রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় সরকারি কৃষি প্রণোদনা বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নিয়মিত চাষাবাদ করা প্রকৃত কৃষকরা সার, বীজ ও বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা থেকে বঞ্চিত হলেও চাষ করেন না এমন অনেক ব্যক্তি সুবিধাভোগীর তালিকায় স্থান পেয়েছেন বলে অভিযোগ স্থানীয় কৃষকদের।
কৃষকদের অভিযোগ, উপজেলা কৃষি অফিসের মাঠপর্যায়ের কিছু উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে এমন ব্যক্তিদের কেউ কেউ জমিতে চাষাবাদ না করেও সরকারি প্রণোদনার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হচ্ছেন। অন্যদিকে দীর্ঘদিন ধরে কৃষিকাজ করা অনেক কৃষক কোনো সহায়তা পাচ্ছেন না।
তাদের আরও অভিযোগ, ফসলের ক্ষতি কিংবা কৃষকদের বিভিন্ন সমস্যার সময় মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়মিত পাওয়া যায় না। ফলে প্রকৃত কৃষকদের প্রয়োজন যাচাই না করেই প্রণোদনার তালিকা তৈরি করা হচ্ছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
কোলকোন্দ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কৃষক বিকাশ চন্দ্র রায় বলেন, তিনি প্রায় ১০ বিঘা জমিতে চাষাবাদ করেন। তিস্তা নদীর চরাঞ্চলে জমি হওয়ায় প্রায়ই বন্যায় ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কিন্তু দীর্ঘদিন কৃষিকাজ করেও তিনি কোনো সরকারি প্রণোদনা পাননি।
একই এলাকার কৃষক দুলাল মিয়া বলেন, নিয়মিত চাষাবাদ করলেও তিনি সরকারি কৃষি সহায়তা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
আলমবিদিতর ইউনিয়নের কৃষক সামসুল বলেন, তিনি প্রায় ১০ বিঘা জমিতে চাষ করেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো সরকারি কৃষি প্রণোদনা পাননি। তার অভিযোগ, প্রকৃত কৃষকদের বাদ দিয়ে পরিচিত বা প্রভাবশালী ব্যক্তিদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে।
কৃষকেরা কৃষি প্রণোদনার তালিকা পুনরায় যাচাই করে প্রকৃত কৃষকদের অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রুবেল হুসেইনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ নিয়ে বিস্তারিত মন্তব্য না করে বলেন, যেসব কৃষক প্রণোদনা পাননি, তারা তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন।

সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ আগস্ট ২০২৬
রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় সরকারি কৃষি প্রণোদনা বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নিয়মিত চাষাবাদ করা প্রকৃত কৃষকরা সার, বীজ ও বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা থেকে বঞ্চিত হলেও চাষ করেন না এমন অনেক ব্যক্তি সুবিধাভোগীর তালিকায় স্থান পেয়েছেন বলে অভিযোগ স্থানীয় কৃষকদের।
কৃষকদের অভিযোগ, উপজেলা কৃষি অফিসের মাঠপর্যায়ের কিছু উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে এমন ব্যক্তিদের কেউ কেউ জমিতে চাষাবাদ না করেও সরকারি প্রণোদনার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হচ্ছেন। অন্যদিকে দীর্ঘদিন ধরে কৃষিকাজ করা অনেক কৃষক কোনো সহায়তা পাচ্ছেন না।
তাদের আরও অভিযোগ, ফসলের ক্ষতি কিংবা কৃষকদের বিভিন্ন সমস্যার সময় মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়মিত পাওয়া যায় না। ফলে প্রকৃত কৃষকদের প্রয়োজন যাচাই না করেই প্রণোদনার তালিকা তৈরি করা হচ্ছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
কোলকোন্দ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কৃষক বিকাশ চন্দ্র রায় বলেন, তিনি প্রায় ১০ বিঘা জমিতে চাষাবাদ করেন। তিস্তা নদীর চরাঞ্চলে জমি হওয়ায় প্রায়ই বন্যায় ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কিন্তু দীর্ঘদিন কৃষিকাজ করেও তিনি কোনো সরকারি প্রণোদনা পাননি।
একই এলাকার কৃষক দুলাল মিয়া বলেন, নিয়মিত চাষাবাদ করলেও তিনি সরকারি কৃষি সহায়তা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
আলমবিদিতর ইউনিয়নের কৃষক সামসুল বলেন, তিনি প্রায় ১০ বিঘা জমিতে চাষ করেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো সরকারি কৃষি প্রণোদনা পাননি। তার অভিযোগ, প্রকৃত কৃষকদের বাদ দিয়ে পরিচিত বা প্রভাবশালী ব্যক্তিদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে।
কৃষকেরা কৃষি প্রণোদনার তালিকা পুনরায় যাচাই করে প্রকৃত কৃষকদের অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রুবেল হুসেইনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ নিয়ে বিস্তারিত মন্তব্য না করে বলেন, যেসব কৃষক প্রণোদনা পাননি, তারা তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন।
