সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

দ্রুত নতুন ভবন নির্মাণের দাবি

টুঙ্গিপাড়ায় বাশুড়িয়া সেনেরচর উচ্চ বিদ্যালয়ের ভবন বেহাল: আতঙ্কে শিক্ষার্থীরা

টুঙ্গিপাড়ায় বাশুড়িয়া সেনেরচর উচ্চ বিদ্যালয়ের ভবন বেহাল: আতঙ্কে শিক্ষার্থীরা
একমাত্র ভবনটি দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ অবস্থায় থাকায় ঝুঁকি নিয়ে ক্লাস করছে শিক্ষার্থীরা। ছবি : চেকপোস্ট

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার বাশুড়িয়া সেনেরচর উচ্চ বিদ্যালয়ের একমাত্র ভবনটি দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ অবস্থায় থাকায় ঝুঁকি নিয়ে ক্লাস করছে শিক্ষার্থীরা। নতুন ভবন না থাকায় বাধ্য হয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনেই চলছে পাঠদান।

সম্প্রতি সরেজমিনে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের ভবনের সিলিং ও দেয়ালের প্লাস্টার খসে পড়ছে। কোথাও কোথাও বালু ও ইটের অংশ নিচে পড়ছে। এর আগে চলন্ত ফ্যান খুলে এক ছাত্রীর মাথার ওপর পড়ার ঘটনাও ঘটেছে। এ অবস্থায় যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কায় আতঙ্কে রয়েছে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

স্থানীয়রা জানান, ১৯৯৬ সালে নির্মিত ভবনটির দীর্ঘদিনের অবহেলা ও তদারকির অভাবে বর্তমান অবস্থা তৈরি হয়েছে। শ্রেণিকক্ষে পর্যাপ্ত লাইট-ফ্যানের সংকট এবং বিদ্যালয়ের মাঠে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি আরও বেড়েছে।

তবে নানা সমস্যার মধ্যেও বিদ্যালয়টি শিক্ষাক্ষেত্রে সাফল্য ধরে রেখেছে। বিদায়ী এসএসসি পরীক্ষায় টুঙ্গিপাড়া উপজেলার মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেছে বাশুড়িয়া সেনেরচর উচ্চ বিদ্যালয়।

বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জানায়, জরাজীর্ণ ভবনে ক্লাস করতে তাদের সব সময় ভয় লাগে। মাথার ওপর থেকে প্লাস্টার খসে পড়া এবং ফ্যান খুলে পড়ার মতো ঘটনা তাদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করেছে। তারা দ্রুত নতুন ভবন নির্মাণ ও সংস্কারের জন্য সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছে।

নবম ও দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা জানায়, শ্রেণিকক্ষে পর্যাপ্ত লাইট ও ফ্যান নেই। পাশাপাশি মাঠে জলাবদ্ধতার কারণে স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

এ বিষয়ে বর্ণি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি জাহাঙ্গীর কবির বলেন, বিদ্যালয়ের সমস্যাটি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরে স্কুল কমিটির সঙ্গে আলোচনা করে সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হবে এবং দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রফুল্ল কুমার বিশ্বাস বলেন, উপজেলায় সেরা ফলাফল করা বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বর্তমানে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে ক্লাস করছে। ছাদ ও দেয়াল থেকে প্রতিনিয়ত প্লাস্টার ঝরে পড়ছে। নিরাপদ পরিবেশে পাঠদানের জন্য দ্রুত সংস্কার ও নতুন ভবন নির্মাণের ব্যবস্থা প্রয়োজন।

তিনি উপজেলা প্রশাসন, শিক্ষা বিভাগ ও সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান।

#টুঙ্গিপাড়া #শিক্ষার্থীদের_নিরাপত্তা #স্কুলভবন_সংকট

চেকপোস্ট

সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬


টুঙ্গিপাড়ায় বাশুড়িয়া সেনেরচর উচ্চ বিদ্যালয়ের ভবন বেহাল: আতঙ্কে শিক্ষার্থীরা

প্রকাশের তারিখ : ১৭ আগস্ট ২০২৬

featured Image

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার বাশুড়িয়া সেনেরচর উচ্চ বিদ্যালয়ের একমাত্র ভবনটি দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ অবস্থায় থাকায় ঝুঁকি নিয়ে ক্লাস করছে শিক্ষার্থীরা। নতুন ভবন না থাকায় বাধ্য হয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনেই চলছে পাঠদান।

সম্প্রতি সরেজমিনে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের ভবনের সিলিং ও দেয়ালের প্লাস্টার খসে পড়ছে। কোথাও কোথাও বালু ও ইটের অংশ নিচে পড়ছে। এর আগে চলন্ত ফ্যান খুলে এক ছাত্রীর মাথার ওপর পড়ার ঘটনাও ঘটেছে। এ অবস্থায় যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কায় আতঙ্কে রয়েছে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

স্থানীয়রা জানান, ১৯৯৬ সালে নির্মিত ভবনটির দীর্ঘদিনের অবহেলা ও তদারকির অভাবে বর্তমান অবস্থা তৈরি হয়েছে। শ্রেণিকক্ষে পর্যাপ্ত লাইট-ফ্যানের সংকট এবং বিদ্যালয়ের মাঠে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি আরও বেড়েছে।

তবে নানা সমস্যার মধ্যেও বিদ্যালয়টি শিক্ষাক্ষেত্রে সাফল্য ধরে রেখেছে। বিদায়ী এসএসসি পরীক্ষায় টুঙ্গিপাড়া উপজেলার মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেছে বাশুড়িয়া সেনেরচর উচ্চ বিদ্যালয়।

বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জানায়, জরাজীর্ণ ভবনে ক্লাস করতে তাদের সব সময় ভয় লাগে। মাথার ওপর থেকে প্লাস্টার খসে পড়া এবং ফ্যান খুলে পড়ার মতো ঘটনা তাদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করেছে। তারা দ্রুত নতুন ভবন নির্মাণ ও সংস্কারের জন্য সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছে।

নবম ও দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা জানায়, শ্রেণিকক্ষে পর্যাপ্ত লাইট ও ফ্যান নেই। পাশাপাশি মাঠে জলাবদ্ধতার কারণে স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

এ বিষয়ে বর্ণি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি জাহাঙ্গীর কবির বলেন, বিদ্যালয়ের সমস্যাটি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরে স্কুল কমিটির সঙ্গে আলোচনা করে সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হবে এবং দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রফুল্ল কুমার বিশ্বাস বলেন, উপজেলায় সেরা ফলাফল করা বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বর্তমানে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে ক্লাস করছে। ছাদ ও দেয়াল থেকে প্রতিনিয়ত প্লাস্টার ঝরে পড়ছে। নিরাপদ পরিবেশে পাঠদানের জন্য দ্রুত সংস্কার ও নতুন ভবন নির্মাণের ব্যবস্থা প্রয়োজন।

তিনি উপজেলা প্রশাসন, শিক্ষা বিভাগ ও সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত