কুড়িগ্রাম সদর উপজেলায় জমিজমা নিয়ে আপন দুই ভাইয়ের দীর্ঘ ২০ বছরের বিরোধ অবশেষে সালিশ বৈঠকের মাধ্যমে মীমাংসা হয়েছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সদর থানা পুলিশের উদ্যোগে আলোচনার মাধ্যমে বিরোধের নিষ্পত্তি হওয়ায় দুই পরিবারে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে সদর উপজেলার ভোগডাঙা ইউনিয়নে আয়োজিত এক সালিশ বৈঠকে উভয় পক্ষের সম্মতিতে বিরোধের অবসান হয়। দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্বের অবসানে দুই পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি স্থানীয়রাও সন্তোষ প্রকাশ করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোগডাঙা ইউনিয়নের বিশ্বাসের খামার এলাকার বাসিন্দা দুই সহোদর মো. আমির হোসেন ও মো. জহুরুল ইসলামের মধ্যে বাড়ির সীমানা, আবাদি জমি এবং চলাচলের রাস্তা নিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে একাধিকবার সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে এবং উভয় পক্ষের কয়েকজন আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।
সালিশ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ভোগডাঙা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাঈদুর রহমান, স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. মাজেদুল ইসলাম এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
বৈঠকে উভয় পক্ষ ভবিষ্যতে এ ধরনের বিরোধ বা অপ্রীতিকর ঘটনার পুনরাবৃত্তি না করার অঙ্গীকার করেন। পাশাপাশি পারস্পরিক সমঝোতা ও শান্তিপূর্ণভাবে বসবাসের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
মো. আমির হোসেন বলেন, তাঁদের বাবা প্রায় ২৬ বছর আগে মারা যাওয়ার পর ভাইয়েরা পারিবারিকভাবে জমি ভাগ করে নেন। পরে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ছোট ভাইয়ের সঙ্গে বিরোধের সৃষ্টি হয়। দীর্ঘদিনের সেই বিরোধ আলোচনার মাধ্যমে শেষ হওয়ায় সবাই স্বস্তি পেয়েছেন।
ভোগডাঙা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাঈদুর রহমান বলেন, দীর্ঘদিনের এই বিরোধ দুই পরিবারের সম্পর্কের অবনতি ঘটিয়েছিল। প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও সমাজের প্রবীণ ব্যক্তিদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় আলোচনার মাধ্যমে উভয় পক্ষ সমঝোতায় পৌঁছেছে।
কুড়িগ্রাম সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন বলেন, জমিজমা নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। দুই পক্ষের অভিযোগ পাওয়ার পর স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টির শান্তিপূর্ণ সমাধান করা হয়েছে।

শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুলাই ২০২৬
কুড়িগ্রাম সদর উপজেলায় জমিজমা নিয়ে আপন দুই ভাইয়ের দীর্ঘ ২০ বছরের বিরোধ অবশেষে সালিশ বৈঠকের মাধ্যমে মীমাংসা হয়েছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সদর থানা পুলিশের উদ্যোগে আলোচনার মাধ্যমে বিরোধের নিষ্পত্তি হওয়ায় দুই পরিবারে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে সদর উপজেলার ভোগডাঙা ইউনিয়নে আয়োজিত এক সালিশ বৈঠকে উভয় পক্ষের সম্মতিতে বিরোধের অবসান হয়। দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্বের অবসানে দুই পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি স্থানীয়রাও সন্তোষ প্রকাশ করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোগডাঙা ইউনিয়নের বিশ্বাসের খামার এলাকার বাসিন্দা দুই সহোদর মো. আমির হোসেন ও মো. জহুরুল ইসলামের মধ্যে বাড়ির সীমানা, আবাদি জমি এবং চলাচলের রাস্তা নিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে একাধিকবার সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে এবং উভয় পক্ষের কয়েকজন আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।
সালিশ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ভোগডাঙা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাঈদুর রহমান, স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. মাজেদুল ইসলাম এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
বৈঠকে উভয় পক্ষ ভবিষ্যতে এ ধরনের বিরোধ বা অপ্রীতিকর ঘটনার পুনরাবৃত্তি না করার অঙ্গীকার করেন। পাশাপাশি পারস্পরিক সমঝোতা ও শান্তিপূর্ণভাবে বসবাসের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
মো. আমির হোসেন বলেন, তাঁদের বাবা প্রায় ২৬ বছর আগে মারা যাওয়ার পর ভাইয়েরা পারিবারিকভাবে জমি ভাগ করে নেন। পরে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ছোট ভাইয়ের সঙ্গে বিরোধের সৃষ্টি হয়। দীর্ঘদিনের সেই বিরোধ আলোচনার মাধ্যমে শেষ হওয়ায় সবাই স্বস্তি পেয়েছেন।
ভোগডাঙা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাঈদুর রহমান বলেন, দীর্ঘদিনের এই বিরোধ দুই পরিবারের সম্পর্কের অবনতি ঘটিয়েছিল। প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও সমাজের প্রবীণ ব্যক্তিদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় আলোচনার মাধ্যমে উভয় পক্ষ সমঝোতায় পৌঁছেছে।
কুড়িগ্রাম সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন বলেন, জমিজমা নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। দুই পক্ষের অভিযোগ পাওয়ার পর স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টির শান্তিপূর্ণ সমাধান করা হয়েছে।
