রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) কমিশনার হিসেবে মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নগরজুড়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, মাদকবিরোধী অভিযান ও জনবান্ধব পুলিশিং কার্যক্রমে নগরবাসীর আস্থা বাড়ছে বলে দাবি স্থানীয়দের।
দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই মাঠকেন্দ্রিক কার্যক্রমে গুরুত্ব দেন আরএমপি কমিশনার। তার নির্দেশনায় নগরীর বিভিন্ন এলাকায় ধারাবাহিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে মাদকবিরোধী অভিযান। এতে আটক হচ্ছেন মাদক কারবারিরা, উদ্ধার হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য। স্থানীয়দের মতে, আগের তুলনায় নগরীর অনেক এলাকায় প্রকাশ্যে মাদক বেচাকেনা কমে এসেছে।
শুধু মাদক নয়, কিশোর গ্যাং দমনেও কঠোর অবস্থানে রয়েছে আরএমপি। নগরীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে বাড়ানো হয়েছে পুলিশি টহল ও নজরদারি। কিশোর অপরাধে জড়িতদের শনাক্তে চলছে বিশেষ অভিযান। পাশাপাশি তরুণদের সচেতন করতে নেওয়া হচ্ছে বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগ।
সাধারণ মানুষের জন্য পুলিশি সেবা সহজ ও হয়রানিমুক্ত করতে থানাগুলোতে আনা হয়েছে নানা পরিবর্তন। জিরো কমপ্লেইন থানা গঠনের লক্ষ্যে অভিযোগ দ্রুত গ্রহণ ও নিষ্পত্তির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে আরএমপি। একই সঙ্গে পুলিশ সদস্যদের মানবিক আচরণ নিশ্চিত করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে নগর নিরাপত্তায় বিশেষ পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে আরএমপি। বাসস্ট্যান্ড, রেলস্টেশন, মার্কেট ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। পাশাপাশি সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারিও জোরদার করা হয়েছে।
নগরবাসীর ভাষ্য, মোহাম্মদ ফয়েজুল কবিরের নেতৃত্বে আরএমপির কার্যক্রমে দৃশ্যমান পরিবর্তন এসেছে। অপরাধ দমনের পাশাপাশি জনবান্ধব পুলিশিংয়ের কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে।

বুধবার, ২৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ মে ২০২৬
রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) কমিশনার হিসেবে মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নগরজুড়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, মাদকবিরোধী অভিযান ও জনবান্ধব পুলিশিং কার্যক্রমে নগরবাসীর আস্থা বাড়ছে বলে দাবি স্থানীয়দের।
দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই মাঠকেন্দ্রিক কার্যক্রমে গুরুত্ব দেন আরএমপি কমিশনার। তার নির্দেশনায় নগরীর বিভিন্ন এলাকায় ধারাবাহিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে মাদকবিরোধী অভিযান। এতে আটক হচ্ছেন মাদক কারবারিরা, উদ্ধার হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য। স্থানীয়দের মতে, আগের তুলনায় নগরীর অনেক এলাকায় প্রকাশ্যে মাদক বেচাকেনা কমে এসেছে।
শুধু মাদক নয়, কিশোর গ্যাং দমনেও কঠোর অবস্থানে রয়েছে আরএমপি। নগরীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে বাড়ানো হয়েছে পুলিশি টহল ও নজরদারি। কিশোর অপরাধে জড়িতদের শনাক্তে চলছে বিশেষ অভিযান। পাশাপাশি তরুণদের সচেতন করতে নেওয়া হচ্ছে বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগ।
সাধারণ মানুষের জন্য পুলিশি সেবা সহজ ও হয়রানিমুক্ত করতে থানাগুলোতে আনা হয়েছে নানা পরিবর্তন। জিরো কমপ্লেইন থানা গঠনের লক্ষ্যে অভিযোগ দ্রুত গ্রহণ ও নিষ্পত্তির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে আরএমপি। একই সঙ্গে পুলিশ সদস্যদের মানবিক আচরণ নিশ্চিত করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে নগর নিরাপত্তায় বিশেষ পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে আরএমপি। বাসস্ট্যান্ড, রেলস্টেশন, মার্কেট ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। পাশাপাশি সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারিও জোরদার করা হয়েছে।
নগরবাসীর ভাষ্য, মোহাম্মদ ফয়েজুল কবিরের নেতৃত্বে আরএমপির কার্যক্রমে দৃশ্যমান পরিবর্তন এসেছে। অপরাধ দমনের পাশাপাশি জনবান্ধব পুলিশিংয়ের কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে।
