বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

মহামারি প্রতিরোধে সমন্বিত প্রস্তুতি

আইএইচআর (২০০৫) মাল্টিসেক্টরাল স্টেক হোল্ডার শীর্ষক বিভাগীয় অ্যাডভোকেসি সভা

আইএইচআর (২০০৫) মাল্টিসেক্টরাল স্টেক হোল্ডার শীর্ষক বিভাগীয় অ্যাডভোকেসি সভা
ছবি : চেকপোস্ট

আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্যবিধি (আইএইচআর-২০০৫) বাস্তবায়নে বহুমুখী অংশীজনদের সমন্বয় জোরদারের লক্ষ্যে খুলনায় ‘আইএইচআর (২০০৫) মাল্টিসেক্টরাল স্টেকহোল্ডার’ শীর্ষক বিভাগীয় অ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (৮ জুলাই) খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার আব্দুল্লাহ হারুন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্যবিধি ২০০৫ সালের একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি হলেও ২০২৬ সালেও এর বাস্তবায়ন ও সচেতনতা কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে পৌঁছায়নি। করোনা মহামারি দেখিয়েছে, জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি মোকাবিলা শুধু স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নয়; বরং সংশ্লিষ্ট সব সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

তিনি বলেন, দেশের আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো থাকলেও বাস্তবায়নের গতি এখনও সন্তোষজনক নয়। আন্তঃসীমান্ত সংক্রামক রোগ মোকাবিলায় বিভিন্ন দপ্তরের ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তাদের সমন্বিত কার্যক্রম ও নিয়মিত পর্যবেক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে। বিশ্বায়নের এ সময়ে কোনো দেশই বিচ্ছিন্নভাবে জনস্বাস্থ্য সংকট মোকাবিলা করতে পারে না।

সভায় জানানো হয়, আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্যবিধি (আইএইচআর-২০০৫) অনুযায়ী বাংলাদেশসহ ১৯৬টি সদস্য রাষ্ট্র জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি প্রতিরোধ, শনাক্তকরণ ও মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় সক্ষমতা গড়ে তোলা এবং তা বজায় রাখার অঙ্গীকার করেছে। এ লক্ষ্যে নৌ, স্থল ও বিমানবন্দরে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যব্যবস্থা, চিকিৎসক ও নির্ধারিত হাসপাতাল প্রস্তুত রাখা বাধ্যতামূলক। এছাড়া কোনো সন্দেহজনক জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি শনাক্ত হলে দুই ঘণ্টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট ফোকাল পয়েন্টকে অবহিত করার নির্দেশনা রয়েছে।

সভায় আরও বলা হয়, জনস্বাস্থ্য, সীমান্ত নিরাপত্তা, খাদ্য নিরাপত্তা এবং আইনশৃঙ্খলা সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত তৎপরতার পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে মহামারির ঝুঁকি মোকাবিলা আরও কার্যকর করা সম্ভব।

সভায় বক্তব্য দেন বিজিবি খুলনা সেক্টরের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল অনুপ কুমার বিশ্বাস, অতিরিক্ত রেঞ্জ ডিআইজি শেখ জয়নুদ্দিন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপপরিচালক ডা. আশনাফুন্নাহার, খুলনা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের পরিচালক মো. মোজাম্মেল হক এবং আনসার ও ভিডিপির উপপরিচালক এএসএম আজিম উদ্দিন।

সভায় সভাপতিত্ব করেন খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের সহকারী পরিচালক ডা. অর্পনা বিশ্বাস। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কারিগরি কর্মকর্তা ডা. ইনিন ইসিবোর। এতে বিভাগের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা এবং এনজিও প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের সহযোগিতায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর (ডিজিএইচএস) এ অ্যাডভোকেসি সভার আয়োজন করে।

#খুলনা #জনস্বাস্থ্য #আইএইচআর২০০৫

চেকপোস্ট

বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬


আইএইচআর (২০০৫) মাল্টিসেক্টরাল স্টেক হোল্ডার শীর্ষক বিভাগীয় অ্যাডভোকেসি সভা

প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুলাই ২০২৬

featured Image

আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্যবিধি (আইএইচআর-২০০৫) বাস্তবায়নে বহুমুখী অংশীজনদের সমন্বয় জোরদারের লক্ষ্যে খুলনায় ‘আইএইচআর (২০০৫) মাল্টিসেক্টরাল স্টেকহোল্ডার’ শীর্ষক বিভাগীয় অ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (৮ জুলাই) খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার আব্দুল্লাহ হারুন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্যবিধি ২০০৫ সালের একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি হলেও ২০২৬ সালেও এর বাস্তবায়ন ও সচেতনতা কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে পৌঁছায়নি। করোনা মহামারি দেখিয়েছে, জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি মোকাবিলা শুধু স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নয়; বরং সংশ্লিষ্ট সব সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

তিনি বলেন, দেশের আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো থাকলেও বাস্তবায়নের গতি এখনও সন্তোষজনক নয়। আন্তঃসীমান্ত সংক্রামক রোগ মোকাবিলায় বিভিন্ন দপ্তরের ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তাদের সমন্বিত কার্যক্রম ও নিয়মিত পর্যবেক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে। বিশ্বায়নের এ সময়ে কোনো দেশই বিচ্ছিন্নভাবে জনস্বাস্থ্য সংকট মোকাবিলা করতে পারে না।

সভায় জানানো হয়, আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্যবিধি (আইএইচআর-২০০৫) অনুযায়ী বাংলাদেশসহ ১৯৬টি সদস্য রাষ্ট্র জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি প্রতিরোধ, শনাক্তকরণ ও মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় সক্ষমতা গড়ে তোলা এবং তা বজায় রাখার অঙ্গীকার করেছে। এ লক্ষ্যে নৌ, স্থল ও বিমানবন্দরে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যব্যবস্থা, চিকিৎসক ও নির্ধারিত হাসপাতাল প্রস্তুত রাখা বাধ্যতামূলক। এছাড়া কোনো সন্দেহজনক জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি শনাক্ত হলে দুই ঘণ্টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট ফোকাল পয়েন্টকে অবহিত করার নির্দেশনা রয়েছে।

সভায় আরও বলা হয়, জনস্বাস্থ্য, সীমান্ত নিরাপত্তা, খাদ্য নিরাপত্তা এবং আইনশৃঙ্খলা সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত তৎপরতার পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে মহামারির ঝুঁকি মোকাবিলা আরও কার্যকর করা সম্ভব।

সভায় বক্তব্য দেন বিজিবি খুলনা সেক্টরের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল অনুপ কুমার বিশ্বাস, অতিরিক্ত রেঞ্জ ডিআইজি শেখ জয়নুদ্দিন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপপরিচালক ডা. আশনাফুন্নাহার, খুলনা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের পরিচালক মো. মোজাম্মেল হক এবং আনসার ও ভিডিপির উপপরিচালক এএসএম আজিম উদ্দিন।

সভায় সভাপতিত্ব করেন খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের সহকারী পরিচালক ডা. অর্পনা বিশ্বাস। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কারিগরি কর্মকর্তা ডা. ইনিন ইসিবোর। এতে বিভাগের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা এবং এনজিও প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের সহযোগিতায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর (ডিজিএইচএস) এ অ্যাডভোকেসি সভার আয়োজন করে।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত