‘শিক্ষকরাই জাতি গঠনের কারিগর’ এই চেতনাকে সামনে রেখে কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে যথাযোগ্য মর্যাদা ও শ্রদ্ধার সঙ্গে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত হয়েছে।
দিবসটি উপলক্ষে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে নানা কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় শিক্ষার্থীরা তাদের প্রিয় শিক্ষকদের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা প্রকাশ করেন। পাশাপাশি শিক্ষার মানোন্নয়ন, শিক্ষকদের মর্যাদা এবং শিক্ষিত ও সুন্দর সমাজ গঠনে শিক্ষকদের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হয়।
বক্তারা বলেন, শিক্ষকরা শুধু পাঠ্যবইয়ের জ্ঞান প্রদান করেন না; তারা শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, মানবিকতা, শৃঙ্খলা, দেশপ্রেম ও মূল্যবোধের শিক্ষা দেন। একজন শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ গঠনে পরিবারের পাশাপাশি শিক্ষকের ভূমিকাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তারা আরও বলেন, একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশ গড়তে শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। আর মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে হলে শিক্ষকদের যথাযথ সম্মান, মর্যাদা ও প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা জরুরি। শিক্ষকদের জ্ঞান, আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার মাধ্যমেই শিক্ষার্থীদের মেধা ও প্রতিভার বিকাশ ঘটে।
দিবসটি উপলক্ষে শিক্ষার্থীরা শিক্ষকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর পারস্পরিক সম্পর্ক আরও সুন্দর, কার্যকর ও বন্ধুত্বপূর্ণ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।
শিক্ষকদের জ্ঞান, আদর্শ ও নিষ্ঠায় গড়ে উঠুক আগামী দিনের আলোকিত প্রজন্ম এমন প্রত্যাশার মধ্য দিয়ে ভূরুঙ্গামারীতে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত হয়েছে।

বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ অক্টোবর ২০২৬
‘শিক্ষকরাই জাতি গঠনের কারিগর’ এই চেতনাকে সামনে রেখে কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে যথাযোগ্য মর্যাদা ও শ্রদ্ধার সঙ্গে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত হয়েছে।
দিবসটি উপলক্ষে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে নানা কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় শিক্ষার্থীরা তাদের প্রিয় শিক্ষকদের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা প্রকাশ করেন। পাশাপাশি শিক্ষার মানোন্নয়ন, শিক্ষকদের মর্যাদা এবং শিক্ষিত ও সুন্দর সমাজ গঠনে শিক্ষকদের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হয়।
বক্তারা বলেন, শিক্ষকরা শুধু পাঠ্যবইয়ের জ্ঞান প্রদান করেন না; তারা শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, মানবিকতা, শৃঙ্খলা, দেশপ্রেম ও মূল্যবোধের শিক্ষা দেন। একজন শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ গঠনে পরিবারের পাশাপাশি শিক্ষকের ভূমিকাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তারা আরও বলেন, একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশ গড়তে শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। আর মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে হলে শিক্ষকদের যথাযথ সম্মান, মর্যাদা ও প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা জরুরি। শিক্ষকদের জ্ঞান, আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার মাধ্যমেই শিক্ষার্থীদের মেধা ও প্রতিভার বিকাশ ঘটে।
দিবসটি উপলক্ষে শিক্ষার্থীরা শিক্ষকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর পারস্পরিক সম্পর্ক আরও সুন্দর, কার্যকর ও বন্ধুত্বপূর্ণ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।
শিক্ষকদের জ্ঞান, আদর্শ ও নিষ্ঠায় গড়ে উঠুক আগামী দিনের আলোকিত প্রজন্ম এমন প্রত্যাশার মধ্য দিয়ে ভূরুঙ্গামারীতে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত হয়েছে।
