কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। রোববার সন্ধ্যায় উপজেলার ছেঁউড়িয়ায় লালন আখড়াবাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় তাকে লক্ষ্য করে ডিম নিক্ষেপের পাশাপাশি তাকে বহনকারী গাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়।
ঘটনার পর পুলিশ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়। কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার আমিনুল ইসলাম হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে নিশ্চিত করলেও গাড়ি ভাঙচুরের বিষয়টি তিনি জানেন না বলে জানান।
সেখানে গান শুনে বের হওয়ার সময় দুজন নারী নাসীরুদ্দীনের সঙ্গে ছবি তুলতে চাইলে ঠিক তখনই তাকে লক্ষ্য করে একজন ডিম ছোড়েন বলে দাবি করেন শোভন।
এর পরপরই ২০ থেকে ২৫ জনের একটি দল এসে গালাগালি শুরু করে এবং তাকে মারতে উদ্যত হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। হামলাকারীদের হাতে লাঠিসোঁটা ছিল বলেও দাবি করা হয়েছে।
নেতা-কর্মীরা নাসীরুদ্দীনকে ঘিরে রক্ষা করার চেষ্টা করেন। এ সময় এনসিপির কয়েকজন নেতা-কর্মী আহত হন বলে দাবি করা হয়েছে। পরে আখড়াবাড়ির প্রধান ফটকের সামনে থাকা গাড়িতে ইট নিক্ষেপ করে কাচ ভাঙচুর করা হয়।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোজাক্কির রহমান রাব্বী। তিনি বলেন, নাসীরুদ্দীনের ওপর হামলা হয়ে থাকলে তা অবশ্যই নিন্দনীয়। ছাত্রদল ‘মব কালচারের’ রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না এবং হামলার সঙ্গে সংগঠনটির কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
এর আগে রাত ৯টার দিকে কুমারখালী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক লুৎফর রহমান ও উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব আবু কাউছারসহ অর্ধশতাধিক নেতা-কর্মী ওসির কক্ষে প্রবেশ করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, কিছুক্ষণ পর বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা কক্ষ থেকে বের হয়ে থানার প্রাঙ্গণে অবস্থান নেন। অন্যদিকে এনসিপির নেতা-কর্মীরা ভেতরে অবস্থান করে মামলা নিয়ে ওসির সঙ্গে কথা বলতে থাকেন।
রাত ১১টা পর্যন্ত এনসিপির নেতা-কর্মীরা থানার ভেতরে এবং বিএনপির নেতা-কর্মীরা বাইরে অবস্থান করছিলেন।
এদিকে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে কুষ্টিয়া জেলা জামায়াতে ইসলামী।

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ অক্টোবর ২০২৬
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। রোববার সন্ধ্যায় উপজেলার ছেঁউড়িয়ায় লালন আখড়াবাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় তাকে লক্ষ্য করে ডিম নিক্ষেপের পাশাপাশি তাকে বহনকারী গাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়।
ঘটনার পর পুলিশ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়। কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার আমিনুল ইসলাম হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে নিশ্চিত করলেও গাড়ি ভাঙচুরের বিষয়টি তিনি জানেন না বলে জানান।
সেখানে গান শুনে বের হওয়ার সময় দুজন নারী নাসীরুদ্দীনের সঙ্গে ছবি তুলতে চাইলে ঠিক তখনই তাকে লক্ষ্য করে একজন ডিম ছোড়েন বলে দাবি করেন শোভন।
এর পরপরই ২০ থেকে ২৫ জনের একটি দল এসে গালাগালি শুরু করে এবং তাকে মারতে উদ্যত হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। হামলাকারীদের হাতে লাঠিসোঁটা ছিল বলেও দাবি করা হয়েছে।
নেতা-কর্মীরা নাসীরুদ্দীনকে ঘিরে রক্ষা করার চেষ্টা করেন। এ সময় এনসিপির কয়েকজন নেতা-কর্মী আহত হন বলে দাবি করা হয়েছে। পরে আখড়াবাড়ির প্রধান ফটকের সামনে থাকা গাড়িতে ইট নিক্ষেপ করে কাচ ভাঙচুর করা হয়।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোজাক্কির রহমান রাব্বী। তিনি বলেন, নাসীরুদ্দীনের ওপর হামলা হয়ে থাকলে তা অবশ্যই নিন্দনীয়। ছাত্রদল ‘মব কালচারের’ রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না এবং হামলার সঙ্গে সংগঠনটির কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
এর আগে রাত ৯টার দিকে কুমারখালী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক লুৎফর রহমান ও উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব আবু কাউছারসহ অর্ধশতাধিক নেতা-কর্মী ওসির কক্ষে প্রবেশ করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, কিছুক্ষণ পর বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা কক্ষ থেকে বের হয়ে থানার প্রাঙ্গণে অবস্থান নেন। অন্যদিকে এনসিপির নেতা-কর্মীরা ভেতরে অবস্থান করে মামলা নিয়ে ওসির সঙ্গে কথা বলতে থাকেন।
রাত ১১টা পর্যন্ত এনসিপির নেতা-কর্মীরা থানার ভেতরে এবং বিএনপির নেতা-কর্মীরা বাইরে অবস্থান করছিলেন।
এদিকে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে কুষ্টিয়া জেলা জামায়াতে ইসলামী।
