লিবিয়া থেকে অবৈধ পথে নৌকাযোগে গ্রিস যাওয়ার সময় ভূমধ্যসাগরে সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার ছয় যুবক নিখোঁজ হয়েছেন। একই ঘটনায় জীবিত উদ্ধার হওয়া আরও চার যুবক বর্তমানে মিশরের মারসা মাতরুহ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
নিখোঁজ যুবকদের পরিবারে চলছে চরম উৎকণ্ঠা। স্বজনরা দ্রুত উদ্ধার তৎপরতা জোরদার করে তাদের দেশে ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন।
নিখোঁজ এনামুল খাঁনের বাবা ইসলাম উদ্দিন জানান, গত ৩ আগস্ট ছেলে ফোন করে জানিয়েছিল ওই দিনই গ্রিসের উদ্দেশে রওনা হবে। এরপর থেকে তার সঙ্গে আর কোনো যোগাযোগ হয়নি। তিনি সরকারের কাছে ছেলেকে উদ্ধারের আবেদন জানিয়েছেন।
শান্তিগঞ্জের ডুংরিয়া গ্রামে নিখোঁজ এক যুবকের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, সন্তানের কোনো খোঁজ না পেয়ে কান্না ও উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন পরিবারের সদস্যরা।
এ ঘটনায় জীবিত উদ্ধার হওয়া চার যুবক হলেন দরগাপাশা ইউনিয়নের সিচনী গ্রামের বদরউদ্দিন আহমদ কামরান, বুরুমপুর গ্রামের আলিম উদ্দিন এবং পাথারিয়া ইউনিয়নের আবু সাইদ ও আব্দুল করিম। পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাদের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে।
মিশরের হাসপাতাল থেকে পাঠানো এক ভিডিও বার্তায় আব্দুল করিম জানান, লিবিয়া থেকে ৪২ জন বাংলাদেশি নৌকায় করে গ্রিসের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন। গন্তব্যের কাছাকাছি পৌঁছানোর পর নৌকার ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়। দীর্ঘ সময় সাগরে ভেসে থাকার পর খাবার ও পানির সংকটে অন্তত ১১ বাংলাদেশির মৃত্যু হয়।
পরে উদ্ধারকারীরা তাদের মিশরের মারসা মাতরুহ হাসপাতালে নিয়ে যায়।
এ বিষয়ে শান্তিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওলিউল্লাহ বলেন, ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে বিষয়টি সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছে।

সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ আগস্ট ২০২৬
লিবিয়া থেকে অবৈধ পথে নৌকাযোগে গ্রিস যাওয়ার সময় ভূমধ্যসাগরে সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার ছয় যুবক নিখোঁজ হয়েছেন। একই ঘটনায় জীবিত উদ্ধার হওয়া আরও চার যুবক বর্তমানে মিশরের মারসা মাতরুহ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
নিখোঁজ যুবকদের পরিবারে চলছে চরম উৎকণ্ঠা। স্বজনরা দ্রুত উদ্ধার তৎপরতা জোরদার করে তাদের দেশে ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন।
নিখোঁজ এনামুল খাঁনের বাবা ইসলাম উদ্দিন জানান, গত ৩ আগস্ট ছেলে ফোন করে জানিয়েছিল ওই দিনই গ্রিসের উদ্দেশে রওনা হবে। এরপর থেকে তার সঙ্গে আর কোনো যোগাযোগ হয়নি। তিনি সরকারের কাছে ছেলেকে উদ্ধারের আবেদন জানিয়েছেন।
শান্তিগঞ্জের ডুংরিয়া গ্রামে নিখোঁজ এক যুবকের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, সন্তানের কোনো খোঁজ না পেয়ে কান্না ও উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন পরিবারের সদস্যরা।
এ ঘটনায় জীবিত উদ্ধার হওয়া চার যুবক হলেন দরগাপাশা ইউনিয়নের সিচনী গ্রামের বদরউদ্দিন আহমদ কামরান, বুরুমপুর গ্রামের আলিম উদ্দিন এবং পাথারিয়া ইউনিয়নের আবু সাইদ ও আব্দুল করিম। পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাদের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে।
মিশরের হাসপাতাল থেকে পাঠানো এক ভিডিও বার্তায় আব্দুল করিম জানান, লিবিয়া থেকে ৪২ জন বাংলাদেশি নৌকায় করে গ্রিসের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন। গন্তব্যের কাছাকাছি পৌঁছানোর পর নৌকার ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়। দীর্ঘ সময় সাগরে ভেসে থাকার পর খাবার ও পানির সংকটে অন্তত ১১ বাংলাদেশির মৃত্যু হয়।
পরে উদ্ধারকারীরা তাদের মিশরের মারসা মাতরুহ হাসপাতালে নিয়ে যায়।
এ বিষয়ে শান্তিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওলিউল্লাহ বলেন, ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে বিষয়টি সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছে।
