মরদেহ উদ্ধারের সময় দেখা যায়, কিশোরীর হাত-পা পাটের দড়ি দিয়ে বাঁধা ছিল। মরদেহটি একটি কালো রঙের লুঙ্গিতে জড়িয়ে বস্তার মধ্যে রাখা হয়েছিল।
স্থানীয়দের ভাষ্য, একটি লাল রঙের মোটরসাইকেলে করে আসা এক ব্যক্তি জনসম্মুখেই বস্তাটি ফেলে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। এরপর খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, নিহতের মা সীমা আক্তার মরদেহ শনাক্ত করেছেন। নির্ঝরা হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক টিম কাজ করছে। তদন্ত শেষে ঘটনার বিস্তারিত জানানো হবে।

বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুলাই ২০২৬
খুলনা নগরীর নিরালা প্রান্তিক আবাসিক এলাকার ৩ নম্বর গলিতে উদ্ধার হওয়া বস্তাবন্দি কিশোরীর পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। নিহতের নাম নির্ঝরা (১৭)। তিনি খুলনার বসুপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তার বাবা মো. আলিম এবং মা সীমা আক্তার। মরদেহটি শনাক্ত করেছেন নিহতের মা সীমা আক্তার।
এর আগে গত ৮ জুলাই রাত প্রায় ৮টার দিকে নিরালা প্রান্তিক আবাসিক এলাকার ৩ নম্বর গলি থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার পর পিবিআই, সিআইডিসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাধিক সংস্থা পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চালায়। পরে পরিবারের সদস্যরা এসে মরদেহ শনাক্ত করেন।
প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, নিহতের মাথার পেছনে ধারালো অস্ত্রের গভীর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ওই আঘাতেই তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হলেও, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত চলছে।
মরদেহ উদ্ধারের সময় দেখা যায়, কিশোরীর হাত-পা পাটের দড়ি দিয়ে বাঁধা ছিল। মরদেহটি একটি কালো রঙের লুঙ্গিতে জড়িয়ে বস্তার মধ্যে রাখা হয়েছিল।
স্থানীয়দের ভাষ্য, একটি লাল রঙের মোটরসাইকেলে করে আসা এক ব্যক্তি জনসম্মুখেই বস্তাটি ফেলে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। এরপর খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, নিহতের মা সীমা আক্তার মরদেহ শনাক্ত করেছেন। নির্ঝরা হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক টিম কাজ করছে। তদন্ত শেষে ঘটনার বিস্তারিত জানানো হবে।
