গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার ফুকরা ইউনিয়নে সরকারি খাস পুকুরপাড়ের মূল্যবান গাছ বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। অনুমতি ছাড়া ১১টি গাছ বিক্রির অভিযোগের পর গাছ কাটতে গিয়ে স্থানীয়দের বাধার মুখে পড়েন সংশ্লিষ্টরা।
ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার তারাইল বড় মাঠ সংলগ্ন সরকারি খাস পুকুরপাড়ে। অভিযোগ উঠেছে, একই গ্রামের মৃত জিন্নাত আলী মোল্যার ছেলে সোহেল মোল্যা সরকারি জায়গার ওই গাছগুলো বিক্রি করেছেন।
স্থানীয়রা জানান, পুকুরপাড়ে দেবদারু, উড়িয়াম, কড়াই ও লাটিমসহ বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় ১১টি গাছ ছিল। অভিযোগ অনুযায়ী, সরকারি অনুমোদন ছাড়াই এসব গাছ ২৫ হাজার টাকায় রিপন শেখের কাছে বিক্রি করা হয়।
বুধবার সকালে রিপন শেখ শ্রমিক নিয়ে গাছ কাটতে গেলে বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসে। পরে তারা বাধা দিয়ে প্রশাসনকে খবর দেন। খবর পেয়ে ফুকরা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে কাটা সাতটি গাছ জব্দ করেন। এ সময় বাকি চারটি গাছ অক্ষত ছিল।
অভিযোগ অস্বীকার করে সোহেল মোল্যা বলেন, তিনি পুকুরটি লিজ নিয়েছেন। পুকুরপাড় পরিষ্কার করে সেখানে নতুন গাছ লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে। তবে তিনি গাছ বিক্রির

শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ আগস্ট ২০২৬
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার ফুকরা ইউনিয়নে সরকারি খাস পুকুরপাড়ের মূল্যবান গাছ বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। অনুমতি ছাড়া ১১টি গাছ বিক্রির অভিযোগের পর গাছ কাটতে গিয়ে স্থানীয়দের বাধার মুখে পড়েন সংশ্লিষ্টরা।
ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার তারাইল বড় মাঠ সংলগ্ন সরকারি খাস পুকুরপাড়ে। অভিযোগ উঠেছে, একই গ্রামের মৃত জিন্নাত আলী মোল্যার ছেলে সোহেল মোল্যা সরকারি জায়গার ওই গাছগুলো বিক্রি করেছেন।
স্থানীয়রা জানান, পুকুরপাড়ে দেবদারু, উড়িয়াম, কড়াই ও লাটিমসহ বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় ১১টি গাছ ছিল। অভিযোগ অনুযায়ী, সরকারি অনুমোদন ছাড়াই এসব গাছ ২৫ হাজার টাকায় রিপন শেখের কাছে বিক্রি করা হয়।
বুধবার সকালে রিপন শেখ শ্রমিক নিয়ে গাছ কাটতে গেলে বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসে। পরে তারা বাধা দিয়ে প্রশাসনকে খবর দেন। খবর পেয়ে ফুকরা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে কাটা সাতটি গাছ জব্দ করেন। এ সময় বাকি চারটি গাছ অক্ষত ছিল।
অভিযোগ অস্বীকার করে সোহেল মোল্যা বলেন, তিনি পুকুরটি লিজ নিয়েছেন। পুকুরপাড় পরিষ্কার করে সেখানে নতুন গাছ লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে। তবে তিনি গাছ বিক্রির
