মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

পাওনা আদায়ে শ্রম আদালতে মামলা

কেপিসিএলের বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ, কর্মহীন শতাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী

কেপিসিএলের বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ, কর্মহীন শতাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী
ছবি : চেকপোস্ট

খুলনার কেপিসিএলের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো বন্ধ ও বিক্রি হয়ে যাওয়ার পর শতাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। চাকরিচ্যুত এসব কর্মী দাবি করছেন, দীর্ঘদিন চাকরি করার পর প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হলেও তাদের আইনানুগ পাওনা পরিশোধ করা হয়নি।

পাওনা টাকা আদায়ের দাবিতে কেপিসিএলের বিরুদ্ধে শ্রম আদালতে মামলা করেছেন চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এ বিষয়ে দায়ের করা মামলার নম্বর শ্রম-৬৮/২০২৫

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, খুলনার কাশিপুর-দৌলতপুর এলাকায় স্থাপিত ১১০ মেগাওয়াট ক্ষমতার বার্জভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি ১৯৯৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি দেশের বেসরকারি খাতের অন্যতম পুরোনো বিদ্যুৎকেন্দ্র।

ইউনাইটেড গ্রুপ ও সামিট গ্রুপের যৌথ মালিকানায় কেপিসিএল নামে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম শুরু হয়। পরে ২০১১ সালে ১১৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার এইচএফও চালিত কেপিসিএল ইউনিট-২ এবং একই বছরে যশোরের নওয়াপাড়া শিল্প এলাকায় ৪০ মেগাওয়াট ক্ষমতার আরেকটি বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করা হয়।

সংশ্লিষ্টদের দাবি, পরবর্তীতে এসব বিদ্যুৎকেন্দ্রের কার্যক্রম বন্ধ করে বিদেশি একটি প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, ২০২২ সালে খুলনার কাশিপুর-দৌলতপুর এলাকার ১১০ মেগাওয়াট ক্ষমতার বার্জভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ করা হয়। এরপর ২০২৪ সালে কেপিসিএল ইউনিট-২ এবং যশোরের নওয়াপাড়ার ৪০ মেগাওয়াট ক্ষমতার বিদ্যুৎকেন্দ্রের কার্যক্রমও বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

চাকরিচ্যুত কর্মীদের অভিযোগ, হঠাৎ করে বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ ও বিক্রি করে দেওয়ায় তারা কর্মসংস্থান হারিয়েছেন। অনেকেই বর্তমানে পরিবার নিয়ে আর্থিক সংকটে রয়েছেন।

তাদের দাবি, চাকরির মেয়াদ অনুযায়ী বেতন-ভাতা, ক্ষতিপূরণসহ অন্যান্য আইনানুগ পাওনা দ্রুত পরিশোধ করা হোক।

এ বিষয়ে কেপিসিএলের অপারেশনস মেইনটেন্যান্স বিভাগের দায়িত্বে থাকা মাশিউল ইসলাম বলেন, তার জানা মতে কোম্পানি সবার পাওনা পরিশোধ করেছে। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে হেড অফিসের ফিন্যান্স বিভাগে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন তিনি।

কেপিসিএলের চিফ ফিন্যান্স অফিসার মামুন সরোয়ার বলেন, শ্রম আদালতে মামলা হওয়ার বিষয়ে তিনি অবগত নন। তার দাবি, শ্রমিক ও কর্মকর্তাদের পাওনা বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে কেউ পাওনা দাবি করলে হেড অফিসে অভিযোগ করলে বিষয়টি দেখা হবে।

এদিকে চাকরিচ্যুত কর্মীরা বলছেন, শ্রম আদালতের মাধ্যমে দ্রুত বিষয়টির নিষ্পত্তি করে তাদের ন্যায্য পাওনা পরিশোধ করা হোক।

#খুলনার_সংবাদ #কেপিসিএল #শ্রম_আদালত

চেকপোস্ট

মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬


কেপিসিএলের বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ, কর্মহীন শতাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী

প্রকাশের তারিখ : ১৮ আগস্ট ২০২৬

featured Image

খুলনার কেপিসিএলের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো বন্ধ ও বিক্রি হয়ে যাওয়ার পর শতাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। চাকরিচ্যুত এসব কর্মী দাবি করছেন, দীর্ঘদিন চাকরি করার পর প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হলেও তাদের আইনানুগ পাওনা পরিশোধ করা হয়নি।

পাওনা টাকা আদায়ের দাবিতে কেপিসিএলের বিরুদ্ধে শ্রম আদালতে মামলা করেছেন চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এ বিষয়ে দায়ের করা মামলার নম্বর শ্রম-৬৮/২০২৫

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, খুলনার কাশিপুর-দৌলতপুর এলাকায় স্থাপিত ১১০ মেগাওয়াট ক্ষমতার বার্জভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি ১৯৯৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি দেশের বেসরকারি খাতের অন্যতম পুরোনো বিদ্যুৎকেন্দ্র।

ইউনাইটেড গ্রুপ ও সামিট গ্রুপের যৌথ মালিকানায় কেপিসিএল নামে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম শুরু হয়। পরে ২০১১ সালে ১১৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার এইচএফও চালিত কেপিসিএল ইউনিট-২ এবং একই বছরে যশোরের নওয়াপাড়া শিল্প এলাকায় ৪০ মেগাওয়াট ক্ষমতার আরেকটি বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করা হয়।

সংশ্লিষ্টদের দাবি, পরবর্তীতে এসব বিদ্যুৎকেন্দ্রের কার্যক্রম বন্ধ করে বিদেশি একটি প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, ২০২২ সালে খুলনার কাশিপুর-দৌলতপুর এলাকার ১১০ মেগাওয়াট ক্ষমতার বার্জভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ করা হয়। এরপর ২০২৪ সালে কেপিসিএল ইউনিট-২ এবং যশোরের নওয়াপাড়ার ৪০ মেগাওয়াট ক্ষমতার বিদ্যুৎকেন্দ্রের কার্যক্রমও বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

চাকরিচ্যুত কর্মীদের অভিযোগ, হঠাৎ করে বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ ও বিক্রি করে দেওয়ায় তারা কর্মসংস্থান হারিয়েছেন। অনেকেই বর্তমানে পরিবার নিয়ে আর্থিক সংকটে রয়েছেন।

তাদের দাবি, চাকরির মেয়াদ অনুযায়ী বেতন-ভাতা, ক্ষতিপূরণসহ অন্যান্য আইনানুগ পাওনা দ্রুত পরিশোধ করা হোক।

এ বিষয়ে কেপিসিএলের অপারেশনস মেইনটেন্যান্স বিভাগের দায়িত্বে থাকা মাশিউল ইসলাম বলেন, তার জানা মতে কোম্পানি সবার পাওনা পরিশোধ করেছে। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে হেড অফিসের ফিন্যান্স বিভাগে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন তিনি।

কেপিসিএলের চিফ ফিন্যান্স অফিসার মামুন সরোয়ার বলেন, শ্রম আদালতে মামলা হওয়ার বিষয়ে তিনি অবগত নন। তার দাবি, শ্রমিক ও কর্মকর্তাদের পাওনা বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে কেউ পাওনা দাবি করলে হেড অফিসে অভিযোগ করলে বিষয়টি দেখা হবে।

এদিকে চাকরিচ্যুত কর্মীরা বলছেন, শ্রম আদালতের মাধ্যমে দ্রুত বিষয়টির নিষ্পত্তি করে তাদের ন্যায্য পাওনা পরিশোধ করা হোক।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত