শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

২২ জেলে অপহরণের ঘটনায় বাড়ছে আতঙ্ক

অপহরণ-দস্যুতায় অশান্ত সুন্দরবন, নিরাপত্তাহীনতায় উপকূলবাসী

অপহরণ-দস্যুতায় অশান্ত সুন্দরবন, নিরাপত্তাহীনতায় উপকূলবাসী
ছবি: চেকপোস্ট

সুন্দরবণ-এর বিস্তীর্ণ নদী ও খালজুড়ে আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছে দস্যু বাহিনী। উপকূলীয় এলাকায় জেলে ও মৌয়ালদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। সম্প্রতি সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকায় ২২ জন জেলে ও একাধিক মৌয়াল অপহরণের ঘটনায় ক্ষোভ, উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা ছড়িয়ে পড়েছে পুরো উপকূলজুড়ে।

সুন্দরবনের বুক আজ আবারও ভারী হয়ে আছে নিরিহ মানুষের কান্নায়। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যারা নদীতে নামে এবং যে মৌয়ালীরা মধু সংগ্রহ করে  পরিবারের মুখে দু- মুঠো খাবার তুলে দিতো, সেই জেলে ও মৌয়ালীরা এখন দস্যুদের হাতে বন্দি। সম্প্রতি সুন্দরবনের নদী ও খাল এলাকায় ২২ জন জেলে ও বহু মৌয়ালদের  অপহরণের ঘটনায় পুরো উপকুলজুড়ে নেমে এসেছে আতংক, ক্ষোভ ও গভীর অনিশ্চিয়তা। অপহ্নত জেলেদের পরিবার গুলোর ঘরে এখন চরম উদ্ধেগ। অনেক পরিবারে চুলা জলছে না দিনের পর দিন। সন্তানদের চোখে ঘুম নেই, মায়েদের বুকফাটা কান্নায় ভারী হয়ে উঠেছে জনপদ। উপকুলের মানুষের প্রশ্ন,স্বাধীন দেশে খেটে খাওয়া মানুষের জীবনের কি কোনো নিরাপত্তা নেই

২০১৮ সালে সরকারিভাবে সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত ঘোষণা করা হয়েছিল। সে সময় আইন শৃংখলা বাহিনীর ধারাবাহিক অভিযানে বহু দস্যু আত্মসমর্পন করে এবং বনাঞ্চলে সস্তি ফিরে আসে। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে সেই সস্তি যেন আবারও ভেঙে পড়েছে। ২০২৪ সালের আগষ্টের পর থেকে সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকায় নতুন ও পুরোনো দস্যু বাহিনীর গুলোর তৎপরতা বাড়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে। 

স্থানীয় সুত্র গুলো বলছে, বর্তমানে সুন্দরবনে প্রায় ১৬টি ছোট - বড়ো দস্যু বাহিনী সক্রিয় রয়েছে। এর মধ্যে করিম- শরীফ বাহিনী, আলিফ বাহিনী, বুড়ো জাহাঙ্গীর বাহিনী আল- আমিন বাহিনী, দুলাভাই বাহিনী, জনাব বাহিনী ও আসাবুর গ্রুপের নাম বেশি আলোচনায় এসেছে। দস্যুরা গভীর জঙ্গলে ও নদী পথকে নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে ব্যবহার করছে।

 সুযোগ বুঝে জেলে ও মৌয়ালীদের  নৌকা, ট্রলার থামিয়ে অপহরণ করা হচ্ছে,পরে তাদের মুক্তির জন্য মোটা অংকের মুক্তিপন দাবি করা হচ্ছে। মুক্তিপন না পেলে নির্যাতনের ঘটনাও ঘটছে বলে অভিযোগ রয়েছে। দস্যুদের ভয় এখন শুধু জেলে ও মৌয়ালদের  মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। সুন্দরবন কেন্দ্রিক পর্যটন শিল্পেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। বিভিন্ন সময়ে পর্যটকবাহী ট্রলার কিংবা রিসোর্টে ডাকাতির চেষ্টার খবর পাওয়া গেছে। ফলে পর্যটকদের মাঝেও নিরাপত্তাহীনতার অনুভূতি বাড়ছে। পর্যটন সংশ্লিষ্ট  ব্যবসায়ীরা বলছেন, সুন্দরবনে যদি নিরাপত্তা পরিস্থিতি দ্রুত উন্নতি না হয়, তাহলে পর্যটনখাত বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়বে। 

পরিস্থিতি মোকাবিলায় কোস্টগার্ড, নৌবাহিনী ও অন্যান্য আইন শৃংখলা বাহিনী অভিযান জোরদার করেছে। গত দেড় বছরে বিভিন্ন অভিযানে ৬১ জন দস্যুকে আটক করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে বিপুল পরিমান আগ্নেয়াস্ত্র,  গোলাবারুদ ও দেশিয় অস্ত্র। উপকুলের মানুষ এখন শুধু আশ্বাস শুনতে চায় না। তারা চায় কার্যকর ও স্থায়ী সমাধান অপহ্নত ২২ জেলে সহ আটক মৌয়ালদের  দ্রুত জীবিত উদ্ধার এবং দস্যু বাহিনী গুলোর বিরুদ্ধে কঠোর ও ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তাদের ভাষ্য, সুন্দরবনে নদীতে মাছ ধরতে, কিংবা মধু সংগ্রহে গিয়ে যদি জীবিত ফিরে আসার নিশ্চয়তা না থাকে, তাহলে এই অঞ্চলের হাজারও পরিবার কীভাবে বেঁচে থাকবে? কয়রা উপজেলার দক্ষিন বেদকাশি উপজেলার জেলে মোঃ মনিরুল ইসলাম বলেন, আমরা গরিব মানুষ। 

নদীতে না গেলে অনাহারে থাকতে হয়। কিন্তু এখন নদীতে গেলেও ভয়, ফিরে আসতে পারবো তো? আমাদের পাড়া দিয়ে হাটলে শুনতে পাই, কোন না কোন লোককে ডাকাতরা তুলে নিয়ে গেছে। দাকোপ উপজেলার সুতোরখালি এলাকার অরিবিন্দু মন্ডল বলেন, সাহস নিয়ে গোছগাছ করি বনে যাব বলে। কিন্তু আবার ভয় হয়,ডাকাত যদি ধরে। তাহলে টাকা কোথায় পাবো। পরিমল মন্ডল নামের  মৌয়াল বলেন, এবছরও বনে মধু সংগ্রহে যায়নি, দিন মজুরের কাজ করে পরিবার পরিজন নিয়ে জীবনযাপন করছি। 

ডাকাতের হাতে ধরা পড়লে আর রক্ষা নাই। বন বিভাগ টাকা নিয়ে পাসপারমিট দেয়। কিন্তু ডাকাতের হাত থেকে থেকে রক্ষা পাওয়ার ব্যবস্থা করে না। বাঘ, সাপ আর কুমিরের হাত থেকে বাঁচার জন্য মাদুলি বা তাবিজ নিয়ে বনে যাই। কিন্তু ডাকাত থেকে বাচার কোন তাবিজ নেই। উপকুলীয় জেলে ও মৌয়ালরা বলছেন, শুধু অভিযান চালিয়ে নয় বরং গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, স্থানীয় জনগনের সঙ্গে সমন্বয় এবং নদীপথে স্থায়ী নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তুললেই দস্যুতা নিয়ন্ত্রন সম্ভব। বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা খুলনার সমন্বয়কারী এ্যাড: মোমিনুল ইসলাম বলেন, সুন্দরবন শুধু একটি বন নয়, এটি উপকুলের লাখো মানুষের জীবন - জীবিকার উৎস এবং দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ। 

সেই সুন্দরবন যদি দস্যুদের অভয়ারণ্যে পরিনত হয়, তবে তা শুধু উপকুলের মানুষের জন্য নয়,পুরো দেশের জন্যই অশনিসংকেত।  সুন্দরবন পশ্চিম'র  বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এজেডএম হাছানুর রহমান বলেন,  আমরা শুনতে পাই ডাকাত জেলেদের তুলে নিচ্ছে। কিন্তু, থানায় কোনো অভিযোগ না করায় প্রশাসনের ব্যবস্থা নিতে সমস্যা হয়। সে জন্য জেলেদেরকেও প্রশাসনকে সহায়তা করতে হবে।

 এদিকে এরই মধ্যে ঢাক ঢোল পিটিয়ে  বিপদমুক্ত নৌযাত্রা, জানমালের সুরক্ষা  প্রত্যয়ে দেশে সপ্তাহব্যাপী আয়োজন করা হয়েছে নৌ নিরাপত্তা সপ্তাহ। যার আয়োজন করছে নৌপরিবহন অধিদপ্তর। ফলে উপকুলবাসীর মনে একটাই প্রশ্ন, সপ্তাহব্যাপী এ কার্যক্রম সুন্দরবনকে কতটা দস্যুমুক্ত করতে সক্ষম হবে।

#সুন্দরবন #দস্যু_আতঙ্ক #জেলে_মৌয়াল

চেকপোস্ট

শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬


অপহরণ-দস্যুতায় অশান্ত সুন্দরবন, নিরাপত্তাহীনতায় উপকূলবাসী

প্রকাশের তারিখ : ১৫ মে ২০২৬

featured Image

সুন্দরবণ-এর বিস্তীর্ণ নদী ও খালজুড়ে আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছে দস্যু বাহিনী। উপকূলীয় এলাকায় জেলে ও মৌয়ালদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। সম্প্রতি সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকায় ২২ জন জেলে ও একাধিক মৌয়াল অপহরণের ঘটনায় ক্ষোভ, উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা ছড়িয়ে পড়েছে পুরো উপকূলজুড়ে।

সুন্দরবনের বুক আজ আবারও ভারী হয়ে আছে নিরিহ মানুষের কান্নায়। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যারা নদীতে নামে এবং যে মৌয়ালীরা মধু সংগ্রহ করে  পরিবারের মুখে দু- মুঠো খাবার তুলে দিতো, সেই জেলে ও মৌয়ালীরা এখন দস্যুদের হাতে বন্দি। সম্প্রতি সুন্দরবনের নদী ও খাল এলাকায় ২২ জন জেলে ও বহু মৌয়ালদের  অপহরণের ঘটনায় পুরো উপকুলজুড়ে নেমে এসেছে আতংক, ক্ষোভ ও গভীর অনিশ্চিয়তা। অপহ্নত জেলেদের পরিবার গুলোর ঘরে এখন চরম উদ্ধেগ। অনেক পরিবারে চুলা জলছে না দিনের পর দিন। সন্তানদের চোখে ঘুম নেই, মায়েদের বুকফাটা কান্নায় ভারী হয়ে উঠেছে জনপদ। উপকুলের মানুষের প্রশ্ন,স্বাধীন দেশে খেটে খাওয়া মানুষের জীবনের কি কোনো নিরাপত্তা নেই

২০১৮ সালে সরকারিভাবে সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত ঘোষণা করা হয়েছিল। সে সময় আইন শৃংখলা বাহিনীর ধারাবাহিক অভিযানে বহু দস্যু আত্মসমর্পন করে এবং বনাঞ্চলে সস্তি ফিরে আসে। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে সেই সস্তি যেন আবারও ভেঙে পড়েছে। ২০২৪ সালের আগষ্টের পর থেকে সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকায় নতুন ও পুরোনো দস্যু বাহিনীর গুলোর তৎপরতা বাড়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে। 

স্থানীয় সুত্র গুলো বলছে, বর্তমানে সুন্দরবনে প্রায় ১৬টি ছোট - বড়ো দস্যু বাহিনী সক্রিয় রয়েছে। এর মধ্যে করিম- শরীফ বাহিনী, আলিফ বাহিনী, বুড়ো জাহাঙ্গীর বাহিনী আল- আমিন বাহিনী, দুলাভাই বাহিনী, জনাব বাহিনী ও আসাবুর গ্রুপের নাম বেশি আলোচনায় এসেছে। দস্যুরা গভীর জঙ্গলে ও নদী পথকে নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে ব্যবহার করছে।

 সুযোগ বুঝে জেলে ও মৌয়ালীদের  নৌকা, ট্রলার থামিয়ে অপহরণ করা হচ্ছে,পরে তাদের মুক্তির জন্য মোটা অংকের মুক্তিপন দাবি করা হচ্ছে। মুক্তিপন না পেলে নির্যাতনের ঘটনাও ঘটছে বলে অভিযোগ রয়েছে। দস্যুদের ভয় এখন শুধু জেলে ও মৌয়ালদের  মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। সুন্দরবন কেন্দ্রিক পর্যটন শিল্পেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। বিভিন্ন সময়ে পর্যটকবাহী ট্রলার কিংবা রিসোর্টে ডাকাতির চেষ্টার খবর পাওয়া গেছে। ফলে পর্যটকদের মাঝেও নিরাপত্তাহীনতার অনুভূতি বাড়ছে। পর্যটন সংশ্লিষ্ট  ব্যবসায়ীরা বলছেন, সুন্দরবনে যদি নিরাপত্তা পরিস্থিতি দ্রুত উন্নতি না হয়, তাহলে পর্যটনখাত বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়বে। 

পরিস্থিতি মোকাবিলায় কোস্টগার্ড, নৌবাহিনী ও অন্যান্য আইন শৃংখলা বাহিনী অভিযান জোরদার করেছে। গত দেড় বছরে বিভিন্ন অভিযানে ৬১ জন দস্যুকে আটক করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে বিপুল পরিমান আগ্নেয়াস্ত্র,  গোলাবারুদ ও দেশিয় অস্ত্র। উপকুলের মানুষ এখন শুধু আশ্বাস শুনতে চায় না। তারা চায় কার্যকর ও স্থায়ী সমাধান অপহ্নত ২২ জেলে সহ আটক মৌয়ালদের  দ্রুত জীবিত উদ্ধার এবং দস্যু বাহিনী গুলোর বিরুদ্ধে কঠোর ও ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তাদের ভাষ্য, সুন্দরবনে নদীতে মাছ ধরতে, কিংবা মধু সংগ্রহে গিয়ে যদি জীবিত ফিরে আসার নিশ্চয়তা না থাকে, তাহলে এই অঞ্চলের হাজারও পরিবার কীভাবে বেঁচে থাকবে? কয়রা উপজেলার দক্ষিন বেদকাশি উপজেলার জেলে মোঃ মনিরুল ইসলাম বলেন, আমরা গরিব মানুষ। 

নদীতে না গেলে অনাহারে থাকতে হয়। কিন্তু এখন নদীতে গেলেও ভয়, ফিরে আসতে পারবো তো? আমাদের পাড়া দিয়ে হাটলে শুনতে পাই, কোন না কোন লোককে ডাকাতরা তুলে নিয়ে গেছে। দাকোপ উপজেলার সুতোরখালি এলাকার অরিবিন্দু মন্ডল বলেন, সাহস নিয়ে গোছগাছ করি বনে যাব বলে। কিন্তু আবার ভয় হয়,ডাকাত যদি ধরে। তাহলে টাকা কোথায় পাবো। পরিমল মন্ডল নামের  মৌয়াল বলেন, এবছরও বনে মধু সংগ্রহে যায়নি, দিন মজুরের কাজ করে পরিবার পরিজন নিয়ে জীবনযাপন করছি। 

ডাকাতের হাতে ধরা পড়লে আর রক্ষা নাই। বন বিভাগ টাকা নিয়ে পাসপারমিট দেয়। কিন্তু ডাকাতের হাত থেকে থেকে রক্ষা পাওয়ার ব্যবস্থা করে না। বাঘ, সাপ আর কুমিরের হাত থেকে বাঁচার জন্য মাদুলি বা তাবিজ নিয়ে বনে যাই। কিন্তু ডাকাত থেকে বাচার কোন তাবিজ নেই। উপকুলীয় জেলে ও মৌয়ালরা বলছেন, শুধু অভিযান চালিয়ে নয় বরং গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, স্থানীয় জনগনের সঙ্গে সমন্বয় এবং নদীপথে স্থায়ী নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তুললেই দস্যুতা নিয়ন্ত্রন সম্ভব। বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা খুলনার সমন্বয়কারী এ্যাড: মোমিনুল ইসলাম বলেন, সুন্দরবন শুধু একটি বন নয়, এটি উপকুলের লাখো মানুষের জীবন - জীবিকার উৎস এবং দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ। 

সেই সুন্দরবন যদি দস্যুদের অভয়ারণ্যে পরিনত হয়, তবে তা শুধু উপকুলের মানুষের জন্য নয়,পুরো দেশের জন্যই অশনিসংকেত।  সুন্দরবন পশ্চিম'র  বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এজেডএম হাছানুর রহমান বলেন,  আমরা শুনতে পাই ডাকাত জেলেদের তুলে নিচ্ছে। কিন্তু, থানায় কোনো অভিযোগ না করায় প্রশাসনের ব্যবস্থা নিতে সমস্যা হয়। সে জন্য জেলেদেরকেও প্রশাসনকে সহায়তা করতে হবে।

 এদিকে এরই মধ্যে ঢাক ঢোল পিটিয়ে  বিপদমুক্ত নৌযাত্রা, জানমালের সুরক্ষা  প্রত্যয়ে দেশে সপ্তাহব্যাপী আয়োজন করা হয়েছে নৌ নিরাপত্তা সপ্তাহ। যার আয়োজন করছে নৌপরিবহন অধিদপ্তর। ফলে উপকুলবাসীর মনে একটাই প্রশ্ন, সপ্তাহব্যাপী এ কার্যক্রম সুন্দরবনকে কতটা দস্যুমুক্ত করতে সক্ষম হবে।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত