আন্তর্জাতিক নৌ চলাচলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে সব ধরনের সামুদ্রিক যান চলাচল বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে ইরান। যুক্তরাষ্ট্রের অন্তর্বর্তীকালীন শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরের পর কিছুটা স্থিতিশীলতার আশা তৈরি হলেও নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে তেহরান-ওয়াশিংটন সম্পর্ক ঘিরে।
শনিবার (২০ জুন) ইরানের কেন্দ্রীয় সামরিক কমান্ড খাতাম আল-আম্বিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্স যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সমঝোতা লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে এ সিদ্ধান্তের কথা জানায়।
ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর যৌথ অপারেশনাল কমান্ড এক বিবৃতিতে দাবি করে, যুক্তরাষ্ট্র তেহরান-ওয়াশিংটন যুদ্ধ-পরবর্তী সমঝোতা স্মারকের শর্ত লঙ্ঘন করেছে। একই সঙ্গে দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক কার্যক্রমকেও যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এসব ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় হরমুজ প্রণালি দিয়ে সব ধরনের সামুদ্রিক চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রপ্তানি পথ হিসেবে পরিচিত হরমুজ প্রণালি দিয়ে বৈশ্বিক তেল ও গ্যাসের বড় অংশ পরিবাহিত হয়। ফলে এই প্রণালি বন্ধ থাকলে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা ও বৈশ্বিক বাণিজ্যে প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এদিকে ইরানের এ ঘোষণার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জুন ২০২৬
আন্তর্জাতিক নৌ চলাচলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে সব ধরনের সামুদ্রিক যান চলাচল বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে ইরান। যুক্তরাষ্ট্রের অন্তর্বর্তীকালীন শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরের পর কিছুটা স্থিতিশীলতার আশা তৈরি হলেও নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে তেহরান-ওয়াশিংটন সম্পর্ক ঘিরে।
শনিবার (২০ জুন) ইরানের কেন্দ্রীয় সামরিক কমান্ড খাতাম আল-আম্বিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্স যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সমঝোতা লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে এ সিদ্ধান্তের কথা জানায়।
ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর যৌথ অপারেশনাল কমান্ড এক বিবৃতিতে দাবি করে, যুক্তরাষ্ট্র তেহরান-ওয়াশিংটন যুদ্ধ-পরবর্তী সমঝোতা স্মারকের শর্ত লঙ্ঘন করেছে। একই সঙ্গে দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক কার্যক্রমকেও যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এসব ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় হরমুজ প্রণালি দিয়ে সব ধরনের সামুদ্রিক চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রপ্তানি পথ হিসেবে পরিচিত হরমুজ প্রণালি দিয়ে বৈশ্বিক তেল ও গ্যাসের বড় অংশ পরিবাহিত হয়। ফলে এই প্রণালি বন্ধ থাকলে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা ও বৈশ্বিক বাণিজ্যে প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এদিকে ইরানের এ ঘোষণার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
