শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

সতর্ক অবস্থানে ছিল আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

আশুরা উপলক্ষে নাসিরনগরের খান্দুরায় তাজিয়া মিছিল ও জারি, নিরাপত্তায় পুলিশ

আশুরা উপলক্ষে নাসিরনগরের খান্দুরায় তাজিয়া মিছিল ও জারি, নিরাপত্তায় পুলিশ
ছবি: চেকপোস্ট

পবিত্র ১০ মহররম (আশুরা) উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার খান্দুরা গ্রামে তাজিয়া মিছিল, জারি ও বিভিন্ন ধর্মীয় কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। দিনব্যাপী আয়োজিত এসব অনুষ্ঠানে স্থানীয় শোকপালনকারীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এলাকাজুড়ে পুলিশের কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। চাপরতলা এলাকায় দায়িত্ব পালন করেন সহকারী বিট অফিসার জামাল।

তিনি বলেন, জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ দায়িত্ব পালন করছে, যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা বা বিশৃঙ্খলা না ঘটে। প্রত্যেক নাগরিকের নিজ নিজ ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী শান্তিপূর্ণভাবে ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালনের অধিকার রয়েছে এবং পুলিশ সেই নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন চাপরতলা ইউনিয়ন যুব সেনার সভাপতি মো. রাকিব মিয়া। তিনি বলেন, কারবালার ঘটনা ইসলামের ইতিহাসে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। হুসাইন ইবন আলী (রা.) ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের আত্মত্যাগ স্মরণে তারা রোজা পালন, মিলাদ-মাহফিল এবং বিভিন্ন ধর্মীয় আয়োজনে অংশ নিয়েছেন। তাজিয়া মিছিল দেখতে তিনি বন্ধুদের সঙ্গে সেখানে উপস্থিত হন।

ঐতিহাসিকভাবে ৬১ হিজরির ১০ মহররমে কারবালার প্রান্তরে হুসাইন ইবন আলী (রা.) ও তাঁর সঙ্গীদের শাহাদাত ইসলামের ইতিহাসে গভীর তাৎপর্য বহন করে। এ ঘটনাকে স্মরণ করে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে, বিশেষ করে শিয়া মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে, তাজিয়া মিছিল, জারি ও শোকানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত নাসিরনগরের বিভিন্ন স্থানে আশুরার সব কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

#নাসিরনগর #আশুরা #তাজিয়া_মিছিল

চেকপোস্ট

শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬


আশুরা উপলক্ষে নাসিরনগরের খান্দুরায় তাজিয়া মিছিল ও জারি, নিরাপত্তায় পুলিশ

প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুন ২০২৬

featured Image

পবিত্র ১০ মহররম (আশুরা) উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার খান্দুরা গ্রামে তাজিয়া মিছিল, জারি ও বিভিন্ন ধর্মীয় কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। দিনব্যাপী আয়োজিত এসব অনুষ্ঠানে স্থানীয় শোকপালনকারীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এলাকাজুড়ে পুলিশের কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। চাপরতলা এলাকায় দায়িত্ব পালন করেন সহকারী বিট অফিসার জামাল।

তিনি বলেন, জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ দায়িত্ব পালন করছে, যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা বা বিশৃঙ্খলা না ঘটে। প্রত্যেক নাগরিকের নিজ নিজ ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী শান্তিপূর্ণভাবে ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালনের অধিকার রয়েছে এবং পুলিশ সেই নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন চাপরতলা ইউনিয়ন যুব সেনার সভাপতি মো. রাকিব মিয়া। তিনি বলেন, কারবালার ঘটনা ইসলামের ইতিহাসে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। হুসাইন ইবন আলী (রা.) ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের আত্মত্যাগ স্মরণে তারা রোজা পালন, মিলাদ-মাহফিল এবং বিভিন্ন ধর্মীয় আয়োজনে অংশ নিয়েছেন। তাজিয়া মিছিল দেখতে তিনি বন্ধুদের সঙ্গে সেখানে উপস্থিত হন।

ঐতিহাসিকভাবে ৬১ হিজরির ১০ মহররমে কারবালার প্রান্তরে হুসাইন ইবন আলী (রা.) ও তাঁর সঙ্গীদের শাহাদাত ইসলামের ইতিহাসে গভীর তাৎপর্য বহন করে। এ ঘটনাকে স্মরণ করে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে, বিশেষ করে শিয়া মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে, তাজিয়া মিছিল, জারি ও শোকানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত নাসিরনগরের বিভিন্ন স্থানে আশুরার সব কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত